তৃণমূলের ৪০ জন বিধায়ক আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, রাজ্যে এসে দাবি মোদীর

দিদি আপনার দলের ৪০ জন বিধায়ক আমার সঙ্গে  যোগাযোগ রাখছে। রাজ্যে এসে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

তৃণমূলের ৪০ জন বিধায়ক আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, রাজ্যে এসে দাবি মোদীর

হাইলাইটস

  • তৃণমূলের ৪০ জন বিধায়ক আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, রাজ্যে এসে দাবি মোদীর
  • চতুর্থ দফার ভোটের দিন রাজ্যে এসে দুটি সভা করেন মোদী
  • দিদি আমি বাংলার মাটি দিয়ে তৈরি মিষ্টি খাওয়ার জন্য অপেক্ষা করবঃ মোদী
শ্রীরামপুর:

দিদি আপনার দলের ৪০ জন বিধায়ক আমার সঙ্গে  যোগাযোগ রাখছে। রাজ্যে এসে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi) । চতুর্থ দফার ভোটের (Lok Sabha Election Phase 4) দিন রাজ্যে এসে দুটি সভা করেন মোদী। শ্রীরামপুরের সভা থেকে তাঁকে বলতে শোনা যায়।  বাংলার মাটি দিয়ে তৈরি মিষ্টি আমাকে খাওয়াবেন বলছেন ওটা আমার কাছে  প্রসাদ। আমার ভাগ্য খুলে যাবে। দিদি আমি বাংলার মাটি দিয়ে তৈরি মিষ্টি খাওয়ার জন্য অপেক্ষা করব। পাথর দেবেন বলেছেন । দিদি বেশি করে  দিন তাহলে বাংলার মানুষের মাথা বাঁচবে।' তিনি বলেন, "একটা  করে  দফা  হচ্ছে আর মহাভেজালদের ভয় বাড়চ্যহে  হয়  মোদীকে গালি দাও  নয় ইভিমএমকে  গালি দাও দিদি রেগে আছে । ওর নিজের কর্মীরা ই ওঁর কাছে  যেতে ভয় পাচ্ছে। 

হাতে ভোট গুণতে গিয়ে ইন্দনেশিয়ায় প্রাণ গেল ২৭২ জনের

তিনি বলেন, "দিদি জানেন কয়েকটি আসনে লড়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়া যায় না আসলে দিল্লির বাহানা দিয়ে ভাইপোকে রাজ্যে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন। এই বুয়া-ভাতিজার খেলা লোকে রাজ্যের বুঝে গিয়েছে। একটা  করে  দফা  হচ্ছে আর মহাভেজালদের ভয় বাড়ছে। ওরা মোদীকে গালি  দিত। এখন ইভিমএমকেও গালি দিচ্ছে। বাংলার মানুষ আমাদের ভাল বাসছে ততই দিদি রেগে যাচ্ছেন। এখন এমন অবস্থা যে ওঁর নিজের কর্মীরাই ওঁর কাছে  যেতে ভয় পাচ্ছে"।

মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রকে ঠকাবেন না। আপনি বা  আপনার  গুণ্ডারা যাই করুন রাজ্যের মানুষ নিজেদের মন প্রস্তুত  করে নিয়েছে। ২৩ মে বাংলা জুড়ে পদ্মফুল ফুটবে। আমরা বার বার বলছি বলছে সন্ত্রাসমুক্ত, দারিদ্র্য মুক্ত ভারত গড়তে হবে। আর বিরোধীরা মোদী- মুক্ত ভারত চাইছে। দিদি-বাম বা কংগ্রেস জানে মোদীকে  গালিগালাজ না করলে ওদের প্রচার করার কিছু থাকবে না। দিদি আমাদের বীরের পরাক্রম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। দিদি সমস্ত সীমা অতিক্রম করে গিয়েছেন। মানুষ যাতে নিজের ভোট দিতে না পারেন তার জন্য চেষ্টা হচ্ছে।