কর ফাঁকির অভিযোগ, নিষিদ্ধ বিশ্বের বৃহত্তম মদ প্রস্তুতকারক সংস্থা

কর ফাঁকির অভিযোগে জুলাইয়ে মদ প্রস্তুতকারক সংস্থা এবি ইনবেভকে (AB InBev) নয়াদিল্লির বাজারে বিয়ার বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

কর ফাঁকির অভিযোগ, নিষিদ্ধ বিশ্বের বৃহত্তম মদ প্রস্তুতকারক সংস্থা

AB InBev, , যা বুডউইজার এবং হোয়েগার্ডেনের মতো বিয়ার ব্র্যান্ড বিক্রি করে, ভারতীয় বাজারে তার শেয়ারের পরিমাণ ১৭.৫%

হাইলাইটস

  • আনহিউসার-বুশ ইনবিভ দিল্লিতে তিন বছরের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে লড়াই করছে
  • দিল্লি পুলিশ এবি ইনবিভের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির একটি মামলার তদন্ত করছে
  • বিশ্বের বৃহত্তম মদ প্রস্তুতকারক সংস্থাটি যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে
নয়াদিল্লি:

এমনিতেই দিল্লিতে তাঁদের প্রস্তুতকৃত মদ বিক্রির বিরুদ্ধে ৩ বছরের নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হতে হয়েছিল আনহিউসার-বুশ ইনবেভকে, তারই মধ্যে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। এবার বিশ্বের বৃহত্তম ওই মদ প্রস্তুতকারক সংস্থার বিরুদ্ধে উঠল কর ফাঁকির অভিযোগ। ওই সংস্থার (Anheuser-Busch InBev) বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিশ কর ফাঁকির মামলার তদন্ত শুরু করতে চলেছে । এর আগে কর ফাঁকির অভিযোগে জুলাইয়ে মদ প্রস্তুতকারক সংস্থা এবি ইনবেভকে (AB InBev) নয়াদিল্লির বাজারে বিয়ার বিক্রি (beer ban) নিষিদ্ধ করা হয়। যদিও সংস্থাটি তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা কর ফাঁকির অভিযোগ অস্বীকার করে। দিল্লি নগর কর্তৃপক্ষের তদন্তে দেখা যায় বিয়ার নির্মাতা এসএবি মিলারের কাছ থেকে ২০১৬ সালে এ বি ইনবেভ প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে বারকোড কিনে নেয়। এরপর দিল্লির খুচরা বিক্রেতাদের সরবরাহ করা ওই সংস্থার বিয়ারের বোতলগুলিতে সদৃশ বারকোড ব্যবহার করা হয় যাতে সংস্থাটিকে কম কর দিতে হবে। 

রফতানিকে উৎসাহ দিতে একাধিক পদক্ষেপ ঘোষণা অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের

দিল্লি সরকারের নিষেধাজ্ঞার ওই আদেশে ষড়যন্ত্র, প্রতারণা ও জালিয়াতির মতো ফৌজদারি আইনের বিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে সংস্থা এবং স্থানীয় বার আউটলেটটির বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

"আমরা এই অভিযোগের তদন্ত করছি, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে", বলেন দিল্লির এক প্রবীণ আধিকারিক অনন্ত কুমার গুঞ্জন।

"বড় মাথাব্যথা"

পুলিশ তদন্তের খবরগুলি নয়াদিল্লিতে ওই সংস্থাটির দুর্দশা আরও বাড়িয়ে তুলবে, যেখানে এই সংস্থা ইতিমধ্যেই নগর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এবং আদালতে নিষেধাজ্ঞার আদেশের বিরুদ্ধে নিজেদের যুক্তি খাঁড়া করেছে। পৃথকভাবে, এ বি ইনবিভ এসএবিমিলার এবং অন্যদের দ্বারা বিয়ারের মূল্য নির্ধারণের অভিযোগে ভারতীয় অ্যান্টিট্রাস্ট নজরদারি তদন্তের বিরুদ্ধেও লড়াই করছে।

ব্যাঙ্ক সংযুক্তিকরণের প্রতিবাদে ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক

"এই নিষেধাজ্ঞার কেবলমাত্র আর্থিক প্রভাব রয়েছে তা নয়, পুলিশ কেস যে কোনও কোম্পানির পক্ষে অনেক বড় মাথাব্যথার কারণ হতে পারে এবং এর প্রভাব আরও বাড়তে পারে," কর ও মদ আইনের বিশেষজ্ঞ তথা দিল্লির আইনজীবী সন্দীপ চিলানা বলেন এ কথা।

৬ সেপ্টেম্বর তারিখের একটি সরকারি নথি অনুসারে, দিল্লি প্রশাসন পুলিশ কর্তৃপক্ষকে গত মাসে একটি মামলা করার জন্য লিখিত আবেদন করেছিল।

নথিতে বলা হয়েছে, "এই অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনা করে ধারণা করা হচ্ছে যে এটির কঠোর এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি (নিষেধাজ্ঞার চেয়েও বেশি) এ ক্ষেত্রে আরও ন্যায়সঙ্গত হতে পারত।"

More News