শীর্ষ জামাত নেতা আজহারু‌ল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বহাল

১৪০০ জনেরও বেশি মানুষকে হত্যা, বহু মহিলাকে ধর্ষণ ও অত্যাচারের অভিযোগ রয়েছে আজহারুলের বিরুদ্ধে।

শীর্ষ জামাত নেতা আজহারু‌ল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বহাল

২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আজহারু‌ল ইসলামের মৃত্যুদণ্ডের রায় শোনায় আদালত।

বাংলাদেশের (Bangladesh) সুপ্রিম কোর্ট জামাত-ই-ইসলামি নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের (Azharul Islam) মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখল বৃহস্পতিবার। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনার সঙ্গে মিলে অপরাধ করার দায়ে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড রদের আর্জি খারিজ করে দিয়েছে। প্রধান বিচারপতি সঈদ মাহমুদ হোসেন জানিয়ে দেন, ওই আর্জি খারিজ করা হল। ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন আজহারুল। এর আগে ১৮ জুন শুরু হয় শুনানি। দু'পক্ষের বক্তব্য শোনার পরে ১০ জুলাই এই রায়দান বিলম্বিত করে রাখে বেঞ্চ।

এই মামলাটি ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের অষ্টম মামলা। বাংলাদেশের আওয়ামি লিগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই প্রক্রিয়া শুরু করেন।

কুলভূষণ যাদবের ক্ষেত্রে ভিয়েনা চুক্তি মানেনি পাকিস্তান: রাষ্ট্রসঙ্ঘকে বিশ্ব আদালত

ছ'জন দণ্ডপ্রাপ্তের মধ্যে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে এরই মধ্যে। ষষ্ঠজন হলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিএনপি দলের এক নেতা। তিনি দশ বছরের কারাবাসের সাজা খাটছেন।

জামাতের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক এটিএম আজহারুল ইসলাম কুখ্যাত আল বদর মিলিশিয়া বাহিনীর শীর্ষস্থানীয় নেতা ছিলেন। ১৯৭১ সালে অথি দক্ষিণপন্থী শাখার যুব ও ছাত্র সংগঠনের হয়ে কাজ করতেন পাক সেনার সঙ্গে হাত মিলিয়ে।

National Unity Day: পুলওয়ামায় নিহত সেনার স্ত্রীর হাত থেকে বিশেষ সম্মান গ্রহণ করলেন মোদি

১৪০০ জনেরও বেশি মানুষকে হত্যা, বহু মহিলাকে ধর্ষণ ও অত্যাচারের অভিযোগ রয়েছে আজহারুলের বিরুদ্ধে।

২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর তাঁর মৃত্যুদণ্ডের রায় শোনায় আদালত।

আইনি বিধান অনুসারে আজহারুল এরপর এই রায়ের পুনর্বিবেচনার জন্য আপিল করতে পারেন। সেটি খারিজ হলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইতে পারেন তিনি।

২০১২ সালে ঢাকার মগবাজার থেকে গ্রেফতার হন আজহারুল। বর্তমা‌নে তিনি কাশিমপুর জেলে রয়েছেন।



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদনা করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে।)