করোনা সঙ্কটের মধ্যেই ১,১০০ কর্মীকে ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিল সুইগি

COVID-19: করোনা সঙ্কটের সঙ্গে যুঝতে চতুর্থ পর্যায়েও জারি লকডাউন, এরই মধ্যে নিজেদের কর্মী সঙ্কোচনের ঘোষণা করলো খাবার সরবরাহকারী সংস্থা সুইগি

করোনা সঙ্কটের মধ্যেই ১,১০০ কর্মীকে ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিল সুইগি

হাইলাইটস

  • করোনা ভাইরাসকে রুখতে ২৫ মার্চ থেকে লকডাউন চলছে
  • সুইগি তাদের সংস্থার ১,১০০ কর্মীকে ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে
  • এর আগে ১৩ শতাংশ কর্মী সঙ্কোচনের পথে হেঁটেছো জোমাটোও

করোনা ভাইরাসকে (COVID-19) রুখতে চতুর্থ পর্যায়েও জারি লকডাউন, তবে টানা লকডাউনের (Coronavirus Lockdown) জেরে দেশের ব্যবসা বাণিজ্যের অবস্থা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। কোভিড- ১৯ পরিস্থিতিতে ব্যবসায় বিরাট ক্ষতির মুখ দেখেছে খাবার সরবরাহকারী সংস্থা সুইগিও। ফলে এবার ব্যয় সঙ্কোচনের পথে হাঁটছে ওই সংস্থা (Swiggy)। সোমবার সুইগির তরফে জানানো হয় যে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ১,১০০ জন কর্মচারীকে ছাঁটাই করতে চলেছে তারা। সুইগির সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান কার্যনির্বাহী আধিকারিক শ্রীহর্ষা মাজেতি আজ (১৮ মে) কোম্পানির কর্মীদের উদ্দেশ্যে একটি ইমেল করেন। সেখানে তিনি সাফ জানান, "সুইগির জন্যে আজকের দিনটি সবচেয়ে দুঃখজনক একটি দিন। দুর্ভাগ্যক্রমে আমাদের কয়েক হাজার কর্মচারীকে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শহর ও প্রধান কার্যালয় থেকে ছাঁটাই করতে হবে"। এর আগে আরেক খাদ্য সরবরাহকারী সংস্থা জোমাটোও জানায় যে তারা প্রায় ১৩ শতাংশ কর্মী সঙ্কোচন করতে বাধ্য হচ্ছে। ওই ঘোষণার কিছুদিনের মধ্যে এবার কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটলো সুইগিও।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জারি করা নিষেধাজ্ঞাকে শিথিল করতে পারবে না রাজ্য: কেন্দ্র

সিইও জানিয়েছেন, সুইগি তাঁদের ব্যবসার বিস্তারকে আপাতত ছোট করছে, কেননা এই পরিস্থিতিতে অনেক ক্ষেত্রেই লাভজনক হচ্ছে না সেটি। আগামী ১৮ মাসের মধ্যে এই পরিস্থিতি থেকে খুব একটা আশাপ্রদ জায়গায় যাওয়ার সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতি ও তার জেরে হওয়া লকডাউনের ফলে সংস্থার মূল খাদ্য সরবরাহ ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আগামী কিছুদিনও এই প্রভাব চলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মাজেতি বলেন, সুইগির কাছে এখন আগের থেকে অনেক কম অর্ডার আসছে, ফলে ব্যয় হ্রাস করতেই হবে।

তিনি আরও জানান, COVID-19 অনিশ্চয়তার হাত থেকে বাঁচতে এবং "আরও নানা সমস্যার মোকাবিলা করতে"  কোম্পানির ব্যয় হ্রাস করার পথে হাঁটা ছাড়া অন্য কোনও উপায় নেই।

ভয়ঙ্কর রূপে এগোচ্ছে আমফান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় বিকেল ৪টেয় জরুরি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

সুইগির প্রধান কার্যনির্বাহী আধিকারিক সংস্থার কর্মীদের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় বলেন, "যদিও কোভিডের প্রভাব কাটিয়ে ধীরে ধীরে ডেলিভারি ব্যবসা এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের কাজ শুরুর অনুমতি মিলেছে, কিন্তু এই অনিশ্চয়তা কত দিন টিকে থাকবে তা কেউ জানে না, এটা দীর্ঘমেয়াদী"।

করোনা ভাইরাস মহামারীর আকারে থাবা বসিয়েছে দেশে। এর বিস্তার রোধে দেশ জুড়ে লকডাউন চলছে। এর মেয়াদ চতুর্থ পর্যায়ে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দেশের অর্থনীতিকে রীতিমতো থমকে দিয়েছে এই করোনা। ফলে অনেক ব্যবসায়ীকেই তাঁদের ব্যবসার পরিসর ছোট করতে হচ্ছে, সেই তালিকায় রয়েছে সুইগিও।