This Article is From Apr 18, 2020

চিনকে আটকাতে, এফডিআই নীতিতে বদল কেন্দ্রের

পড়শি দেশের জন্য এফডিআই নীতিতে বদল আনল কেন্দ্রীয় শিল্প ও বানিজ্য মন্ত্রক

চিনকে আটকাতে, এফডিআই নীতিতে বদল কেন্দ্রের

বিদেশী পুঁজিপতিদের হাত থেকে দেশীয় সংস্থাকে বাঁচাতে এফডিআই নীতিতে বদল আনল কেন্দ্র।

নয়া দিল্লি:

পড়শি দেশের জন্য এফডিআই নীতিতে (Revised FDi rule) বদল আনল কেন্দ্রীয় শিল্প ও বানিজ্য মন্ত্রক। সংশোধিত নীতিতে বলা হয়েছে, পড়শি দেশের (Neighbouring Country) কোনও সংস্থা ভারতে বিনিয়োগ করতে চাইলে আগে সরকারকে অবগত করতে হবে। আগের স্বয়ংক্রিয় পথে সরাসরি বিনিয়োগ করা চলবে না। যে পড়শি দেশের সীমান্ত ভারত লাগোয়া, তাদের জন্য এই সংশোধিত এফডিআই নীতি। শনিবার এক নোট জারি করে জানাল সেই মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, এই সংক্রমণ আবহের সুযোগে বিদেশী সংস্থাগুলো যাতে দেশীয় সংস্থাকে অধিগ্রহণ করতে না পারে, তাই এই সংশোধন। অর্থাৎ বিদেশী পুঁজিপতিদের হাত থেকে দেশীয় সংস্থাগুলোকে বাঁচাতে এই নিয়ম বদল বলে দাবি অর্থনিতিবিদদের। তবে নাম না করে ভারতের বড় পড়শি চিনের (China) এই সুবিধাবাদী অধিগ্রহণ নীতি আটকাতেই উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার (Union Government)।শনিবার এমন দাবি করেছে মন্ত্রকের একটি সূত্র। 

"পাশে আছি", করোনা-আঁধারের মধ্যেই ভারতকে আশার আলো দেখাচ্ছে সুইস আল্পস

ভারতে, এফডিআই বা প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের দুটি ধারা আছে। একটি স্বয়ংক্রিয় ধারা। যেখানে বিনিয়োগে আগ্রহী সংস্থাগুলোর সরকারের অনুমতি লাগে না। আর দ্বিতীয় ধারা হল সরকারি সঙ্কেত পেয়ে বিনিয়োগ করতে হয় দেশে। এই প্রথম ধারাতে বদল আনল শিল্প ও বানিজ্য মন্ত্রক। সেই বদলে বলা হয়েছে, সংক্রমণের দরুন ধুঁকতে থাকা দেশীয় সংস্থাগুলোর সুবিধাবাদী অধিগ্রহণে রাশ টানতে এই সিদ্ধান্ত।

২০ এপ্রিল থেকে কোন কোন ক্ষেত্রে কাজ শুরু, দেখুন সেই কেন্দ্রীয় তালিকা

জানা গিয়েছে সরকার নিশ্চিত করতে চাইছে কোনও পড়শি দেশ, বিশেষ করে চিন, সংক্রমণের সুবিধা নিয়ে যাতে অধিগ্রহণ করতে না পারে। সেই বিষয়ে নিশ্চিত হতে এফডিআই নীতিতে বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে দ্বিতীয় ধারায় শুধু বাংলাদেশ ও পাকিস্তানি সংস্থাগুলোকে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারের অনুমতি নিতে হতো। কিন্তু সংশোধিত ধারায় চিনকেও সেই তালিকাভুক্ত করা হল। এমনটাই জানিয়েছে মন্ত্রকের একটা সূত্র। সম্প্রতি এইচডিএফসির ১.০১% শেয়ার কিনেছে চিনের পিপলস ব্যাঙ্ক। তারপর থেকে আরও নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র।    

এদিকে, রাহুল গান্ধি ১২ এপ্রিল টুইট করে দাবি করেছিলেন, মহামারীর সুযোগে ভারতীয় সংস্থাগুলোকে গ্রাস করে নেবে বিদেশী বিনিয়োগ। অবিলম্বে এই বিষয়ে তৎপর হোক কেন্দ্র। সেই টুইটের দিনকয়েক বাদেই সরকারি এই সিদ্ধান্তে স্পষ্টত খুশি ওই কংগ্রেস সাংসদ। এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে শিল্প ও বানিজ্য মন্ত্রককে। অপরে দেখে নিন রাহুল গান্ধির শনিবারের সেই টুইট।