This Article is From Jul 14, 2020

ভারভারা রাওয়ের মুক্তির বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুন প্রধানমন্ত্রী, অনুরোধ অধীর চৌধুরীর

Adhir Ranjan Chowdhury: "দয়া করে তাঁকে জেল থেকে ছেড়ে দিন, মুক্তি দিন", প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠিতে অনুরোধ করলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী

ভারভারা রাওয়ের মুক্তির বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুন প্রধানমন্ত্রী, অনুরোধ অধীর চৌধুরীর

Bhima Koregaon case: "দয়া করে আপনি হস্তক্ষেপ করে ওঁর প্রাণ বাঁচান", ভারভারা রাও প্রসঙ্গে লিখলেন কংগ্রেস নেতা

নয়া দিল্লি:

ভীমা কোরেগাঁও মামলায় (Bhima Koregaon case) জেলবন্দি ভারভারা রাওকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে নিজে হস্তক্ষেপ করুন প্রধানমন্ত্রী, এই অনুরোধ করে নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) চিঠি দিলেন কংগ্রেস নেতা তথা সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury)। সম্প্রতি ওই সমাজকর্মীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে (Varavara Rao) স্যার জেজে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে অধীর চৌধুরীর আবেদন, "এদেশে ৮১ বছর বয়সী এক ব্যক্তি জানেন না কী তাঁর অপরাধ, অথচ ছরের পর বছর কারাগারে বন্দি রয়েছেন তিনি, এখন চিকিৎসাটুকুও ঠিকভাবে না পেয়ে মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন, তাঁর নাম কবি ভারভারা রাও।" ওই প্রবীণ কংগ্রেস নেতা আরও লেখেন, "দয়া করে তাঁকে জেল থেকে মুক্তি দিন, তাঁকে মুক্তি দিন, এই বয়সে এসে তিনি বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশ ভারতে এভাবে থাকতে পারেন না"।

প্রধানমন্ত্রী মোদিকে একান্ত অনুরোধ করে কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী লেখেন, "আপনি দয়া করে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুন এবং তাঁর জীবন বাঁচান, না হলে, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না"।
মাওবাদীদের সঙ্গে যোগসাজশ ও হিংসায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে ২০১৫ সালের নভেম্বরে ভারভারা রাও এবং আরও ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি, পুনে জেলার ভীমা কোরেগাঁও গ্রামে হওয়া ওই হিংসায় ১ ব্যক্তির মৃত্যু হয় এবং ১০ পুলিশ কর্মী সহ বেশ কয়েকজন আহত হন।

২০১৮ সালে নববর্ষের দিন ভীমা-কোরেগাঁও যুদ্ধের ২০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে হওয়া একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ঝামেলার সূত্রপাত। অভিযোগ কিছু মানুষ গেরুয়া পতাকা হাতে নিয়ে পাথর ছুঁড়তে শুরু করে। তারপরেই হিংসা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। পুলিশ মোট ১৬২জনের বিরুদ্ধে ৫৮ টি মামলা দায়ের করে।