This Article is From Feb 07, 2019

কলা পচে যাওয়া রুখে চাষীদের লাভবান করতে নতুন প্রকল্প আনছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার

রাজ্য সরকারের এই প্রকল্পে অংশীদারিত্ব রইবে ৯৩০.৩৮৬ লক্ষ টাকার, অংশগ্রহণকারী কৃষকদের ৯৩৩.৫৮৩ লক্ষ টাকা এবং কেভেন্টার অ্যাগ্রো গ্রুপের রইবে ৪৫৮.৯০ লক্ষ টাকা।

কলা পচে যাওয়া রুখে চাষীদের লাভবান করতে নতুন প্রকল্প আনছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার

কলা উত্পাদনের সমস্যা হিসেবে কলার পচে যাওয়া আটকাতে এবং কৃষকদের ভালো মূল্য পেতে সাহায্য করতে নতুন টিস্যু কালচার প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং উদ্যানবিদ্যা বিভাগের সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী বুধবার এক সাংবাদিল সম্মেলনে জানান যে, রাজ্যে এখন প্রায় ৩.৭ লক্ষ কলা চাষী রয়েছেন এবং এই নতুন প্রকল্প তাঁদের সাহায্য করবে। টিস্যু কালচারের মাধ্যমে মুর্শিদাবাদ ও নদিয়াতে প্রায় ৭০০ হেক্টর এলাকা জুড়ে কলা চাষ হবে। এই নতুন প্রকল্পে মোট খরচা হবে ২৩২২.৮৬৯ লক্ষ টাকা।

বাংলা সম্পর্কে ধারনা বদলেছে, বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য শিল্প সম্মেলনের মঞ্চ থেকে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্য সরকারের এই প্রকল্পে অংশীদারিত্ব রইবে ৯৩০.৩৮৬ লক্ষ টাকার, অংশগ্রহণকারী কৃষকদের ৯৩৩.৫৮৩ লক্ষ টাকা এবং কেভেন্টার অ্যাগ্রো গ্রুপের রইবে ৪৫৮.৯০ লক্ষ টাকা। নন্দিনী চক্রবর্তী জানান, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ এই দুই জেলাকেই প্রথম পর্যায়ে নির্বাচন করা হয়েছে। কারণ এই দুই জেলাতেই সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ব্যাপক পরিমাণে ভালো মানের কলা উৎপাদন হয়েছে। নন্দিনী বলেন, “সাধারণত চারদিনেই কলা পচে যায়, এই প্রকল্প কলার মান বজায় রাখতে সাহায্য করবে।”

বিশ্ববঙ্গ শিল্প সম্মেলনে সম্ভবত থাকছেন না কোনও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

এই প্রকল্পকে পিপিপি মডেলের একটি উদ্যোগ বলেই মনে করছে সরকার। রাজ্য সরকার সবরকম ভাবে চাষের উপর নজর রাখবে বলে জানান তিনি। প্রথম ১১ মাস সরকার আধুনিক এই পদ্ধতি সম্পর্কে কৃষকদের শিক্ষা দেবে। তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক মহুয়া মিত্র সাংবাদিকদের বলেন, “কলা চাষীদের লাভের জন্য সমর্থন প্রয়োজন ছিল। এবং আমরা চাইনা যে দালালরা তাঁদের বোকা বানিয়ে শোষণ করুক। দালালরা কৃষকদের বাজার মূল্য থেকে বঞ্চিত করে এবং পরিবহনের সময় কলায় অপচয় ঘটায়।” প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কেভেন্টার গ্রুপই পরিকাঠামো নির্মাণ করবে। কেভেন্টার অ্যাগ্রো চাষীদের থেকে পণ্য কিনবে, নিজস্ব সংস্থায় কলা পাকাবে এবং তাঁদের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বাজাজে বিক্রি করবে বলে জানিয়েছে এই গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মায়াঙ্ক জালান।



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদনা করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে।)
.