বিমান টিকিট বুকিংয়ে মাঝের আসন ছাড়া উচিত! সুপারিশ পাঠাল ডিজিসিএ

২৫ মে থেকে শুরু হয়েছে ঘরোয়া বিমান পরিষেবা। সংক্রমণ ও লকডাউনের কারণে প্রায় দু'মাস বন্ধ ছিলে এই পরিষেবা

বিমান টিকিট বুকিংয়ে মাঝের আসন ছাড়া উচিত! সুপারিশ পাঠাল ডিজিসিএ

২৫ মে থেকে শুরু হয়েছে ঘরোয়া বিমান পরিষেবা।

হাইলাইটস

  • বিমানের টিকিট বুকিংয়ে মাঝের আসন ছাড়তে সুপারিশ পাঠাল ডিজিসিএ
  • বিমান যাত্রায় সামাজিক দূরত্ব বজায়ে এই উদ্যোগ, উল্লেখ ওই সুপারিশে
  • যদিও এভাবে টিকিট বুকিং অসম্ভব, বাড়তে পারে ভাড়া, জানিয়েছে কেন্দ্র

বিমান যাত্রায় সামাজিক দূরত্ব (Social distancing in plane) বজায়ে বড়সড় উদ্যোগ নিল ডিজিসিএ (DGCA)। সোমবার গাইডলাইন জারি করেছে অসমারিক বিমান পরিবহণের এই নিয়ন্ত্রক সংস্থা। সেই গাইডলাইনে বলা হয়েছে; বিমানসংস্থাগুলোকে যতটা সম্ভব মাঝের আসন ফাঁকা (Middle seat vacate) রাখতে হবে। অর্থাৎ টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রে এই আসন বাছাই মাথায় রাখতে হবে বিমান সংস্থাগুলো। পিটিআই সূত্রে এমনটাই খবর। যদিও, সরকারি সূত্রে খবর মাঝের আসন ফাঁকা রেখে যাত্রী বিমান পরিবহণ অসম্ভব। সেক্ষেত্রে অত্যাধিক হারে বাড়তে পারে ভাড়া। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণে ডিজিসিএ'র গাইডলাইনের প্রসঙ্গ টানা হয়েছে। এমনটাও জানিয়েছে; অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক। তবে, সেই গাইডলাইনে একটা পরিসর ছাড়া আছে। সেখানে উল্লেখ; মাঝের আসন ছাড়া টিকিট বুকিং অসম্ভব হলে, সেই আসনের যাত্রীকে বিশেষ যত্ন নিতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থার সেক্ষেত্রে দায় বর্তাবে।

"করোনা ভাইরাসকে রুখে দিতে পারে আমাদের করোনা যোদ্ধারা", বললেন প্রধানমন্ত্রী

আরও বলা; "পিপিই কিটের বাইরে অতিরিক্ত সুরক্ষা পরিধান সেই যাত্রীকে দিতে হবে। কেন্দ্রীয় বস্ত্র মন্ত্রকের অনুমোদন মেনে  এই পরিধান বাছাই করতে হবে। পুরো শরীর জড়ানো থাকবে এমন গাউন হলে সবচেয়ে ভালো।"

এদিকে ২৫ মে থেকে শুরু হয়েছে ঘরোয়া বিমান পরিষেবা। সংক্রমণ ও লকডাউনের কারণে প্রায় দু'মাস বন্ধ ছিলে এই পরিষেবা। তবে; ট্রেন বা আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা কবে চালু হবে? এই প্রশ্নের জবাব এই সরকারি কোনও তরফে।

করোনা ভাইরাসকে রুখতে লাগাতার লকডাউন চালিয়ে যাওয়া থেকে এবার ধীরে ধীরে অন্য সমীকরণে হাঁটতে চায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আর তাই সোমবার থেকেই দেশে আরও ২০০ টি ট্রেন যাত্রা শুরু করল। আর এই ট্রেনগুলোর চলা শুরু হতেই স্টেশনে স্টেশনে উপচে পড়ল যাত্রীর ভিড়। পরিসংখ্যান অনুসারে, ওই ২০০ টি ট্রেনের সফর শুরুর প্রথম দিনেই যাত্রী সংখ্যা হল ১ লক্ষ ৪৫ হাজারেরও বেশি। ৩০ জুন পর্যন্ত দেশে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হলেও তারই মধ্যে ধীরে ধীরে শুরু হচ্ছে স্বাভাবিক জনজীবনের পথচলা। ওদিকে গত মাস থেকেই কিছু বিশেষ যাত্রীবাহী ট্রেন চালাচ্ছে ভারতীয় রেল, এবার সেই বিশেষ ট্রেনের সংখ্যা আরও ১৫ টি বাড়ল। এর আগে রবিবারই এক টুইট বার্তায় ভারতীয় রেল জানিয়েছে, প্রায় ২৬ লক্ষ যাত্রী চলতি মাসে রেল সফরের জন্যে টিকিট বুক করেছেন।