তিন তালাককে ভোট ব্যাপারীরা রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতো: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

দেশের মুসলিমদের মহিলাদের বার্তা দিতে এদিন মন্ত্রকের তরফে একটা ভিডিও বার্তা দেওয়া হয়

তিন তালাককে ভোট ব্যাপারীরা রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতো: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

তিন তালাককে ফৌজদারি অপরাধের আওতাভুক্ত করা হয়েছে। (ফাইল ছবি)

নয়াদিল্লি:

তিন তালাক (Tin Talaq), ভোটব্যাঙ্কের ব্যাপারীদের রাজনৈতিক প্রলয় দিয়ে এসেছে। মোদি সরকার (Modi Government on Tin Talaq) এসে এই প্রথাকে অপরাধ বানিয়েছে। মুসলিম মহিলাদের আত্মনির্ভর ও আত্মবিশ্বাসী করতে সাহায্য করেছে। শুক্রবার একথা বললেন সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রী মুক্তার আব্বাস নাকভি (Union Minister on Muslim Women)। দেশের মুসলিম মহিলাদের বার্তা দিতে এদিন মন্ত্রকের তরফে একটা ভিডিও বার্তা দেওয়া হয়। সেই বার্তায় এই প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁর দাবি, "মোদি সরকার রাজনৈতিক স্বনির্ভরতায় বিশ্বাসী। রাজনৈতিক নির্যাতনে অবিশ্বাসী।" এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ এবং নারী ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। মন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ বলেন, "১ অগাস্ট মুসলিম মহিলাদের স্বাধীন হওয়ার দিন। দেশের ইতিহাসে মুসলিম নারীদের অধিকার দিবস।"

কংগ্রেসকে কটাক্ষ করতে গিয়ে সংখ্যালঘু মন্ত্রী আরও বলেছেন, "তালাক-এ-বিদ্দত বা তিন তালাকের মুসলিমদের সঙ্গে কোনও যোগ নেই। ভোটব্যাঙ্কের ব্যাপারীরা নিজেদের স্বার্থে এটাকে ব্যবহার করে এসেছে। ১৯৮০ সালেই তিন তালাক নিয়ে আইন তৈরি করা যেত। সে বছরেই সুপ্রিম কোর্ট শাহ বানো মামলায় ঐতিহাসিক রায় দিয়েছিল।" সংসদের দুই কক্ষেই কংগ্রেসের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল। তাও আইন প্রণয়নে তারা উদ্যোগ নেয়নি।"



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদনা করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে।)