This Article is From Oct 20, 2019

India-US Trade Negotiations: আলোচনা চলছে জোর কদমে, জানালেন অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানালেন, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা (India-US Trade Negotiations) এগিয়ে চলেছে পূর্ণগতিতে।

India-US Trade Negotiations: আলোচনা চলছে জোর কদমে, জানালেন অর্থমন্ত্রী

শিগগিরি এই চুক্তি তৈরি হয়ে যাবে বলে মনে করছেন অর্থমন্ত্রী।

ওয়াশিংটন:

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) রবিবার জানালেন, ভারত ও আমেরিকার (India-US) মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা (India-US Trade Negotiations) পূর্ণগতিতে এগিয়ে চলেছে। আশা করা হচ্ছে, খুব দ্রুত এটি সম্পন্ন হবে। অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন কোষাগার সচিব স্টিভেন নুচিনের মধ্যে আইএমএফ সদর দফতরে এই বাণিজ্য চুক্তি বিষয়ক আলোচনা চলছে। আগামী মাসে মার্কিন প্রতিনিধিদের ভারতে আসার কথা। অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘‘আমি বিশদে এব্যাপারে কথা বলেছি সচিব নুচিনের সঙ্গে। কিন্তু বাণিজ্যমন্ত্রী ও মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি রবার্ট লাইথাইজারও কিছু বিষয়ে কাজ করছেন। আলোচনা পূর্ণ গতিতে চলছে। দু'পক্ষই প্রবল ভাবে এই নিয়ে ব্যস্ত। আশা করা যায় শিগগিরি এই চুক্তি তৈরি হয়ে যাবে।''

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমেরিকার সঙ্গে সম্পূর্ণ চুক্তির কথা সব সময়ই ভাবা হয়েছে। তিনি জানান, ‘‘কেন এটা এখনও হয়নি, তার অন্যতম কারণ হল, ভারতে ভারতীয়দের জন্য কোনও সামাজিক কল্যাণ নেট বা সামাজিক বিমা কভার নেই। এবং তার ফলে যদি তাদের এটা দেওয়া হয়, তারা বুঝতে পারবে না এটা কীভাবে তারা ব্যবহার করবে।''

কর্পোরেট কর কমানোয় ভারতে বিনিয়োগ বাড়বে, বলছে IMF

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘আমি মনে করি বেশির ভাগ ব্যক্তিগত বিমা বা নির্দিষ্ট রোজগারের অঙ্কের থেকে কম অঙ্কের রোজগার করা পরিবারগুলির জন্য আয়ুস্মান ভারত একটা চমৎকার বিমা কভারেজ। এখন, এই নির্দিষ্ট বিষয়ে কোনও আলোচনা হচ্ছে কিনা সে ব্যাপারে আমি অবগত নই।''

তিনি বলেন, অতীতে যখন তিনি বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন, তখনও এই নিয়ে আলোচনা হয়েছে এই নিয়ে। কিন্তু সেটা বারবার বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে স্বাস্থ্যবিমা ইস্যুতে এসে।

“আমার পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন পীযূষ গোয়েল”, NDTV কে বললেন অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়

আমেরিকায় কর্মরত ভারতীয়রা দুর্ভাগ্যজনকভাবে সামাজিক নিরাপত্তাজনিত কোনও ‘ক্লেম' পান না। অর্থমন্ত্রী জানাচ্ছেন, কেননা এর জন্য ন্যূনতম সময়সীমা হল ১০ বছর। তিনি বলেন, ‘‘এটা এমন করে তৈরি করা হয়েছে যা থেকে আপনি সত্যিই লাভ পাবেন না। এবং কেউই এই দেশে অত দিন থাকে না।''

আমেরিকায় দু'পক্ষের আলোচনার পরে আবারও নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নুচিন নয়াদিল্লি এলে আলোচনাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

.