This Article is From Aug 21, 2019

মন্দা অর্থনীতি, ১০ হাজারকর্মী ছাঁটাই করতে পারে Parle

পার্লে প্রোডাক্ট, Parle-G-এর জন্য জনপ্রিয়। বাজার অর্থনীতিরকারণে এবার অবশ্য তাতে ছেদ পড়ার আশঙ্কা দানা বাঁধছে।

মন্দা অর্থনীতি, ১০ হাজারকর্মী ছাঁটাই করতে পারে Parle

পার্লে গ্রুপই শুধু নয়, শ্লথ অর্থনীতির কারণে বহু সংস্থাই কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে

হাইলাইটস

  • পার্লে সংস্থার প্রধানের কথায় কমানো হবে বিস্কুট উৎপাদন
  • মন্দা অর্থনীতি, গ্রামীন বাজারও হ্রাস পেতে পারে বলে আশঙ্কা
  • প্রত্যক্ষ পরোক্ষ মিলিয়ে মোট ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই হতে পারে পার্লেতে
বেঙ্গালুরু:

মন্দার আঁচ এবার পার্লে (Parle) বিস্কুটেও। ৯০ বছরের প্রাচীন এই বিস্কুট নির্মাতা সংস্থা পার্লে প্রোডাক্টস প্রাইভেট লিমিটেড এবার কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে। প্রায় ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করতে (lay Off) পারে পার্লে সংস্থাটি। বর্তমানে কর্মী সংখ্যা স্থানীয় ও অস্থায়ী মিলিয়ে প্রায় এক লক্ষ। সংস্থার ক্যাটেগরি হেড মায়াঙ্ক শাহ (Mayank Shah) জানিয়েছেন, গত কয়েক মাস ধরেই সংস্থার লাভের অঙ্ক প্রায় শূন্য। সার্কুলেশন কমেছে হু হু করে। যার ফলেই এই কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিতে পারে সংস্থা। প্রথম দফায় ৮-১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই হতে পারে। অস্থায়ী কর্মীরাও রেহাই পাবেন না। মায়াঙ্ক শাহ বলেন, ‘‘২০১৭ সালে জিএসটি (GST) লাগু হওয়ার পর থেকেই আর্থিক মন্দার মুখে পড়ে বিস্কুটের এই জনপ্রিয় ব্র্যান্ড। লোকসানের অঙ্ক বেড়েছে চড়চড়িয়ে। বাধ্য হয়েই এক প্যাকেট বিস্কুটের দাম কম করে পাঁচ টাকা রাখতে হয়েছে। ফলে লাভের খাতায় জমা হয়েছে সামান্যই। সরকার হস্তক্ষেপ না করলে এই বেহাল অবস্থা কাটবে না।''

১৯২৯ সাল থেকে পথ চলা শুরু এই বিস্কুট-কোম্পানির (Parle)। জনপ্রিয় ব্র্যান্ড হিসেবে ভারতের বাজারে জায়গা করে নেয় খুব তাড়াতাড়ি। এতদিন সুনামের সঙ্গে ব্যবসাচালিয়ে গিয়েছে তারা। বাজার অর্থনীতিরকারণে এবার অবশ্য তাতে ছেদ পড়ার আশঙ্কা দানা বাঁধছে।

পার্লে জি-র আগে নাম ছিল পার্লে গ্লুকো (Parle Gluco)। হেডকোয়ার্টার ছিল মুম্বইতে। ১৯৮০ থেকে ১৯৯৯ সময়কালের মধ্যে নাম বদলে রাখা হয় পার্লে জি। ২০০৩ সালের মধ্যে শুধু দেশে নয় বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ব্র্যান্ড হিসেবে নাম করে পার্লে জি। পার্লে সংস্থার তরফে বলা হচ্ছে, গ্রামীণ বাজারে বিস্কুটের চাহিদা হঠাৎ করেই কমে গেছে। হতে পারে, দাম বাড়ার জন্যই এটা হয়েছে। বাজারও মন্দা।

পার্লের প্রতিপক্ষ ব্রিটানিয়া গ্রুপের (Britannia Industries Ltd) ম্যানেজিং ডিরেক্টর বরকুণ ব্যারি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছেন, ‘‘অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে অবিলম্বে বিবেচনা করা উচিত। এখন মানুষ ৫ টাকার বিস্কুট কিনতে গেলেও দুবার ভাবছে।'' পড়েছে ব্রিটানিয়া কোম্পানির শেয়ারের দামও।

বিস্কুট সংস্থার আগে গাড়ির বাজারে ধস নেমেছে। ভোগ্যপণ্যের বিক্রিও ধাক্কা খেয়েছে।