দিল্লিতে নিয়ন্ত্রিত সংক্রমণ, বেড়েছে সুস্থতার হার: অরবিন্দ কেজরিওয়াল

তিনি জানান, সুস্থ হওয়ার হার বেড়েছে। দিল্লিতে প্রায় ৬৬% মানুষ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। আগে এই হার ছিল ৬০%

দিল্লিতে নিয়ন্ত্রিত সংক্রমণ, বেড়েছে সুস্থতার হার: অরবিন্দ কেজরিওয়াল

টেস্টিং আ, শাটডাউন। নিয়ন্ত্রণে এনেছে সংক্রমণকে: অরবিন্দ কেজরিওয়াল

নয়াদিল্লি:

আপাত নিয়ন্ত্রণে দিল্লির সংক্রমণ (Delhi's virus spread under control)। বুধবার জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (CM Kejriwal)। পরিসংখ্যান তুলে তাঁর দাবি, "গোটা জুন মাস জুড়ে আমরা ৬০,০০০ সংক্রমণ আশা করেছিলাম। কিন্তু গত মাসে মোট সংক্রমিত ২৬ হাজার। কমেছে দিনপিছু সংক্রমিতের সংখ্যা। আগে যেখানে ছিল ৫ হাজার সংক্রমণ। এখন দিনপিছু ২৫০০ জন সংক্রমিত।" বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছিলেন, জুলাই মাসের (Covid-19 by the end of July) মধ্যে দিল্লিতে সংক্রমিত পাঁচ লক্ষ ছাড়াবে। কিন্তু জুন মাসের শেষে রাজ্যে মোট সংক্রমিত ৮৭ হাজার। অর্থাৎ কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে দিল্লির সংক্রমণ। দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট সংক্রমিত প্রায় ২২০০। এই সংক্রমণ ধরলে দিল্লিতে মোট সংক্রমণের সংখ্যা ৮৭, ৩৬০। মৃতের সংখ্যা ২৭৪২। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৬২ জন। সক্রিয় সংক্রমণ ২৬,২৭০।

এদিন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "নমুনা পরীক্ষার বহর বাড়ানো হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে কমেছে সংক্রমিতের সংখ্যা। আগে প্রতি একশো জনে ৩১ জন সংক্রমিত ছিলেন এখন প্রতি একশো জনে ১৩ জন সংক্রমিত। এটা একটা ইতিবাচক ইঙ্গিত।"

তিনি জানান, সুস্থ হওয়ার হার বেড়েছে। দিল্লিতে প্রায় ৬৬% মানুষ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। আগে এই হার ছিল ৬০%। মৃত্যুর হার ৩% আর এখন প্রতি লক্ষে ২১ হাজার জনের নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে। আগে ১৬ হাজার জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

এদিকে, মুম্বইয়ে ১১ দিনের গণেশ উত্সবের সবচেয়ে বড় এবং জমকালো আয়োজন, ‘লালবাগছা রাজা'র পুজো এবার বন্ধ। লালবাগ উৎসবের আয়োজকরা করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে অনুষ্ঠান বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বুধবার। এটি লালবাগের রাজার ৮৪ বছরের ইতিহাসে প্রথম! লালবাগ গণেশ মণ্ডলের সেক্রেটারি সুধীর সালভী বলেন, “এই বছর আমরা কোনও প্রতিমা রাখব না কারণ মানুষ এটি দেখার জন্য ভিড় করবেন।" মুম্বইয়ের পরেল অঞ্চলের লালবাগের গণেশ প্রতিমার পুজোর আয়োজনে হওয়া বার্ষিক উত্সবে সবচেয়ে বেশি মানুষ ভিড় জমান।

আয়োজকরা জানিয়েছেন যে তারা এইবছর উৎসবের সময়ই পুজোর পরিবর্তে রক্তদান শিবির এবং প্লাজমা থেরাপি ক্যাম্পের ব্যবস্থা করবেন।

মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি উত্সবের প্রেক্ষিতে লকডাউনের সময় সংযম দেখানোর জন্য সমস্ত ধর্মীয় সম্প্রদায়কে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন।

তিনি জানান যে COVID-19 মোকাবিলায় মহারাষ্ট্রের অগ্রগতি সত্ত্বেও, সঙ্কট এখনও শেষ হয়নি এবং রাজ্যের জনগণকে নিয়ম মেনে চলার এবং লকডাউন যেন ফের জারি করতে না হয় তা নিশ্চিত করার আহ্বানও জানিয়েছেন উদ্বব ঠাকরে।