This Article is From May 22, 2020

২০২০-২১ অর্থবর্ষে জিডিপি বৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব থাকবে, বললেন আরবিআই গর্ভনর

দ্বিতীয়বার রেপো রেট, অর্থাৎ বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিকে আরবিআই সুদের যে হারে ঋণ দেয় কমানোর ঘোষণা করলেন আরবিআই গর্ভনর শক্তিকান্ত দাস

প্রয়োজনে আরও নীতি ঘোষণার করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গর্ভনর শক্তিকান্ত দাস

নয়াদিল্লি: রেপো রেট (Repo Rate) ৪.৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪ শতাংশ করার ঘোষণা করল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, করোনা ভাইরাস লকডাউনের (Coronavirus Lockdown) পরস্থিতিতে অর্থনীতিতে গতি আনতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। দ্বিতীয়বার রেপো রেট, অর্থাৎ বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিকে আরবিআই (RBI) সুদের যে হারে ঋণ দেয় কমানোর ঘোষণা করলেন আরবিআই গর্ভনর শক্তিকান্ত দাস (Shaktikanta Das)। করোনা ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া রুখতে দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করার ফলে, থমকে গিয়েছে দেশের অর্থনৈতিক কার্যকলাপের চাকা, কর্মহারা হয়েছেন বহু মানুষ। ফলে অর্থনীতিতে গতি আনতে করোনা ক্ষতে এদিন প্রলেপ দিল কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কটি। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গর্ভনর শক্তিকান্ত দাস সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, “প্রয়োজনীয়তা”কে গুরুত্ব দিতে সম্মত হয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ঋণ নীতি বিষয় কমিটি। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে কেন্দ্রীয় সরকারের ২০.৯৭ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণার পর, এই প্রথমবার সাংবাদিক সম্মেলন করলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্ক গর্ভনর।

এখানে রইল ১০'টি তথ্য:

  1. করোনা ভাইরাস এবং তার কারণে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দিয়ে চলা লক়ডাউনের কারণে দেশে অর্থনীতির কার্যকলাম থমকে রয়েছে, এবং অতিমারী বেড়ে চলার কারণে অনিশ্চয়তা রয়েছে বলে জানান শক্তিকান্ত দাস।
     

  2. আরবিআই গর্ভনর বলেন, “করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া অর্থনীতির গতিপথ রুদ্ধ করে দিয়েছে”।

  3. তবে ধীরে ধীরে অর্থনীতির গতি বাড়ানোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন আরবিআই গর্ভনর, এবং বর্তমান অর্থ বছরের দ্বিতীয় অর্ধে চাহিদাও বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।
     

  4. তিনি বলেন, “২০২০-২১ অর্থবর্ষে জিডিপি বৃদ্ধির হার ঋণাত্মক প্রভাবিত থাকবে, এবং তার দ্বিতীয়ার্ধে উঠতে শুরু করবে"।
     

  5. আরবিআই গর্ভনর বলেন, রাজস্ব, ঋণ এবং প্রশাসনিক পদক্ষেপের মিশ্রণ তৈরি করা হবে সরকার ও আরবিআইয়ের যৌথভাবে. যাতে ২০২০-২১ অর্থবর্ষের দ্বিতীয়ার্ধে অর্থনীতির বৃদ্ধি শুরু হয়।
     

  6. তিনমাসের জন্য ঋণের মোরাটরিয়াম এবং সুদের হার কমানো অপ্রত্যাশিত, এর ফলে ঋণ শোধ করতে আরও সময় পাবেন ঋণগৃহীতারা, এর আগে ২১ লক্ষ কোটি টাকার ঋণ ও রাজস্বের বিস্তারিত দিয়েছে সরকার।
     

  7. আরবিআই প্রধান বলেন, মন্দার মধ্য দিয়ে চলছে বিশ্ব অর্থনীতি, দেশের মুদ্রাস্ফীতি “খুবই অনিশ্চয়তার” মধ্যে। ২০২০-২১ অর্থবর্ষের প্রথমার্ধে দেশের এই পরিস্থিতি একই থাকতে পারে, এবং পরে কমতে পারে।
     

  8. শক্তিকান্ত দাস বলেন, “দুমাসের লকডাউনের কারণে দেশের অর্থনীতি ব্যাপক ধাক্কা খেয়েছে”। তিনি তুলে ধরেন, প্রথম ৬ জন শিল্পপতি ঘোষণা করেছেন যে, দেশের শিল্পের ৬০ শতাংশই লাল ও কমলা জোনে রয়েছে।
     

  9. চাহিদা কমার ইঙ্গিত মিলেছে, বিদ্যুৎ ও পেট্রোলিয়াম জাত উৎপাদনের চাহিদা কমেছে। ফলে বেসরকারি খরচের ক্ষেত্রে এটি বড় ধাক্কা, দেশের ৬০ শতাংশ চাহিদাই এর ওপর নির্ভর করে বলে জানান আরবিআই গর্ভনর।
     

  10. চাহিদা কমে যাওয়া এবং সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটা, চলবতি আর্থিক বছরে অর্থনীতিকে ব্যাপক ধাক্কা দিয়েছে।