হিমাচলে হেলিকপ্টার বিভ্রাট! নিজে নেমে এসে কী করলেন কংগ্রেস প্রধান রাহুল গান্ধী?

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, মাটিতে শুয়ে মনোযোগ দিয়ে হেলিকপ্টারের খুঁটিনাটি সমস্যা দেখছেন তিনি

 Share
EMAIL
PRINT
COMMENTS
হিমাচলে হেলিকপ্টার বিভ্রাট! নিজে নেমে এসে কী করলেন কংগ্রেস প্রধান রাহুল গান্ধী?

দলবদ্ধ কাজ সম্পর্কে একটি বার্তা সহ, রাহুল গান্ধী ইনস্টাগ্রামে ওই মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেছেন


উনা, হিমাচল প্রদেশ: 

কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী আজকাল ভীষণই ব্যস্ত। তাঁর সময়সূচিতে এখন কেবলই নির্বাচনী প্রচার, রোড শো এবং বক্তৃতা। গতকালও একটি সমাবেশের জন্য হিমাচল প্রদেশে গিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী (Congress President Rahul Gandhi), কিন্তু গিয়েই অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন তিনি। যে হেলিকপ্টারের চড়ে যাচ্ছিলেন তিনি, সেই হেলিকপ্টারে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়। মজার বিষয়, সেই হেলিকপ্টার নিজেই সারাতে শুরু করে দেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। মাটিতে শুয়ে হেলিকপ্টারের সমস্যা খুঁজে বের করে তা সকলের সঙ্গে মিলে সারাতে মন দেন তিনি। 

চাকরি জীবন নিয়ে অখুশি, স্বেচ্ছামৃত্যুর আর্জি জানিয়ে চিঠি মহারাষ্ট্রের যুবকের

দলবদ্ধ কাজ সম্পর্কে একটি বার্তা সহ, রাহুল গান্ধী ইনস্টাগ্রামে ওই মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেছেন। ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, মাটিতে শুয়ে মনোযোগ দিয়ে হেলিকপ্টারের খুঁটিনাটি সমস্যা দেখছেন তিনি, লিখেছেন, “ভালো দলবদ্ধ কাজ মানেই একসাথে হাতে হাত! আজকে হিমাচল প্রদেশের উনাতে আমাদের হেলিকপ্টারে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। আমরা একসঙ্গে কাজ করছি আমরা দ্রুত সমস্যার সমাধান করেছি। ভাগ্যিস, তেমন গুরুতর কিছু নয়।”

রাহুল গান্ধীর এই পোস্টে ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষ লাখে লাখে মন্তব্য করেছেন। রাহুলের নম্রতা ও সারল্যের জন্য মানুষ তার প্রশংসা করছেন। ইনস্টাগ্রামে একজন লিখেছেন, “স্যার, আমরা আপনাকে বিশ্বাস করি এবং আপনাকে সমর্থন করি।" অন্যজন লিখেছেন, “কুদোস, নিরাপদ থাকুন।” কংগ্রেসের তরফে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে যাতে দেখা যাচ্ছে পাইলটদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে তাদের সাহায্য করছেন রাহুল গান্ধী। বলা বাহুল্য, রাহুল গান্ধীর বাবা, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী একজন প্রশিক্ষিত পাইলট ছিলেন। তিনি এয়ার ইন্ডিয়াতে কাজও করেছিলেন। 

উত্তেজনার আবহে শুরু হল ভোট, ঝাড়গ্রামে বিজেপি কর্মীর মৃত্যু

কংগ্রেস প্রধান রাহুল ২০০৪ সালে তাঁর নির্বাচনী এলাকা আমেথিতে জয়লাভ করেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তিনি তাঁর বিজেপি প্রতিদ্বন্দ্বী স্মৃতি ইরানীকে প্রায় এক লাখ ভোটে হারান। তিনি ২০১৯ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য দ্বিতীয় আসন হিসেবে বেছে নিয়েছেন, কেরলের পাহাড়ি শহর ওয়ানাড়। তার এই সিদ্ধান্তেই সারা দেশের কাছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লোকসভা আসন হয়ে উঠেছে ওয়ানাড়।

হিমাচল প্রদেশে, জাতীয় নির্বাচনে সপ্তম দফার শেষ দিন অর্থাৎ ১৯ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনের ষষ্ঠ পর্যায়ের ভোট গ্রহণ হচ্ছে আজ। ফলাফল ২৩ মে ঘোষণা করা হবে।

NDTV Beeps - your daily newsletter

................................ Advertisement ................................

................................ Advertisement ................................

................................ Advertisement ................................