কোয়ারান্টাইন সেন্টারের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ বাংলায় সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য দায়ী: অধীর চৌধুরী

অধীরের দাবি, "সেন্টারগুলোর অবস্থা এতটাই খারাপ যে কোনও সুস্থ মানুষ সেই কেন্দ্রে ঢুকলে সংক্রমিত হয়ে পড়বেন।"

কোয়ারান্টাইন সেন্টারের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ বাংলায় সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য দায়ী: অধীর চৌধুরী

হাইলাইটস

  • কোয়ারান্টইন সেন্টার নিয়ে রাজ্যকে কাঠগড়ায় তুললেন অধীর চৌধুরী
  • রাজ্যের কোয়ারান্টাইন কেন্দ্রগুলর দুর্দশার জন্য বাড়ছে সংক্রমণ, অভিযোগ তাঁর
  • এর আগে পরিযায়ী শ্রমিকের দুর্দশা নিয়ে সরব হয়েছিলেন কংগ্রেস সাংসদ
কলকাতা:

বাংলায় প্রতিদিন বেড়ে চলা সংক্রমণের নেপথ্যে কোয়ারান্টাইন কেন্দ্রের পরিকাঠামো। শুক্রবার অভিযোগ করলেন কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী (MP Adhir Chowdhury)। তাঁর দাবি, "রাজ্যের কোয়ারান্টাইন কেন্দ্রগুলোর  (Quarantine centre in Bengal) দুর্দশার জেরেই প্রতিদিন বাড়ছে সংক্রমণ।" অধীরের দাবি, "সেন্টারগুলোর অবস্থা এতটাই খারাপ যে কোনও সুস্থ মানুষ সেই কেন্দ্রে ঢুকলে সংক্রমিত হয়ে পড়বেন।" এর আগেও পরিযায়ী শ্রমিক (Migrants) প্রশ্নে একইভাবে সরব হয়েছিলেন বহরমপুরের এই কংগ্রেস সাংসদ। মাসখানেক আগে তিনি বলেছিলেন, লকডাউনের (Coronavirus Lockdown) কারণে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পশ্চিমবঙ্গের অসংখ্য পরিযায়ী শ্রমিক আটকে রয়েছেন এবং অত্যন্ত দুর্দশার মধ্যে রয়েছেন, অথচ তাঁদের ব্যাপারে খুবই উদাসীন রাজ্য সরকার। সেবার এক ভিডিও বার্তায় অধীর রঞ্জন চৌধুরী জানিয়েছিলেন, কেন্দ্র ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে যে আটকে পড়া শ্রমিকদের তাঁদের নিজেদের রাজ্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রতিদিন দেশে ৩০০ টি করে "শ্রমিক স্পেশাল" ট্রেন চালানো হবে। মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেছিলেন "এখন, আপনি আমাকে বলুন যে লকডাউনের কারণে রাজ্যের যে লক্ষ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক এবং পর্যটক ও শিক্ষার্থীরা ভিনরাজ্যে আটকে রয়েছেন তাঁদের ফেরাতে আপনার জেলা ভিত্তিক কতগুলো ট্রেনের প্রয়োজন?"

রাজ্যে নাইট কার্ফুতে শিথিলতা! এবার রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা অবধি লাগু কার্ফু 

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় আমফানকে হাতিয়ার করে আসলে পকেটে টাকা পুরতে চাইছে রাজ্য সরকার, এভাবেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে কটাক্ষ করেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ২০ মে পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার উপর আছড়ে পড়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আমফান। ওই ঝড়ের দাপটে বাংলার বহু জেলা তছনছ হয়ে যায়। রাজ্যের আমফান পরবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন যে, ওই ঘূর্ণিঝড়ে পশ্চিমবঙ্গে আনুমানিক ১ লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। আর মুখ্যমন্ত্রীর এই ক্ষতির অঙ্কের পরিমাণকেই তীব্র ভাষায় বিঁধলেন রাজ্যের পোড় খাওয়া বিজেপি নেতা।

দিলীপ ঘোষ বলেন, "এটা আসলে এই বিপর্যয় থেকে অর্থোপার্জনের কৌশল"। আমফানকে জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণার জন্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবিকেও কটাক্ষ করেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। দিলীপ ঘোষ বলেন, "এটাকে জাতীয় বিপর্যয় কোনওভাবেই বলা যায় না। রাজ্য সরকারের শুধুমাত্র কেন্দ্রকে রাজ্যের ক্ষতির পরিমাণ জানানো উচিত"। রাজ্যে ফিরে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশার বিষয়েও মুখ খোলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলায় ফিরে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্য সরকারের তরফে সেভাবে কোনও সাহায্যই করা হচ্ছে না। তাঁদের কাছে না আছে খাবার, না আছে জল।