This Article is From Feb 29, 2020

রাজ্যের সিএএ-বিরোধী বিজ্ঞাপনে খরচ কোন খাতে, জানতে চান রাজ্যপাল

রাজ্যপালের দফতরের তরফে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরকে। সেই চিঠিতে সিএএ-বিরোধী প্রচারে খরচ হওয়া টাকার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে।

রাজ্যের সিএএ-বিরোধী বিজ্ঞাপনে খরচ কোন খাতে, জানতে চান রাজ্যপাল

রাজ্যপাল জানতে চান ‘কোটি কোটি টাকা’ খরচ করে এই ধরনের বিজ্ঞাপনে কীভাবে খরচ হল।

হাইলাইটস

  • সিএএ বিরোধী প্রচার সম্পর্কে রাজ্য সরকারের কাছ থেকে তথ্য চাইলেন রাজ্যপাল
  • রাজ্যপালের দফতরের তরফে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে রাজ্যকে
  • রাজ্যপাল অভিযোগ এনেছেন, এভাবে বিশ্বাসভঙ্গ করা হচ্ছে

জনগণের টাকার ‘অপব্যবহার' করে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরোধী (Anti CAA) প্রচার সম্পর্কে রাজ্য সরকারের কাছ থেকে তথ্য চাইলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। পাশাপাশি কোন কর্তৃপক্ষ এই প্রচারে সম্মতি দিলেন তাও জানতে চেয়েছেন রাজ্যপাল। সূত্রানুসারে একথা জানা গিয়েছে শনিবার। রাজ্যপালের দফতরের তরফে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরকে। সেই চিঠিতে সিএএ-বিরোধী প্রচারে খরচ হওয়া টাকার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়েছে। সূত্র বলছে, রাজ্যপাল জানতে চান ‘কোটি কোটি টাকা' খরচ করে সংবাদপত্র ও ভিস্যুয়াল মাধ্যমে ‘নো সিএএ, নো এনআরসি, নো এনপিআর' বিজ্ঞাপন কীভাবে খরচ হল।

রাজ্যপাল এর আগেও বারবার দাবি করেছেন, এভাবে একটি বৈধ আইনের বিরোধিতা করে রাজ্য সরকারের খরচে বিজ্ঞাপন দেওয়া যায় না। পরে রাজ্য সরকারকে এই ধরনের বিজ্ঞাপন বন্ধ করতে নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।

৪ দিন ধরে কেন চলল হিংসা, দিল্লি পুলিশের কল রেকর্ড ঘেঁটে মিলছে সূত্র

অভিযোগ, ৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের বাজেট অধিবেশনে বিধানসভায় রাজ্যপালের বক্তৃতা ‘লাইভ' দেখানো হয়নি। রাজ্য সরকারের ভয় ছিল, হয়তো তিনি তাঁর ভাষণে জন তহবিলের অপব্যবহারের অভিযোগ তুলতে পারেন। তবে শেষ পর্যন্ত সাংবিধানিক ধারা মেনে রাজ্যপাল মন্ত্রিসভা অনুমোদিত বক্তৃতাটিই দেন।

সূত্রানুসারে, কোনও রাজ্যের রাজ্যপাল রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এই ধরনের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন, এমন নজির এর আগেও রয়েছে। ২০১১ সালে কর্নাটকের রাজ্যপাল এইচআর ভরদ্বাজ মুখ্যমন্ত্রী বিএস ওয়াইদুরাপ্পার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্তের সম্মতি দেন। ১৯৮৮ সালে লোহার খনির বেআইনি খননে যুক্ত থাকার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে।

ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর কাজ শুরু হতেই ফের ফাটল বউবাজারে, ছড়াল আতঙ্ক

পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি নিয়ে বিহারের রাজ্যপাল রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের বিরুদ্ধে অভিযোগে তদন্তের অনুমোদন এনেছিলেন।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, রাজ্যপাল অভিযোগ এনেছেন, এভাবে বিশ্বাসভঙ্গ করা হচ্ছে। শাসক দলের অ্যাজেন্ডা অনুযায়ী তহবিলের অর্থ খরচ করে তা প্রচার করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, এরই মধ্যে আদালত এই ধরনের বিজ্ঞাপন বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে।

গত বছর রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে বারবার সংঘাতে জড়িয়েছে রাজ্য সরকার। 



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদনা করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে।)