রাম মন্দিরের নির্মাণ শুরু হওয়া এক গর্বের মুহূর্ত: রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ

৭৪ তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে ভাষণের সময় রামনাথ কোবিন্দ বলেন, বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে রাম জন্মভূমি নিয়ে সমস্যাটির সমাধান করা হয়েছে

রাম মন্দিরের নির্মাণ শুরু হওয়া এক গর্বের মুহূর্ত: রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ভারতের অনেক কিছু দেওয়ার আছে: President Ram Nath Kovind

হাইলাইটস

  • শুক্রবার দেশের স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ
  • তাঁর ভাষণে উঠে আসে রাম মন্দির প্রসঙ্গটিও
  • বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে রাম মন্দির বিতর্কের সমাধান হওয়ার কথাও উল্লেখ করেন
নয়া দিল্লি:

স্বাধীনতা দিবসের (Independence Day 2020) প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের (President Ram Nath Kovind) মুখে উঠে এল রামমন্দির প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, অযোধ্যায় শ্রী রাম জন্মভূমিতে মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার মুহূর্তটি সবার জন্য এক গর্বের মুহূর্ত। তিনি একথাও আলাদা করে উল্লেখ করেন যে, রাম জন্মভূমি (Ram Janmabhoomi) নিয়ে যে বিতর্ক চলছিলো, সেটি বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে। "মাত্র দশ দিন আগে, অযোধ্যায় শ্রী রাম জন্মভূমিতে মন্দিরের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। এটি প্রকৃত পক্ষেই সবার জন্য এক গর্বের মুহূর্ত ছিলো। দেশের মানুষ দীর্ঘকাল ধরে সংযম ও ধৈর্য বজায় রেখেছিলেন এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতিও অবিচ্ছিন্নভাবে আস্থা রেখেছিলেন", বলেন কোবিন্দ।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, "সমস্ত রাজনৈতিক দল এবং দেশের জনগণ সুপ্রিম কোর্টের অযোধ্যা রায়কে শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করেছে এবং গোটা বিশ্বের সামনে ভারতের শান্তি, অহিংসা, ভালোবাসা এবং সম্প্রীতির বার্তা তুলে ধরেছে। আমি দেশের সকল সহ নাগরিকদের তাঁদের এই প্রশংসনীয় আচরণের জন্য অভিনন্দন জানাই।"

অযোধ্যায় শ্রী রাম জন্মভূমিতে মন্দির নির্মাণের সূচনা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গত ৫ অগাস্ট 'ভূমি পুজো' -তে অংশ নেন।

রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ আরও বলেন যে, গোটা বিশ্ব জুড়ে বিশেষত বৌদ্ধিক ও আধ্যাত্মিক সমৃদ্ধি এবং শান্তির বার্তা প্রচারের লক্ষ্যে ভারতের আরও অনেক কিছু করার রয়েছে। তিনি বলেন, "এই মনোভাবকে সঙ্গে নিয়েই আমি সকলের মঙ্গল কামনা করছি।"

এদিকে দেশের ৭৪ তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দিল্লির লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন।