শেয়ার বাজারে গতি, ৬০০ পয়েন্ট ছাড়াল সেনসেক্স, ১০,৩০০ গণ্ডি পেরলো নিফটি

Sensex Nifty: অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের আশায় বাড়ছে ব্যবসায়িক লেনদেন, এশিয়ার সংস্থাগুলোর শেয়ারের দাম বাড়ার পাশাপাশি বাড়ল মার্কিন স্টক ফিউচারের দামও

শেয়ার বাজারে গতি, ৬০০ পয়েন্ট ছাড়াল সেনসেক্স, ১০,৩০০ গণ্ডি পেরলো নিফটি

Share Market: ৮ জুন খুলে গেল ভারতের শপিং মল, রেস্তোরাঁ, ধর্মীয় স্থানগুলো, শেয়ার বাজারেও এল গতি

হাইলাইটস

  • দেশের শেয়ার বাজারে গতি এল
  • বাড়ল মার্কিন সংস্থাগুলোর শেয়ারও
  • আনলক ওয়ানের অধীনে সোমবার থেকেই এদেশে খুলে গেল শপিং মল, রেস্তোরাঁও

টানা লকডাউন করেও রোখা যায়নি করোনা ভাইরাসের (Coronavirus) সংক্রমণের গতি, তাই এবার আনলক ওয়ানের পথে হাঁটছে ভারত। সোমবার থেকেই খুলে গেল দেশের শপিং মল, রেস্তোরাঁ, ধর্মীয় স্থানগুলো। ইতিমধ্যেই দেশের প্রায় সব কলকারখানা ও কর্মপ্রতিষ্ঠানগুলোই খুলে গেছে। সব মিলিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই দেশের শেয়ার বাজারেও (Share Market) গতি দেখা যাচ্ছে। সোমবারও বাজার (Sensex Nifty) খোলার পর দেখা গেল দেশীয় শেয়ার বাজারের সূচক ঊর্ধ্বমুখী। সবচেয়ে বড় কথা, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের আশায় বাড়ছে ব্যবসায়িক লেনদেন, এশিয়ার সংস্থাগুলোর শেয়ারের দাম বাড়ার পাশাপাশি বাড়ল মার্কিন স্টক ফিউচারের দামও। দিনের শুরুতেই S&P BSE Sensex এর সূচক ৫৫৩.৯৩ পয়েন্ট বেড়ে ৩৪,৮৪১.১৭ এ গিয়ে দাঁড়িয়েছে এবং NSE Nifty 50 এর বেঞ্চমার্ক আগের দিনের থেকে ১৮৪.৬ পয়েন্ট বেড়ে ১০,৩২৬.৭৫ এ গিয়ে পৌঁছেছে। গত সপ্তাহে, নিফটি ৫.৯ শতাংশ এবং সেনসেক্স ৫.৭৫ শতাংশ বেড়েছিল।

কাজকর্ম শুরু হতেই মার্চ মাস থেকে এই প্রথম ১০,০০০ গণ্ডি টপকালো নিফটি

সকাল ৯:২৩ এ, সেনসেক্স ৫৯৭.১৪ পয়েন্ট বা ১.৭৪ শতাংশ বেড়ে সর্বাধিক ৩৪,৮৮৪.৩৮ এ পৌঁছে যায়। ওদিকে নিফটি ১৭৮.২৫ পয়েন্ট বা ১.৭৬ শতাংশ বেড়ে ১০,৩২০.৪০ তে পৌঁছয়।

জাপানের বাইরে এশিয়া প্যাসিফিকের শেয়ারের এমএসসিআইয়ের বিস্তৃত সূচকটি সর্বশেষ ০.৪৩ শতাংশ বেশি লেনদেন করেছে, পাশাপাশি জাপানি সংস্থা নিক্কির লেনদেন ২২৫ বেঞ্চমার্ক অর্থাৎ ০.৯৩ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে চিনের সাংহাই কমপোজিট, হংকংয়ের হ্যাং সেনাং এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কেওএসপিআই সংস্থাগুলোর সূচক যথাক্রমে ০.৪৫ শতাংশ, ০.৫০ শতাংশ এবং ০.১৬ শতাংশ বেড়েছে।

ভর্তুকিহীন গ্যাসের দাম এক ধাক্কায় সিলিন্ডার পিছু ৩৭ টাকা পর্যন্ত বাড়ল

ই-মিনি S&P 500 ফিউচারের লেনদেন করোনা পরিস্থিতিতে এই প্রথম বারের জন্যে এশীয় বাজারে ০.৩০ শতাংশ বেড়েছে, যা সোমবার মার্কিন বাজারের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক সূচনার ইঙ্গিত দেয়।

ঘুরে দাঁড়াচ্ছে আমেরিকার কাজের বাজারও। ফলে তার প্রভাব পড়ছে শেয়ার বাজারে। মার্কিন বেসরকারি সংস্থাগুলোয় গত মাস থেকে এপর্যন্ত ২.৫০৯ মিলিয়ন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, যা গত এপ্রিলে রেকর্ড সৃষ্টিকারী  ৮ মিলিয়ন মানুষের চাকরি চলে যাওয়ার বিপরীত ছবি।

শ্রম বিভাগের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনেও দেখা গেছে বেকারত্বের হার এপ্রিলে যেখানে ছিল ১৪.৭ শতাংশ, সেখানে ওই হার গত মে মাসে কমে দাঁড়িয়েছে ১৩.৩ শতাংশে। ওই সময় বেকারত্বের হার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে সর্বাধিক জায়গায় চলে যায়। অর্থনীতিবিদরা এই বেকারত্বের হার বেড়ে ১৯.৮ শতাংশে পৌঁছে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।