Rti


'Rti' - 7 News Result(s)

  • বিরোধীদের প্রতিবাদের মধ্যেই রাজ্যসভায় পাশ আরটিআই আইন সংশোধনী বিল

    বিরোধীদের প্রতিবাদের মধ্যেই রাজ্যসভায় পাশ আরটিআই আইন সংশোধনী বিল

    বিরোধীদের আপত্তি সত্ত্বেও রাজ্যসভায় পাশ হয়ে গেল তথ্য জানার অধিকার আইন সংশোধনী বিল। বিজু জনতা দলের সমর্থন চেয়ে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের সঙ্গে কথা বলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভোটের আগেই ওয়াকআউট করে কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার আরটিআই আইন নিয়ে সংসদে ব্যাপক হট্টগোল হয়। বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবি জানায় বিরোধীরা। সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় সোমবার বিলটি লোকসভায় পাশ করিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন বলেন, “সংসদকে খতিয়ে দেখতে হবে। এটি স্ক্রুটিনির প্রয়োজন। এটা কোনও টি-২০ ম্যাচ নয়”। “বিলটি দোসা তৈরি করা নয়” বলে কটাক্ষ করেন রাজ্যসভার আরেকজন সাংসদ।

  • তথ্য জানার অধিকার আইন নিয়ে রাজ্যসভায় চাপে সরকার

    তথ্য জানার অধিকার আইন নিয়ে রাজ্যসভায় চাপে সরকার

    কথা থাকলেও বুধবার রাজ্যসভায় পেশ করা হলনা তথ্য জানার অধিকার আইন (RTI Act)। বিলটির পাশ হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আরও খতিয়ে দেখতে চায় সরকার। সরকারকে ইস্যু ভিত্তিক সমর্থন জানিয়েছে তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রসমিতি এবং বিজু জনতা দল, তবে তথ্য জানার অধিকার আইনের ক্ষেত্রে তারা বিরোধীদের সঙ্গ দেবে বলে জানিয়ে দিয়েছে। সোমবার বিলটি (RTI Act) পাশ হয়ে গিয়েছে লোকসভায়, বিরোধীদের অভিযোগ, নতুন সংশোধনী কার্যকরা করা হলে, তথ্য জানার অধিকার আইন লঘু হয়ে পড়বে।

  • “কোনও বিবেচনা না করেই” সংসদে আরটিআই বিল পাস করছে কেন্দ্র, বললেন ডেরেক ও”ব্রায়েন

    “কোনও বিবেচনা না করেই” সংসদে আরটিআই বিল পাস করছে কেন্দ্র, বললেন ডেরেক ও”ব্রায়েন

    বুধবার তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও”ব্রায়েন বলেন, সংসদে একের পর এক বিল পাস করাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার, অথচ বিল পাসের আগে সেটির কোনও রকম স্ক্রুটিনি করছে না তাঁরা। বিরোধীরা এসব দেখে শুনে চুপ করে থাকবে না বলেও হুমকি দেন তিনি।

  • “তথ্য জানার অধিকার আইনকে গুরুত্বহীন করে দিল কেন্দ্র”, বললেন সনিয়া গান্ধি

    “তথ্য জানার অধিকার আইনকে গুরুত্বহীন করে দিল কেন্দ্র”, বললেন সনিয়া গান্ধি

    বিরোধীদের আপত্তিতে আমল না দিয়েই সোমবার লোকসভায় পাশ হয় “তথ্য জানার অধিকার আইনের সংশোধনী বিল”। তার একদিন পর কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধি ওই আইন সংশোধন প্রসঙ্গে মুখ খুললেন। তিনি অভিযোগ করেন যে লোকসভায় ওই বিতর্কিত সংশোধনী বিল পাশের মাধ্যমে কেন্দ্র আসলে  “ঐতিহাসিক তথ্য জানার অধিকার আইন বিলোপ” করার চেষ্টা করছে। ওই “তথ্য জানার অধিকার আইনকে একেবারে গুরুত্বহীন করে দিল কেন্দ্র”, বলেন সনিয়া গান্ধি।

  • তথ্য জানার অধিকার আইন পাশ, স্বচ্ছতা আইন লঘু হয়ে যাবে, মত বিরোধীদের

    তথ্য জানার অধিকার আইন পাশ, স্বচ্ছতা আইন লঘু হয়ে যাবে, মত বিরোধীদের

    বিরোধীদের আপত্তি সত্ত্বেও লোকসভায় পাশ হয়ে গেল তথ্য জানার অধিকার আইন সংশোধনী বিল। এই আইনকে লঘু করে দেওয়া হবে বলে অভিযোগ তুলে আপত্তি জানায় বিরোধীরা। বিলটিকে “আরটিআই ধংসাত্মক বিল” বলে মন্তব্য করেছে তারা। এই বিলটিকে নিয়ে আরও চিন্তাভাবনার জন্য সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোরও দাবি তুলেছে বিরোধীবেঞ্চ। তবে রাজ্যসভায় বিলটি সমর্থন পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সেখানে সরকার সংখ্যালঘু। প্রস্তাবিত সংশোধনীর মধ্যে রয়েছে রাজ্য ও কেন্দ্রের তথ্য কমিশনারের বেতন ও মেয়াদ। বর্তমানে তথ্য কমিশনারের কাজের মেয়াদ পাঁচ বছর....তবে “কেন্দ্রীয় সরকারের মতানুযায়ী মেয়াদকাল” হতে পারে। তাঁদের বেতনও নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় সরকার। তথ্য কমিশনারের বেতন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সমান।

  • দেবেন্দ্র ফড়নবিশের বাংলো, ১৮ জন মন্ত্রীর লক্ষাধিক টাকার জলের বিল বাকি

    দেবেন্দ্র ফড়নবিশের বাংলো, ১৮ জন মন্ত্রীর লক্ষাধিক টাকার জলের বিল বাকি

    সম্প্রতি এ বিষয়টি তথ্য জানার অধিকার(RTI) আইনের মাধ্যমে এ বিষয়ে জানতে চান সমাজকর্মী শাকিল আহমেদ। ওই আরটিআইয়েই জানা যায় বিল না মেটানোর তালিকায় রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ফড়নবিশের মন্ত্রিসভার দুই সদস্য অর্থমন্ত্রী সুধীর মুনগানতিওয়ার এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী একনাথ শিণ্ডেও। ওই দুই মন্ত্রীর বাড়িতেই ৩টি করে জলের লাইন রয়েছে এবং সেই জলের লাইনের(Water Bills) গত বছরের সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবর মাসের বকেয়া বিলের পরিমাণ ৩ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮২৯ টাকা।শুধু ওই দুজনই নন, বকেয়া বিল না মেটানোর তালিকায় মহারাষ্ট্র মন্ত্রিসভার মোট ১৮ জন মন্ত্রীর নাম রয়েছে, তবে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের(Devendra Fadnavis)  নাম ওই তালিকায় নেই বলে জানা গেছে।

  • বিরোধিতার মধ্য দিয়েই সংসদে পাস হতে চলেছে তথ্যের অধিকার আইনের নতুন বিল

    বিরোধিতার মধ্য দিয়েই সংসদে পাস হতে চলেছে তথ্যের অধিকার আইনের নতুন বিল

    এই নতুন প্রস্তাবিত বিলের বিরোধিতা করে দিল্লি সহ গোটা দেশেই প্রবল প্রতিবাদী জমায়েত হয়েছে

'Rti' - 7 News Result(s)

  • বিরোধীদের প্রতিবাদের মধ্যেই রাজ্যসভায় পাশ আরটিআই আইন সংশোধনী বিল

    বিরোধীদের প্রতিবাদের মধ্যেই রাজ্যসভায় পাশ আরটিআই আইন সংশোধনী বিল

    বিরোধীদের আপত্তি সত্ত্বেও রাজ্যসভায় পাশ হয়ে গেল তথ্য জানার অধিকার আইন সংশোধনী বিল। বিজু জনতা দলের সমর্থন চেয়ে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের সঙ্গে কথা বলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভোটের আগেই ওয়াকআউট করে কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার আরটিআই আইন নিয়ে সংসদে ব্যাপক হট্টগোল হয়। বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবি জানায় বিরোধীরা। সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় সোমবার বিলটি লোকসভায় পাশ করিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন বলেন, “সংসদকে খতিয়ে দেখতে হবে। এটি স্ক্রুটিনির প্রয়োজন। এটা কোনও টি-২০ ম্যাচ নয়”। “বিলটি দোসা তৈরি করা নয়” বলে কটাক্ষ করেন রাজ্যসভার আরেকজন সাংসদ।

  • তথ্য জানার অধিকার আইন নিয়ে রাজ্যসভায় চাপে সরকার

    তথ্য জানার অধিকার আইন নিয়ে রাজ্যসভায় চাপে সরকার

    কথা থাকলেও বুধবার রাজ্যসভায় পেশ করা হলনা তথ্য জানার অধিকার আইন (RTI Act)। বিলটির পাশ হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আরও খতিয়ে দেখতে চায় সরকার। সরকারকে ইস্যু ভিত্তিক সমর্থন জানিয়েছে তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রসমিতি এবং বিজু জনতা দল, তবে তথ্য জানার অধিকার আইনের ক্ষেত্রে তারা বিরোধীদের সঙ্গ দেবে বলে জানিয়ে দিয়েছে। সোমবার বিলটি (RTI Act) পাশ হয়ে গিয়েছে লোকসভায়, বিরোধীদের অভিযোগ, নতুন সংশোধনী কার্যকরা করা হলে, তথ্য জানার অধিকার আইন লঘু হয়ে পড়বে।

  • “কোনও বিবেচনা না করেই” সংসদে আরটিআই বিল পাস করছে কেন্দ্র, বললেন ডেরেক ও”ব্রায়েন

    “কোনও বিবেচনা না করেই” সংসদে আরটিআই বিল পাস করছে কেন্দ্র, বললেন ডেরেক ও”ব্রায়েন

    বুধবার তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও”ব্রায়েন বলেন, সংসদে একের পর এক বিল পাস করাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার, অথচ বিল পাসের আগে সেটির কোনও রকম স্ক্রুটিনি করছে না তাঁরা। বিরোধীরা এসব দেখে শুনে চুপ করে থাকবে না বলেও হুমকি দেন তিনি।

  • “তথ্য জানার অধিকার আইনকে গুরুত্বহীন করে দিল কেন্দ্র”, বললেন সনিয়া গান্ধি

    “তথ্য জানার অধিকার আইনকে গুরুত্বহীন করে দিল কেন্দ্র”, বললেন সনিয়া গান্ধি

    বিরোধীদের আপত্তিতে আমল না দিয়েই সোমবার লোকসভায় পাশ হয় “তথ্য জানার অধিকার আইনের সংশোধনী বিল”। তার একদিন পর কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধি ওই আইন সংশোধন প্রসঙ্গে মুখ খুললেন। তিনি অভিযোগ করেন যে লোকসভায় ওই বিতর্কিত সংশোধনী বিল পাশের মাধ্যমে কেন্দ্র আসলে  “ঐতিহাসিক তথ্য জানার অধিকার আইন বিলোপ” করার চেষ্টা করছে। ওই “তথ্য জানার অধিকার আইনকে একেবারে গুরুত্বহীন করে দিল কেন্দ্র”, বলেন সনিয়া গান্ধি।

  • তথ্য জানার অধিকার আইন পাশ, স্বচ্ছতা আইন লঘু হয়ে যাবে, মত বিরোধীদের

    তথ্য জানার অধিকার আইন পাশ, স্বচ্ছতা আইন লঘু হয়ে যাবে, মত বিরোধীদের

    বিরোধীদের আপত্তি সত্ত্বেও লোকসভায় পাশ হয়ে গেল তথ্য জানার অধিকার আইন সংশোধনী বিল। এই আইনকে লঘু করে দেওয়া হবে বলে অভিযোগ তুলে আপত্তি জানায় বিরোধীরা। বিলটিকে “আরটিআই ধংসাত্মক বিল” বলে মন্তব্য করেছে তারা। এই বিলটিকে নিয়ে আরও চিন্তাভাবনার জন্য সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোরও দাবি তুলেছে বিরোধীবেঞ্চ। তবে রাজ্যসভায় বিলটি সমর্থন পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সেখানে সরকার সংখ্যালঘু। প্রস্তাবিত সংশোধনীর মধ্যে রয়েছে রাজ্য ও কেন্দ্রের তথ্য কমিশনারের বেতন ও মেয়াদ। বর্তমানে তথ্য কমিশনারের কাজের মেয়াদ পাঁচ বছর....তবে “কেন্দ্রীয় সরকারের মতানুযায়ী মেয়াদকাল” হতে পারে। তাঁদের বেতনও নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় সরকার। তথ্য কমিশনারের বেতন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সমান।

  • দেবেন্দ্র ফড়নবিশের বাংলো, ১৮ জন মন্ত্রীর লক্ষাধিক টাকার জলের বিল বাকি

    দেবেন্দ্র ফড়নবিশের বাংলো, ১৮ জন মন্ত্রীর লক্ষাধিক টাকার জলের বিল বাকি

    সম্প্রতি এ বিষয়টি তথ্য জানার অধিকার(RTI) আইনের মাধ্যমে এ বিষয়ে জানতে চান সমাজকর্মী শাকিল আহমেদ। ওই আরটিআইয়েই জানা যায় বিল না মেটানোর তালিকায় রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ফড়নবিশের মন্ত্রিসভার দুই সদস্য অর্থমন্ত্রী সুধীর মুনগানতিওয়ার এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী একনাথ শিণ্ডেও। ওই দুই মন্ত্রীর বাড়িতেই ৩টি করে জলের লাইন রয়েছে এবং সেই জলের লাইনের(Water Bills) গত বছরের সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবর মাসের বকেয়া বিলের পরিমাণ ৩ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮২৯ টাকা।শুধু ওই দুজনই নন, বকেয়া বিল না মেটানোর তালিকায় মহারাষ্ট্র মন্ত্রিসভার মোট ১৮ জন মন্ত্রীর নাম রয়েছে, তবে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের(Devendra Fadnavis)  নাম ওই তালিকায় নেই বলে জানা গেছে।

  • বিরোধিতার মধ্য দিয়েই সংসদে পাস হতে চলেছে তথ্যের অধিকার আইনের নতুন বিল

    বিরোধিতার মধ্য দিয়েই সংসদে পাস হতে চলেছে তথ্যের অধিকার আইনের নতুন বিল

    এই নতুন প্রস্তাবিত বিলের বিরোধিতা করে দিল্লি সহ গোটা দেশেই প্রবল প্রতিবাদী জমায়েত হয়েছে

Your search did not match any documents
A few suggestions
  • Make sure all words are spelled correctly
  • Try different keywords
  • Try more general keywords
Check the NDTV Archives:https://archives.ndtv.com

................................ Advertisement ................................

................................ Advertisement ................................