This Article is From Aug 15, 2020

সত্যি হবে চাঁদের বাড়ির স্বপ্ন! মানবমূত্রের সঙ্গে চন্দ্রপৃষ্ঠের মাটি মিশিয়ে তৈরি হবে ইট

Buildings on Moon: বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব সায়েন্সের গবেষকরা দাবি করছেন, চাঁদে নির্মাণকার্য চালানোর জন্য সামগ্রিক উৎপাদন ব্যয় একধাক্কায় অনেকটাই কমে যাবে

সত্যি হবে চাঁদের বাড়ির স্বপ্ন! মানবমূত্রের সঙ্গে চন্দ্রপৃষ্ঠের মাটি মিশিয়ে তৈরি হবে ইট

Bricks with Urine: চাঁদের মাটির সঙ্গে মানবমূত্র থেকে পাওয়া ইউরিয়া মিলিয়ে তৈরি হবে বিশেষ সিমেন্ট, বলছেন বিজ্ঞানীরা

হাইলাইটস

  • চাঁদে নির্মাণকার্য চালানোর জন্য প্রচেষ্টা গবেষকদের
  • কৃত্রিমভাবে চাঁদের মাটিতেই ইট তৈরির পরিকল্পনা করছেন তাঁরা
  • বিজ্ঞানীদের মতে, চাঁদের মাটির সঙ্গে ইউরিয়া মিশিয়ে তৈরি হবে ইট
বেঙ্গালুরু:

অ্যাদ্দিন পরে কি তবে সত্যি হতে চলেছে চাঁদের বাড়ির (Buildings on Moon) স্বপ্ন? বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এবং ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনের একদল গবেষক দিচ্ছেন এই স্বপ্ন সত্যি হওয়ার হাতছানি। তাঁদের দাবি, চাঁদের (Moon) মাটিতে ইট তৈরি করার প্রক্রিয়া তাঁরা মাথা খাটিয়ে বের করে ফেলেছেন। আইআইএসসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, চাঁদের মাটির সঙ্গে মানুষের মূত্রে থাকা ইউরিয়া মেশানো হলে সেটি বিক্রিয়ার মাধ্য়মে ইট জাতীয় উপাদানে (Bricks with Urine) পরিবর্তিত হতে পারে। আর চিরাচরিত সিমেন্টের পরিবর্তে গুয়ার গাম অর্থাৎ এক জাতীয় আঠা দিয়ে গাঁথা হবে সেই ইট। এর ফলে এবার চাঁদের জমিতে বাড়ি বানানো সম্ভব হবে। "এটা সত্যিই দারুণ উত্তেজনার কারণ এখানে দুটি পৃথক ক্ষেত্র অর্থাৎ জীববিজ্ঞান এবং যান্ত্রিক কৌশলকে একসঙ্গে মিলিয়ে করা হবে", সম্প্রতি 'সিরামিকস ইন্টারন্যাশনাল' এ প্রকাশিত দুটি গবেষণার অন্যতম লেখক তথা ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সের মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক অলোককুমার এই কথা বলেন।

আসলে বহুদিন ধরেই মানুষ চাঁদের মাটিতে ঘরবাড়ি বানানোর পরিকল্পনা করছে। কিন্তু যেকোনও নির্মাণ করতে গেলে আবশ্যকীয় উপাদানগুলো মহাকাশে নিয়ে যেতে প্রচুর ব্যয়। হিসেব বলছে, এক পাউন্ড উপাদান পৃথিবীর বাইরে মহাকাশে পাঠানোর জন্য ব্যয় হবে কমপক্ষে সাড়ে সাত লক্ষ টাকা। ফলে বাড়ি তৈরি যেন ক্রমশই ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছিল। কিন্তু নাছোড়বান্দা মানুষ এবার চাঁদে বসেই ইট তৈরির পরিকল্পনা করে ফেললো।

আইআইএসসি এবং ইসরোর মিলিত প্রচেষ্টায় চাঁদের মাটির সঙ্গে মানবমূত্রে থাকা ইউরিয়া মিলিয়ে তৈরি করা হবে নির্মাণকার্যের জন্য কাঁচামাল। এর ফলে সামগ্রিক উৎপাদন ব্যয় একধাক্কায় অনেকটাই কমে যাবে। গুয়ার গাম জাতীয় আঠা কাজ করবে সিমেন্টের। ফলে এক ঝটকায় মুশকিল আসান।

ফলে এখন চাঁদের বাড়ি বানানো শুধুই কিছু সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছেন গবেষকরা।