This Article is From Mar 18, 2020

যাদবপুরের পোলিশ পড়ুয়াকে ভারত ছাড়া করার নির্দেশ খারিজ হাইকোর্টে

ওই পোল্যান্ডের পড়ুয়া ২০১৬ থেকে ভারতে। প্রথমে বিশ্বভারতীতে আর এখন যাদবপুরে পঠনপাঠনে যুক্ত। 

যাদবপুরের পোলিশ পড়ুয়াকে ভারত ছাড়া করার নির্দেশ খারিজ হাইকোর্টে
কলকাতা:

ভারত-সরকার বিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (JU) পোল্যান্ডের পড়ুয়া। এই অভিযোগে সেই পড়ুয়া (A Polish Student) কামিল সিডজিন্সকিকে দেশ ছাড়ার নোটিশ ধরানো হয়েছিল। কিন্তু বুধবার কেন্দ্রের সেই সিদ্ধান্তকে খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট (Kolkata High Court)। এই পদক্ষেপ আদতে ভয়ের বহিঃপ্রকাশ। এই ভাষাতেই কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে সেই নোটিশ খারিজের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।জানা গিয়েছে ওই পোল্যান্ডের পড়ুয়া যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামুলক সাহিত্য বিভাগের স্নাতকোত্তর স্তরের ছাত্র। ১৪ ফেব্রুয়ারি তাঁকে দেশ ছাড়ার নিদান দিয়েছিল এফআরআরও। সেই নিদানের বিরোধিতা করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কামিল। এফআরআরও'র নোটিশে বলা ছিল এই নোটিশ হাতে পাওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে দেশে ফিরতে হবে তাঁকে। নয়তো ভারত সরকার বাধ্য হবে দেশে ফেরত পাঠাতে। জানা গিয়েছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি সেই নোটিশ হাতে পেয়েছিলেন কামিল। এরপরেই আদালতে দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। নোটিশ মোতাবেক ৯ মার্চের মধ্যে তাঁকে ভারত ছাড়তে হতো। কিন্তু ৫ মার্চ সেই নিরদেশের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করে আদালতের বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের বেঞ্চ। 

এদিন রায় দিতে গিয়ে সেই বেঞ্চ বলেছে, কোনওরকম যুক্তি ছাড়া সেই বিদেশী পড়ুয়াকে ভারত ছাড়া করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপের জেরে ভারতের মাটিতে একজন বিদেশীর মৌলিক অধিকার-সহ জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতা খর্ব হওয়ার সম্ভাবনা। ভারতীয় সংবিধানের ২১ ধারা জন্মসূত্রে প্রাপ্ত নাগরিকদের মতোই বিদেশী নাগরিকদেরও কিছু মৌলিক পরিসর দিয়েছে। এই নির্দেশ সেই পরিসরের পরিপন্থী। জানা গিয়েছে, সেই পড়ুয়ার বিরুদ্ধে এফআরআরও'র অভিযোগ ছিল সরকার বিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত থেকে ভিসা আইন ভঙ্গ করেছেন। সেি অভিযোগ খারিজ করে ওই পড়ুয়ার আইনজীবী জয়ন্ত মিত্র সওয়াল করেছিলেন এফআরআরও'র সিদ্ধান্ত সাধারণ ন্যায়ের দণ্ডকে খর্ব করছে। আঘাত হানছে মৌলিক অধিকারে। যা ভারতীয় সংবিধানের ঘোষিত পরিসরের পরিপন্থী।  সেই আইনজীবী আরও সওয়াল করেছিলেন, তাঁর মক্কেলকে অভিযোগের পাল্টা হিসেবে বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। খতিয়ে দেখা হয়নি তাঁর কৈফিয়ত। 

ওই পোল্যান্ডের পড়ুয়া ২০১৬ থেকে ভারতে। প্রথমে বিশ্বভারতীতে আর এখন যাদবপুরে পঠনপাঠনে যুক্ত। 



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদনা করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে।)
.