This Article is From Jan 27, 2020

‘‘ঐতিহাসিক চুক্তি’’, বোরো চুক্তি সম্পর্কে Amit Shah

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) জানিয়েছে্ন, এই চুক্তি অসমের বোরো অঞ্চলের উন্নতিতে সাহায্য করবে।

‘‘ঐতিহাসিক চুক্তি’’, বোরো চুক্তি সম্পর্কে Amit Shah

এই চুক্তিকে ‘ঐতিহাসিক চুক্তি’ আখ্যা দিয়েছেন অমিত শাহ।

নয়াদিল্লি:

সোমবার অসমের নিষিদ্ধ বোরো জঙ্গিগোষ্ঠী ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট অফ বোরোল্যান্ড তথা এনডিএফবি-র সঙ্গে সরকারের একটি চুক্তি (Bodo Agreement ) স্বাক্ষরিত হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)জানিয়েছে্ন, এই চুক্তি অসমের বোরো অঞ্চলের উন্নতিতে সাহায্য করবে। এই চুক্তিকে ‘ঐতিহাসিক চুক্তি' আখ্যা দিয়ে অমিত শাহ বলেন, এই চুক্তি স্থায়ী হতে চলেছে। তিনি বলেন, ‘‘আমরা চুক্তিটি করতে সমস্ত সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেছি। সমস্ত প্রতিশ্রুতি সময়মতো পূর্ণ করা হবে।'' এই চুক্তির ফলে অসমের বহু দশকের রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটল। অসমের মন্ত্রী ও উত্তর-পূর্ব ভারতে বিজেপির প্রধানতম কৌশলী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, এই চুক্তির ফলে বোরো অধিবাসীদের সর্বাঙ্গীন উন্নতি নিশ্চিত হল এবং এই চুক্তি অসমের আঞ্চলিক অখণ্ডতা বজায় রাখবে।

চুক্তির সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ত্রিপাক্ষিক চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হল অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়াল, এনডিএফবি ও এবিএসইউয়ের চারটি দল এবং কেন্দ্রের মধ্যে। ‘অল বোরো স্টুডেন্টস ইউনিয়ন'-ও এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। প্রসঙ্গত, তারাই এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে।

সূত্রানুসারে, এই চুক্তি অনুযায়ী রাজ্যব্যাপী আন্দোলনে যারা অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছে তাদের প্রতি সরকার সহমর্মিতা প্রদর্শন করবে। আশা করা হচ্ছে ৩০ জানুয়ারি ১,৫০০-রও বেশি জঙ্গিরা আত্মসমর্পণ করবে। অমিত শাহ জানিয়েছেন, ‘‘ওরা কেউ আর জঙ্গি নয়, সকলেই আমাদের ভাই।'' জানা গিয়েছে, যাদের রেকর্ড পরিষ্কার, তাদের আধাসেনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

বোরো আন্দোলনে যাঁদের পরিবার প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

চুক্তি অনুযায়ী, যে অঞ্চলের নাম বিটিএডি ছিল, সেটির নতুন নাম হবে বোরোল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অঞ্চল। কেন্দ্র অসমের পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসকারী বোরো অধিবাসীদের ‘পাহাড়ি উপজাতি' বলে বর্ণনা করা হবে। সমগ্র অসমের সহযোগী সরকারি ভাষা হিসেবে গ্রহণ করা হবে দেবনাগরী হরফের বোরো ভাষা। 

চুক্তিতে আরও বলা হয় আর্থিক প্যাকেজের কথাও। রাজ্য সরকার ৩ বছরের জন্য ২৫০ কোটি টাকা করে দেবে অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য। পাশাপাশি কেন্দ্রও সম পরিমাণ টাকা দেবে। সব মিলিয়ে ১৫০০ কোটি টাকা দেওয়া হবে।  ওই টাকা অঞ্চলের শিল্পোন্নয়ন ও কর্মসংস্থান তৈরিতে বরাদ্দ করা হবে।