This Article is From Apr 09, 2020

করোনার জেরে নষ্ট কর্মদিবস! ঘাটতি পূরণে দিল্লি হাইকোর্টের গরমের ছুটি বাতিল

গরমের ছুটি বাতিল করল দিল্লি হাইকোর্ট। জানা গিয়েছে, করোনা সংক্রমণের কারণে নষ্ট হয়েছে আদালতের কর্মদিবস। সেই ঘাটতি পূরণে জুন মাস খোলা থাকবে আদালত

করোনার জেরে নষ্ট কর্মদিবস! ঘাটতি পূরণে দিল্লি হাইকোর্টের গরমের ছুটি বাতিল

করোনা সংক্রমণের কারণে নষ্ট হয়েছে আদালতের কর্মদিবস। সেই ঘাটতি পূরণে জুন মাস খোলা থাকবে আদালত। (প্রতীকী)

হাইলাইটস

  • লকডাউন ও করোনা সংক্রমণের জেরে নষ্ট কর্মদিবস
  • সেই ঘাটতি পূরণে গরমের ছুটি বাতিল করল দিল্লি হাইকোর্ট
  • জুনে মাসে কাজ হবে হাইকোর্ট-সহ অধীনস্ত আদালতে
নয়া দিল্লি:

গরমের ছুটি বাতিল করল দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। জানা গিয়েছে, করোনা সংক্রমণের (Corona) কারণে নষ্ট হয়েছে আদালতের কর্মদিবস। সেই ঘাটতি পূরণে জুন মাস খোলা থাকবে আদালত। চলবে মামলার শুনানি ও অন্য কাজ। দিল্লি হাইকোর্টের অধীনস্ত আদালত গুলোতে একই নির্দেশ (Summer Vacation Cancels) জারি থাকবে। হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার দফতর সূত্রে এমনটাই খবর। ইতিমধ্যে মার্চের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে জাঁকিয়ে বসা সংক্রমণ আতঙ্কে বাতিল হয়েছে সংসদের বাজেট অধিবেশনের অবশিষ্ট পর্ব। জানা গিয়েছে, ১৯ মার্চ পর্যন্ত সঠিক ভাবে কাজ হয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট-সহ রাজ্যের অন্য সরকারি দফতরে। এমনকি, ১৯ মার্চ রাতে নির্ভয়া -কাণ্ডের ৪ অপরাধীর ফাঁসির সাজা মকুবের শেষ মুহূর্তের আর্জির শুনানিও হয়েছে। তারপর থেকেই সংক্রমণ আতঙ্কের গ্রাসে বিছিন্ন হয়ে পড়েছে সরকারি এবং একাধিক আদালতের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড। 

রাজ্যে ১৭৭ জন তাবলিগি সদস্যকে কোয়ানান্টাইন করা হয়েছে, বললেন মুখ্যমন্ত্রী

এদিকে, রাজধানী দিল্লির অন্যতম প্রাণকেন্দ্র জনপ্রিয় 'বেঙ্গলি মার্কেট'। এখন ওই এলাকায় নেই কোনও ব্যস্ততা, রীতিমতো শ্মশানের নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে সেখানে। সম্প্রতি ওই এলাকায় নতুন করে আরও ৩ জন করোনা আক্রান্তের সন্ধান মেলায় পুরোপুরি সিল করে দেওয়া হয়েছে গোটা এলাকা। তবে দুশ্চিন্তার বিষয় এটাই যে, একে অপরের মধ্যে দূরত্ব বজায় রেখে থাকার কথা বলা হলেও ওই চত্বরেরই একটি বাঙালি কেকের দোকানের ছাদে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে থাকছিলেন ওই দোকানেরই ৩৫ জন কর্মী। এদের মধ্যে আবার দু'জন কর্মীর শরীরে করোনা সংক্রমণের লক্ষণ দেখা গেছে। তা সত্ত্বেও সকলে একসঙ্গে থাকায় ওই কর্মীদের মধ্যে আরও বেশি করে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই 'বেঙ্গলি মার্কেট' এলাকাটিকে সংক্রমণ প্রবণ এলাকা বা হটস্পট বলে চিহ্নিত করে গোটা চত্বর সিল করে দিয়েছে দিল্লি সরকারের পুলিশ প্রশাসন। 

‘‘জীবন একই রকম থাকবে না'': ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউনের সময় বাড়াল ওড়িশা

অপরদিকে, ২০টি আঁতুড়ঘর সিল করার সঙ্গে দিল্লিতে মাস্ক ব্যবহার আবশ্যিক করল রাজ্য সরকার। বুধবার এই তথ্য দিয়েছে দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া। সেদিন উপ-মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্যের জনপ্রিয় সদর বাজার, মার্কাজ মসজিদ, নিজামুদ্দিন বস্তি, পাতপরগঞ্জ , দিলশাদ গার্ডেন, মালব্য নগর -সহ ২০টি আঁতুড়ঘর চিহ্নিত করা হয়েছে। খুব দ্রুত সেগুলো সিল করা হবে। পাশাপাশি, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন সংক্রমণের খবর নেই। বুধবার দাবি করেন মনীশ সিসোদিয়া। জানা গিয়েছে, দিল্লিতে ৫৭৬ জন সংক্রমিত। মৃত ৯। সুস্থ হয়েছেন ২১ জন। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাসভবনে একটি পর্যালোচনা বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে সপার্ষদ স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন এবং মনীশ সিসোদিয়া উপস্থিত ছিলেন।