This Article is From Aug 13, 2019

ভারত বিদেশী বিনিয়োগের সেরা আকর্ষণ: প্রধানমন্ত্রী মোদি

বিনিয়োগের সেরা ক্ষেত্র ভারত। আন্তর্জাতিতস্তরে বিনিয়োগকারীদের নজর কাড়তে পরিকাঠোগত উন্নয়নে জোর দিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ভারত বিদেশী বিনিয়োগের সেরা আকর্ষণ: প্রধানমন্ত্রী মোদি

কীভাবে ভারতে দিকে আসে সেব্যাপারে বিশেষ নজর দিতে সরকার সচেষ্ট বলে মনে করেন মোদি।

বিনিয়োগের সেরা ক্ষেত্র ভারত। আন্তর্জাতিতস্তরে বিনিয়োগকারীদের নজর কাড়তে পরিকাঠোগত উন্নয়নে জোর দিয়েছে সরকার। দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে সরকারকের এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Prime Minister Narendra Modi)। দ্য ইকনমিক টাইমসকে (The Economic Times) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে উদ্বৃত্ত অর্থ (Surplus Money) কীভাবে ভারতে দিকে আসে সেব্যাপারে বিশেষ নজর দিতে সরকার সচেষ্ট বলে মনে করেন মোদি। রাস্তা, রেল সহ পরিকাঠামো উন্নয়নে (Infrastructure Devalopment) সরকার আগামী এক বছরে ১লক্ষ কোটি টাকা খরচ করবেন বলে সাক্ষাৎকারে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তাঁর মতে রাজনৈতিক স্থিতাবস্থা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারা, বিশ্বস্তরে বিভিন্ন আলোচনায় ভারতকে বারে বারে আলোচনার কেন্দ্রে আসে।

পর পর দু'বার বিজেপি (BJP) সরকার ক্ষমতায় থাকায় এর পরিমান কয়েকগুণ বেড়েছে। আর্থিক উন্নয়নের কারণ হিসাবে জিএসটি লাগু, সুদের বার হ্রাস, মুদ্রাস্ফীতির নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির মন্তব্য গত মাসে বাজেটে ঘোষিত দেশের প্রথম বিদেশী সার্বভৌম বন্ড বিক্রির পরিকল্পনার সঙ্গে সরকারের অগ্রগতির পরিকল্পনাকে স্পষ্ট করে দিচ্ছে। প্রথমে যা কয়েকটি গোষ্ঠী ও রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নরের দ্বারা সমালোচিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী মোদীর সাক্ষাৎকারের কিছু বিশেষ অংশ

  • বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করতে, সরকার বিদেশী প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ নীতি আরও উদার করেছে। শ্রম আইন, বিদ্যুৎ, ব্যাংঙ্কিং ক্ষেত্র, বীমা ও পেনশন খাতেও সংস্কার করা হয়েছে। রাষ্ট্রের সম্পদ বৃদ্ধিতেও গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

  • ভারতে সহজে ব্যবসা করার জন্য সরকার করের হার কমানো তা জমার প্রক্রিয়া সহজ করেছে। এতে বিদেশি বিনিয়োগও আকর্ষিত হবে।

  • ভারত ও আমেরিকা গত কয়েক মাসে বাণিজ্য ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছে। এক্ষেত্রে ভারত উভয় দেশের জন্য একটি ইতিবাচক পরিণতি প্রত্যাশা করে।

  • অর্থনীতিতে সচলতার প্রয়োজন। এছাড়া ব্যবসার জন্য ঋণেরও দরকার। ক্ষুদ্র ও মাঝারি সংস্থাগুলির জন্য ঋণ গ্রহণে প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থার সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।

  • জম্মু ও কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন প্রত্যাহারের করা হয়েছে। সরকার এই অঞ্চলকে বিনিয়োগ সহায়ক করতে চায়। রাজনৈতিক ও আইনি স্থিতিশীলতা, বাজার গড়ে তোলাই এখন সরকারের লক্ষ। 

.