This Article is From Apr 24, 2020

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনা আক্রান্ত ১,৭৫২, একদিনে সর্বাধিক

দেশে করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৩,৪৫২ জন। মৃত ৭২৩। শুক্রবার স্বাস্থ্য মন্ত্রক একথা জানিয়েছে।

দেশে করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৩,৪৫২।

নয়াদিল্লি:

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোভিড-১৯ (COVID-19) আক্রান্ত হয়েছেন ১,৭৫২ জন। একদিনে আক্রান্তের নিরিখে এই সংখ্যা সর্বাধিক। মারা গিয়েছেন ৩৭ জন। দেশে করোনা (Coronavirus) আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৩,৪৫২ জন। মৃত ৭২৩। শুক্রবার স্বাস্থ্য মন্ত্রক একথা জানিয়েছে। এর আগে এদিন সরকার জানিয়ে দিয়েছিল ৪,৭৪৮ জন করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়ে উঠতে পেরেছেন। অর্থাৎ সুস্থ হয়েছেন সক্রিয়দের মধ্যে ২০.৫৭ শতাংশ। করোনা সংক্রমণ দ্বিগুণ হওয়ার সময় এখন ৭.৫ দিন থেকে ১০ দিনে পৌঁছেছে। একথা জানিয়ে সরকারের তরফে বলা হয়, লকডাউন ঘোষণার সিদ্ধান্তেই এই সাফল্য পাওয়া গেছে। পাশাপাশি আরও বলা হয়েছে দেশের ৮০টি জেলায় গত ১৪ দিনে নতুন করে কেউ করোনা আক্রান্ত হননি। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, সংক্রমণের শৃঙ্খল ভেঙে গিয়েছে।

রাজ্যের অডিট প্যানেল জানাল মৃত ৫৭ করোনা আক্রান্তের ৩৯ জনই কো-মর্বিডিটির শিকার

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়াল বলেন, ‘‘এখনও পর্যন্ত ৮০টি জেলায় গত ১৪ দিনে কোনও করোনা সংক্রমণের ঘটনা সামনে আসেনি। মানুষ ও প্রশাসনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সংক্রমণের শৃঙ্খল ভেঙে গিয়েছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি গ্রিন জোন জেলাগুলিতে নতুন সংক্রমণ ধরা পড়ছে না। পাশাপাশি এই বিভাগে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন জেলা।''

করোনাকে রুখতে পরীক্ষামূলক ড্রাগ 'রেমডেসিভির' মানবদেহে কাজ করতে ব্যর্থ

নীতি আয়োগের সদস্য ড. ভিকে পাল সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন, ‘‘আমাদের পর্যবেক্ষণ থেকে মনে করা হচ্ছে লকডাউন কোভিড-১৯ সংক্রমণের দ্বিগুণ হওয়ার হারকে কমাতে পেরেছে এবং জীবন বাঁচিয়েছে। লকডাউন না হলে ২৩,০০০-এর পরিবর্তে ৭৩,০০০ দাঁড়াত আক্রান্তের সংখ্যা।''

সোমবার মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছিল লকডাউনের আগে যেখানে করোনার দ্বিগুণ হওয়ার সময় ছিল ৩.৪ দিন। তা বেড়ে ৭.৫ দিনে দাঁড়িয়েছে।

প্রসঙ্গত, প্রথমে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউনের কথা জানানো হলেও পরে সরকারের তরফে এর মেয়াদ বাড়িয়ে ৩ মে পর্যন্ত করা হয়। 

.