This Article is From Jan 17, 2020

ভারতে ১০ লক্ষ চাকরির প্রতিশ্রুতি দিলেন আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস

মার্কিন ধনকুবের জানান, ‘‘যতবারই ভারতে ফিরে আসি, আরও বেশি করে এর প্রেমে পড়ে যাই। ভারতীয়দের কর্মশক্তি, উদ্ভাবন ও সাহসিকতা আমাকে অনুপ্রাণিত করে।’’

ভারতে ১০ লক্ষ চাকরির প্রতিশ্রুতি দিলেন আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস

আমাজনের (Amazon) প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস (Jeff Bezos) ২০২৫ সালের মধ্যে ১০ লক্ষ চাকরির সুযোগ তৈরির প্রতিশ্রুতি দিলেন।

নয়াদিল্লি:

আমাজনের (Amazon) প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস (Jeff Bezos) তিন দিনের ভারত সফরে এসে ২০২৫ সালের মধ্যে ১০ লক্ষ চাকরির সুযোগ তৈরির প্রতিশ্রুতি দিলেন। তাঁর অধীনস্থ সংবাদপত্র ‘দ্যThe Washington Post'-কে নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের অসন্তোষের মধ্যেই এই প্রতিশ্রুতি দিলেন তিনি। শুক্রবার Amazon.in-এ প্রকাশিত একটি চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা আমাজনের ব্যবসাকে কাজে লাগিয়ে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ভারতীয় পণ্য তাঁরা বিক্রি করতে চান ২০২৫ সালের মধ্যে। তাঁর দাবি, তাঁদের এই বিনিয়োগের কারণে ২০২৫ সালের মধ্যেই ভারতে ১০ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি হবে। মার্কিন ধনকুবের আরও জানান, ‘‘যতবারই ভারতে ফিরে আসি, আরও বেশি করে এর প্রেমে পড়ে যাই। ভারতীয়দের কর্মশক্তি, উদ্ভাবন ও সাহসিকতা আমাকে অনুপ্রাণিত করে।''

এরই মধ্যে জেফ বেজোস দেশের শহর ও গ্রামের ছোট ব্যবসার ডিজিটাইজ করার জন্য ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার অবশ্য আমাজনের এই পদক্ষেপের খুব বেশি প্রশংসা করতে রাজি নয়।

দিল্লি ছাড়ার ঘণ্টাখানেক আগে জামা মসজিদে Bhim Army প্রধান

কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গয়াল বৃহস্পতিবার বলেন, এদেশে ১০০ কোটি বিনিয়োগ করে আমাজন ভারতকে কোনও অনুগ্রহ করছে না। নয়াদিল্লিতে এক প্রতিরক্ষা বৈঠকে তিনি বলেন, ‘‘ওরা ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে পারে। কিন্তু তারপর যদি দেখা যায় প্রতি বছর ওদের কোটি কোটি ডলার লোকসান হচ্ছে তখন তারা সেই বিলিয়ন ডলার ভাল ভাবে তুলে নিতেও জানে। সুতরাং এমন নয়, ওরা একশো কোটি ডলার বিনিয়োগ করে কোনও অনুগ্রহ করছে ভারতকে।''

ভারতের ব্যবসায়ীদের বড় অভিযোগ রয়েছে আমাজন ও ফ্লিপকার্টের প্রতি। তাঁদের দাবি, বড় ছাড় দিয়ে ছোট ব্যবসায়ীদের বিপন্ন করে এই মার্কিন সংস্থাগুলি ভারতীয় আইন ভাঙছে। পীযূষ গয়াল সেপ্রসঙ্গ তুলে বলেন, এই অভিযোগে প্রতিটি ভারতীয়র উদ্বেগ হওয়া উচিত।

রাজ্যপালের ডাকা বৈঠকে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee

এদিকে ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'-এর সম্পাদকীয় নীতির প্রতি ক্ষুব্ধ বিজেপি। বিজেপির বিদেশ বিষয়ক বিভাগের প্রদান বিজয় চৌথিওয়ালে বলেন, ওই সংবাদপত্রের ভারতের কভারেজ নিয়ে প্রচুর সমস্যা রয়েছে। তিনি সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ওই সংবাদপত্রের নীতি অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট ও অ্যাজেন্ডা চালিত। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমালোচনা করতে দেখা গিয়েছে এই কাগজকে। বিশেষ করে সংশোধিত নাগরিকত্ব বিলের কড়া সমালোচনা করে তাকে ‘বৈষম্যমূলক' বলেও দাবি করেছে মার্কিন সংবাদপত্রটি।