আর্থিক নিম্নগতির মধ্যেই Wholesale Inflation আরও কমে ৩.১%

চলতি অর্থবর্ষে (Financial Year 2019-20) মুদ্রাস্ফীতি (Inflation Rate 2.5%) ২.৫% দাঁড়িয়েছে। এই সূচক ঠিক একবছর আগে ছিল ২.৪৯%। ২০১৯-এর জানুয়ারিতে গড়ে এই সূচক ছিল ২.৭৬%। এক বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রক (Commerce Ministry)। 

আর্থিক নিম্নগতির মধ্যেই Wholesale Inflation আরও কমে ৩.১%

পাইকারি খাদ্যসূচক গতবছরের তুলনায় কমে ১০.১২% হয়েছে। গত ডিসেম্বরে এই সূচক ছিল ১১.০৫%।

হাইলাইটস

  • কমেছে পাইকারি খাদ্যসূচক, তবে এই সূচক দুই সংখ্যার ঘরেই থাকবে
  • এমনটা জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা, করোনা আতঙ্ক, অপরিশোধিত তেলের দাম
  • এই ব্যাপক মুদ্রাস্ফীতির নেপথ্যে অনুঘটক, দাবি বিশেষজ্ঞদের
চলতি অর্থবর্ষে (Financial Year 2019-20) মুদ্রাস্ফীতি (Inflation Rate 2.5%) ২.৫% দাঁড়িয়েছে। এই সূচক ঠিক একবছর আগে ছিল ২.৪৯%। ২০১৯-এর জানুয়ারিতে গড়ে এই সূচক ছিল ২.৭৬%। এক বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রক (Commerce Ministry)। 

যে ১০ টি কারণ জানতেই হবে:

  1. চলতি অর্থবর্ষে (Financial Year 2019-20) মুদ্রাস্ফীতি (Inflation Rate 2.5%) ২.৫% দাঁড়িয়েছে। এই সূচক ঠিক একবছর আগে ছিল ২.৪৯%। ২০১৯-এর জানুয়ারিতে গড়ে এই সূচক ছিল ২.৭৬%। এক বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রক (Commerce Ministry)। 

  2. পাইকারি খাদ্যসূচক (Whole Sale Food Inflation) গতবছরের তুলনায় কমে ১০.১২% হয়েছে। গত ডিসেম্বরে এই সূচক ছিল ১১.০৫%। প্রকাশিত তথ্যে এমনটাই উল্লেখ।

  3. খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি সূচক দুই সংখ্যায় থাকবে। এমনটাই দাবি করেছেন অর্থনীতিবিদরা। সব্জির (Vegetable Price Ease) মূল্যহ্রাসও এক্ষেত্রে কার্যকরী হয়নি, জানান তাঁরা। 

  4. আইসিআর (ICR)-এর মুখ্য অর্থনীতিবিদ অদিতি নায়ার বলেন, "প্রাথমিক পাইকারি খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি সূচকের নিয়ন্ত্রিত সংশোধনী হয়েছে। এক্ষেত্রে সব্জি, আমিষজাত প্রোটিন, দুধ ও দুগ্ধজাত উৎপাদন এবং ডালের চড়া মুদ্রাস্ফীতি কাজ করেছে।"

  5. খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি তালিকায়, সাক-সব্জির দাম বেড়েছে ৫২.৭২% আর আলু-পেঁয়াজের দাম বেড়ে হয়েছে ৩৭.৩৪%।

  6. করোনা ভাইরাস আতঙ্কে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি, অপরিশোধিত তেলের দাম; এভাবে ফেব্রুয়ারির পাইকারি মুদ্রাস্ফীতিকে প্রভাবিত করেছে, জানিয়েছেন অদিতি নায়ার।

  7. পৃথক একটা তথ্য এসপ্তাহে প্রকাশিত হয়েছে। যাতে উল্লেখ, "গ্রাহক মুদ্রাস্ফীতি গত ৬ বছরে সর্বাধিক পতন দেখেছে। শীর্ষ ব্যাঙ্কের আরও আলগা আর্থিক নীতি এই পরিস্থিতির বদল ঘটাবে। এদিন দাবি করেন অর্থনীতিবিদরা। 

  8. আর্থিক নীতি ঘোষণা করার আগে গ্রাহক মুদ্রাস্ফীতি পর্যালোচনা করে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া 

  9. চলতি মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক রেপো রেট অপরিবর্তিত রেখেছে। পরপর ছ'টি দ্বি-মাসিক বাজার অর্থনীতির পর্যালোচনা এক্ষেত্রে অনুঘটকের কাজ করেছে। ফলে বাজারে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে এই সিদ্ধান্ত আরবিআইয়ের। 

  10. ২০১৯ সালে আরবিআই রেপো রেট কমিয়েছিল। ফলে নগদ জোগান বাড়াতে পেরেছিল ব্যাঙ্কগুলো। ছয়ের, মধ্যে পাঁচবার দ্বি-মাসিক পর্যালোচনার পর ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। স্থূল আর্থিক গতিকে ধাক্কা দিতে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এর পর ডিসেম্বর আর ফেব্রুয়ারির পর্যালোচনায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল রেপো রেট। 



Listen to the latest songs, only on JioSaavn.com