This Article is From Apr 24, 2020

"রাজ্যের মানুষের জানা দরকার আসল ঘটনা কী": মু্খ্যমন্ত্রীকে পাল্টা জবাব দিলেন রাজ্যপাল

"কেউ সাংবিধানিক পদে থাকলে সে নিজেকে আইন বলে ভাবতে পারে না, রাজ্য চালানো আর জমিদারি চালানো এক নয়, রাজ্য চালাতে হয় সাংবিধান মেনে", লেখেন রাজ্যপাল

West Bengal: বৃহস্পতিবার রাজ্যপালকে ৫ পৃষ্ঠার এক দীর্ঘ চিঠি লেখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

হাইলাইটস

  • ফের যুযুধান মুখ্যমন্ত্রী-রাজ্যপাল, একে অপরকে চিঠি-পাল্টা চিঠি
  • মুখ্যমন্ত্রী জগদীপ ধনখড়কে মনে করিয়ে দেন যে রাজ্যপাল "মনোনীত"
  • নিজেকে সংবিধানের ঊর্ধ্বে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী, জবাব রাজ্যপালের
কলকাতা:

করোনা পরিস্থিতির (Coronavirus) মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) এখন রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রী বিবাদ তুঙ্গে। রাজ্যপালের এক্তিয়ার মনে করিয়ে দিয়ে বৃহস্পতিবারই ৫ পৃষ্ঠার একটি দীর্ঘ চিঠি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে (Jagdeep Dhankhar) পাঠান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেই চিঠিরই পাল্টা জবাব দেন রাজ্যপালও। "সাংবিধানিকভাবে আপনি সম্পূর্ণ ব্যর্থ। আপনাকে জানাতে চাই, সংবিধানকে আপনারা অবজ্ঞা করছেন", রীতিমতো চাঁচাছোলা ভাষায় মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে এই জবাব দিতে দেখা গেল জগদীপ ধনখড়কে। ৬৮ বছরের ধনখড় করোনা ভাইরাসের পরিস্থিতির সঙ্গে যুঝতে যে কতটা ব্যর্থ রাজ্য সরকার, সেই কথাও তুলে ধরেন তাঁর চিঠিতে। "ক্রোধ থেকেই আপনার এমন কথা বলা। সংবিধানের মধ্যে থেকেই যা করার করব আমি। চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়েও কাজ করব, যেমন শপথ নিয়েছি, তেমনভাবেই কাজ করব", আরও একবার মমতা সরকারকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন রাজ্যপাল।

"উনি বিরাট উচ্চতার মানুষ": রাজ্যপালের টুইটের পর কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী

সঙ্গে রাজ্যপাল লেখেন, "কেউ সাংবিধানিক পদে থাকলে সে নিজেকে আইন বলে ভাবতে পারে না। সংবিধান তাঁকে সেই অধিকার দেয়নি। রাজ্য চালানো আর জমিদারি চালানো এক নয়। রাজ্য চালাতে হয় সাংবিধান মেনে"।

‘অপমানিত' মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যপালকে মনে করালেন তিনি ‘মনোনীত'

বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের আচরণে তিনি অপমানিত বলে জানিয়ে ৫ পাতার একটি চিঠি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাতে তিনি লেখেন, "আপনার মনে রাখা উচিত আমি একটি গর্বিত রাজ্যের নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী। আর আপনি একজন মনোনীত রাজ্যপাল"। এরপরেই পাল্টা ৫ পাতার চিঠি দিয়ে তার জবাব দেন জগদীপ ধনখড়।

একটি টুইটে রাজ্যপাল একথাও লেখেন যে শুক্রবার এই সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জবাব দেবেন তিনি।

রেশন থেকে ত্রাণ, এমনকী করোনার জন্যে গঠিত বিশেষ অডিট কমিটি নিয়েও বারবার রাজ্য সরকারের দিকে আক্রমণ শানিয়েছেন রাজ্যপাল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সহযোগিতা করার জন্যে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশেও বার্তা দিয়েছেন তিনি। কেন্দ্রীয় দলের সঙ্গে রাজ্যের তরফে অসহযোগিতা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন জগদীপ ধনখড়।

এরপরেই ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, রাজ্যপাল তাঁকে আপত্তিকর মেসেজ পাঠিয়েছেন এবং সাংবিধানিক ধর্ম ও শালীনতার স্বাভাবিক মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছেন।