বাবরি মামলায় অভিযুক্ত আদবানি-যোশী! অগাস্টের মধ্যে রায় ঘোষণা, নিম্ন কোর্টকে সুপ্রিম নির্দেশ

এদিকে, ২০১৭ সালে শীর্ষ আদালত এই মামলার নিষ্পত্তি করতে দু'বছর সময় বেঁধে দিয়েছিল। ২০১৯-এর জুলাই মাসে শেষ হয়েছে সেই মেয়াদ। ফের ৯ মাস বাড়ানো হয়েছিল মেয়াদ।

সিবিআই আদালতকে অগাস্টের মধ্যে মামলার নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

নয়া দিল্লি:

৩১ অগাস্টের মধ্যে বাবরি মামলায় (Babri trial) অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতেই হবে। শুক্রবার লখনউর বিশেষ সিবিআইকে আদালতকে (CBI Court in Lucknow) এমন সময়সীমা বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট। এই মামলায় অভিযুক্তরা হলেন; প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এলকে আডবানি (LK Advani, MM Joshi), প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুরলী মনোহর যোশী আর উমা ভারতী। যদিও, গত বছর জুলাইতে শীর্ষ আদালত (Supreme Court), নয় মাসের মধ্যে এই মামলার রায় ঘোষণা করতে নির্দেশ দিয়েছিল। চলতি বছর এপ্রিলে শেষ হয়েছে সেই মেয়াদ। জানা গিয়েছে, সিবিআই কোর্টের বিচারক সুপ্রিম কোর্টে চিঠি লিখে মেয়াদবৃদ্ধির আর্জি জানিয়েছিলেন। দেশব্যাপী লকডাউনের জেরে ব্যাহত শুনানি প্রক্রিয়া। তাই রায় প্রদানে আরও কিছুটা সময়বৃদ্ধি করুক মহামান্য আদালত। এই মর্মে পাঠানো চিঠির প্রেক্ষিতে আরও চার মাস মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের। এমনটাই আদালত সূত্রে খবর। তবে, গোটা প্রক্রিয়া শেষ করতে যাতে অগাস্ট পেরিয়ে না যায়, তা নিশ্চিত করতে বলেছে সুপ্রিম কোর্ট। 

সিবিআই কোর্টকে পাঠানো নির্দেশে শীর্ষ আদালতের সুপারিশ, "প্রয়োজনে ভিডিও-কনফারেন্সিং করে শুনানি করুন। কিন্তু অগাস্ট ৩১-এর আগেই যাতে রায় ঘোষণা সম্পন্ন হয়।" ১৯ এপ্রিল, ২০১৭ সালে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলায় আরও দুজনকে চার্জশিটে অভিযুক্ত হিসেবে তুলে ধরেছিল। তাঁদের মধ্যে অন্যতম বিজেপি সাংসদ বিনয় কাটিয়ার আর সাধ্বী রীতম্বরা। যদিও, এই মামলার অপর তিন অভিযুক্ত গিরিরাজ কিশোর, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের অশোক সিংহল আর বিষ্ণু ডালমিয়া বিচারাধীন অবস্থায় প্রয়াত হয়েছেন। 

এদিকে, ২০১৭ সালে শীর্ষ আদালত এই মামলার নিষ্পত্তি করতে দু'বছর সময় বেঁধে দিয়েছিল। ২০১৯-এর জুলাই মাসে শেষ হয়েছে সেই মেয়াদ। ফের ৯ মাস বাড়ানো হয়েছিল মেয়াদ। যা শেষ হয়েছে চলতি বছর এপ্রিলে। এবার আর চার মাস বাড়ানো হল মামলা নিষ্পত্তির মেয়াদ। পাশাপাশি বাড়ল সিবিআই আদালতের বিচারক এসকে যাদবের অবসরের মেয়াদ। সেপ্টেম্বর ২০১৯-এ এই বিচারকের অবসরের কথা থাকলেও, মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদে বহাল থাকবেন তিনি। এদিন জানিয়েছে শীর্ষ আদালতের একটি সূত্র।