কিশোরীর শ্লীলতাহানি! পকসো আইনে মামলা ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে

পুলিশ সূত্রের খবর, ঘটনাটি ঘটেছে ২৬ এপ্রিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ফলতাতে এই বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে ওই কিশোরী দেখা করতে গিয়েছিল বলেই খবর।

কিশোরীর শ্লীলতাহানি! পকসো আইনে মামলা ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে
কলকাতা:

ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী নীলাঞ্জন রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের হল পকসো আইনের মামলা। শুক্রবার পুলিশ জানিয়েছে, ফলতায় একটি বাড়ির মধ্যে এক শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে পকসো আইনের অধীনে মামলা করা হয়েছে বিজেপির এই প্রার্থীর বিরুদ্ধে। পশ্চিমবঙ্গের শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশন (ডব্লিউবিসিপিআরআর) সূত্রের খবর,  নির্যাতিত কিশোরী ও তাঁর পরিবার অভিযোগ জানিয়েছে যে, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে গড়িমসি করেছে রাজ্য পুলিশ। শুক্রবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত নীলাঞ্জন রায়ের বিরুদ্ধে ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এবং পুলিশকে পকসো আইনের অধীনে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার কথা জানিয়েছে শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশন। 

অমিতের দাবি ২৩-এর বেশি, রাজনাথ বলছেন ৪২ আসনেই গেরুয়া পতাকা উড়বে এবার

পুলিশ সূত্রের খবর, ঘটনাটি ঘটেছে ২৬ এপ্রিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ফলতাতে এই বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে ওই কিশোরী দেখা করতে গিয়েছিল বলেই খবর। পরিবারের এক সদস্য জানান, বিজেপি দলের কয়েকজন কর্মী ও সমর্থকদের দুর্ব্যবহার সম্পর্কে নীলাঞ্জনের কাছে অভিযোগ জানাতে যায় ওই কিশোরী। “পরের দিনই ফলতা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। মেয়েটির মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং তার বিবৃতি রেকর্ড করা হয়েছে কিন্তু পকসো আইনে মামলা হলেও পুলিশ এখনও অভিযুক্ত বিজেপির প্রার্থীকে গ্রেফতার করেনি” বলেন পশ্চিমবঙ্গ শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের (ডব্লিউবিসিপিআর) চেয়ারপার্সন অনন্যা চট্টোপাধ্যায় চক্রবর্তী।

তিনি আরও জানান, তিনি এবং ডব্লিউবিসিপিআরের সদস্যরা ১৭ বছর বয়সী মেয়েটির বাড়িতেও দেখা করেছেন শুক্রবার। নির্বাচন কমিশন এখনও এই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি বলেই খবর। কমিশনের এক কর্মকর্তা বলেন, “আমরা ডব্লিউবিসিপিসিআরের থেকে চিঠি পেয়েছি এবং বিষয়টা দেখছি। আমরা এই ঘটনায় পুলিশের তদন্তের প্রতিবেদন চেয়েছি এবং আইন অনুযায়ীই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।” 

ভারতী ঘোষের গাড়ি থেকে মধ্যরাতে উদ্ধার নগদ টাকা

বিজেপি প্রার্থী নীলাঞ্জন রায় অবশ্য সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বিষয়টিকে তৃণমূলের ‘ষড়যন্ত্র' হিসেবেই ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর কথায়, “অভিযোগ একেবারে বানানো। এই রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের পিছনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাগ্নে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত রয়েছে। ঘটনার কোনও সত্যতাই নেই।”