This Article is From Apr 15, 2020

করোনা নিয়ে কেন্দ্রের লাল তালিকায় ৬টি মেট্রো শহর, এবং অন্যান্য শহর

৬টি মেট্রো শহরের মধ্যে রয়েছে দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু এবং হায়দরাবাদে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেশি

করোনা নিয়ে কেন্দ্রের লাল তালিকায় ৬টি মেট্রো শহর, এবং অন্যান্য শহর

বুধবার সন্ধ্যায় দেশের ১৭০টি হটস্পট জেলা (Hotspotistricts) তালিকা প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় সরকার

নয়াদিল্লি:

করোনা  (Coronavirus) নিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় দেশের ১৭০টি হটস্পট জেলা (Hotspotistricts) তালিকা প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় সরকার, সেই তালিকায় রয়েছে দেশে ৬টি মেট্রো শহর এবং বেশিরভাগই বড় শহর। “বেশি সংক্রমিত” এলাকার হিসেবে রয়েছে ১২৩টি জেলা, তারমধ্যে দিল্লির ৯টি জেলা রয়েছে। তালিকায় রয়েছে কলকাতা, মুম্বই, বেঙ্গালুরু গ্রামীণ, হায়দরাবাদ, চেন্নাই, জয়পুর, এবং আগ্রার বিভিন্ন অংশ। দেশ বা রাজ্যের ৮০ শতংশ সংক্রমিত জেলা বা শহরকে “হটস্পট এলাকা” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যে সমস্ত জায়গায় বেশি সংখ্যক সংক্রমণ রয়েছে, অর্থাৎ ৪ দিনের কম সময়ে দ্বিগুণ হয়েছে সংক্রমণের হার, সেগুলি এই তালিকায়।

৬টি মেট্রো  শহরের মধ্যে রয়েছে দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু এবং হায়দরাবাদ, এগুলিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেশি।

দেশের ১৭০টি জেলা হটস্পট, বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত আরও ২০৭

বুধবার পর্যন্ত মুম্বইয়ে করোনা সংক্রমণের সংখ্যা ১৮৯৬, সেখানে মহারাষ্ট্রে করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ২৯১৬। দিল্লিতে সংক্রমিতের সংখ্যা ১৫৬১। ৩০ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন, এবং ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৫৬ট এলাকাকে নিয়ন্ত্রিত বলে ঘোষণা করেছে দিল্লি সরকার, অর্থাৎ এই জায়াগগুলিতে জরুরি পরিষেবা ছাড়া কেউ বাইরে যেতে বা সেখানে ঢুকতে পারবেন না।

অন্যান্য ১৭টি হটস্পটগুলির মধ্যে ৪৭টিতে ছড়িয়ে পডেছে বলে জানিয়েছে সকার। এই ধরণের ক্লাস্টারের অর্থ একটি এলাকায় ১৫ এর বেশি ছড়িয়ে পড়া, এবং সংক্রমণ থামার কোনও লক্ষণ নেই।

এছাড়াও তালিকায় রয়েছে যেখানে অল্প সংখ্যায় সংক্রমণ হয়েছে। ২০৭টি জেলা সম্ভাব্য হটস্পট হিসেবে রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার, রাজ্যগুলিকে লাল এবং কমলা দুই এলাকাতেই সংক্রমিত ধরতে বলা হয়েছে।

লকডাউন প্রসারিত করার সিদ্ধান্ত কীভাবে নিলেন প্রধানমন্ত্রী, জানাল সরকারি সূত্র

সমস্ত হটস্পটের ক্ষেত্রেই, রাজ্য সরকারগুলিকে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে সংক্রমণ ধরতে। যদি ২৮ দিনের মধ্যে নতুন করে কোনও সংক্রমণ না হয়, এবং রোগীরা সুস্থ হয়ে ওঠেন, তবে সেটিকে সবুজ এলাকা চিহ্নিত করা হবে।