৪৮০ কিমি পথ হেঁটে শবরীমালা পুণ্যার্থীদের সঙ্গী হল পথের কুকুর

কুকুরটি অতটা পথ চলতে চলতে দু’বার পায়ে চোটও পায়। সেই সময় তার চিকিৎসা করেন পশু চিকিৎসকরা।

৪৮০ কিমি পথ হেঁটে শবরীমালা পুণ্যার্থীদের সঙ্গী হল পথের কুকুর

৪৮০ কিমি দীর্ঘ পথ সে পেরিয়ে এসেছে ওই পুণ্যার্থীদের অনুসরণ করে।

চিক্কামাগালুরু:

অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে কর্নাটকের চিক্কামাগালুরু। এই দীর্ঘ পথ ধরে ঐতিহ্যমণ্ডিত শবরীমালা (Sabarimala) মন্দিরে আসছিলেন ভক্তের দল। তেরো জন ভক্তের (Sabarimala Devotees) সেই দলের সঙ্গী হয়েছিল এক কুকুর (Stray Dog)। পুণ্যার্থীরা খালি পায়ে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এগিয়ে চলেছেন তাঁদের গন্তব্যের দিকে। পিছন পিছন এগিয়ে চলেছে রাস্তার কুকুরটিও। ৪৮০ কিমি দীর্ঘ পথ সে পেরিয়ে এসেছে ওই পুণ্যার্থীদের অনুসরণ করে! জনৈক রাজেশ গুরুস্বামী নামের এক ব্যক্তি, যিনি দক্ষিণ কানাডা জেলার মুদাবিদরির তোদারের বাসিন্দা, তিনিই ওই দলের নেতা। দীর্ঘ পথ পেরনোর সময় দলনেতা রাজেশ বা অন্য কেউ, কারওই নজরে পড়েনি কুকুরটির দিকে। অনেকটা সময় পরে তাঁদের নজরে পড়ে কুকুরটি তাঁদের পিছন পিছন আসছে।

দূষণ নিয়ন্ত্রণে পথের ধারের দোকানে গ্যাস সংযোগের পরিকল্পনা দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের

পুণ্যার্থীরা জানাচ্ছেন, ‘‘আমরা প্রাথমিক ভাবে কুকুরটাখে খেয়ালই করিনি। কিন্তু এগিয়ে চলতে চলতে বুঝতে পারি কুকুরটি আমাদেরই অনুসরণ করে এগিয়ে চলেছে আমাদের সঙ্গে। আমরা নিজেদের জন্য তৈরি করা খাবার ওকে খেতে দিই। আমরা প্রতিবারই শবরীমালা মন্দিরে যাই। কিন্তু এটা একেবারে নতুন অভিজ্ঞতা।''

কেদারনাথের পর বদ্রিনাথ, ভক্তদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হল মন্দিরের দরজা

তাঁরা এও জানাচ্ছেন, কুকুরটি অতটা পথ চলতে চলতে দু'বার পায়ে চোটও পায়। সেই সময় তার চিকিৎসা করেন পশু চিকিৎসকরা। তাঁদের এই চারপেয়ে না-মানুষ বন্ধুটিকে সঙ্গে করেই শবরীমালায় যেতে চান ওই পুণ্যার্থীরা।

১৬ নভেম্বর খোলা হয়েছে শবরীমালা মন্দির। ৪১ দিনের দীর্ঘ বার্ষিক মান্ডালা-মাকারাভিলাক্কু পুজো উৎসবের জন্য।

More News