আয়কর রিটার্নের স্টেটাস আধারের সাহায্যে দেখা যায় অনলাইনেই, জেনে নিন পদ্ধতি

আয়কর জমা দেবার পরেও একটা কাজ থেকে যায়। সেটা হল রিটার্ন ঠিকমতো জমা পড়ল কিনা তা যাচাই করে নেওয়া। আর সেটাও অনলাইনে করা সম্ভব।

আয়কর রিটার্নের স্টেটাস আধারের সাহায্যে দেখা যায় অনলাইনেই, জেনে নিন পদ্ধতি

আধারের সাহায্যে ইনকাম ট্যাক্স ই-ভেরিফিকেশন করা যায়

হাইলাইটস

  • আয়কর জমা দেবার সময়সীমা ৩১ জুলাই থেকে বাড়িয়ে ৩১ আগস্ট করা হয়েছে
  • আয়কর জমা দেবার পরেও একটা কাজ থেকে যায়
  • সেটা হল রিটার্ন ঠিকমতো জমা পড়ল কিনা তা যাচাই করে নেওয়া

আয়কর দফতরে এখন অনলাইন সুবিধাও রয়েছে। অনলাইনে তাদের ই-ফাইলিং পোর্টাল incometaxindiaefiling.gov.in-এর মাধ্যমে জমা করা যায় আয়কর রিটার্ন (ITR)। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের আয়কর জমা দেবার সময়সীমা ৩১ জুলাই থেকে বাড়িয়ে ৩১ আগস্ট করা হয়েছে। অর্থাৎ পরের মাসে আয়কর দিলেও কোনও জরিমানা দিতে হবে না করদাতাকে। তবে আয়কর জমা দেবার পরেও একটা কাজ থেকে যায়। সেটা হল রিটার্ন ঠিকমতো জমা পড়ল কিনা তা যাচাই করে নেওয়া। আর সেটাও অনলাইনে করা সম্ভব। আপনার আধারের সাহায্যে এখন ইনকাম ট্যাক্স ই-ভেরিফিকেশন (Income tax return e-verification) করা যায় অনলাইনে। জেনে নিন আধারের সাহায্যে এখন ইনকাম ট্যাক্স ই-ভেরিফিকেশন করার পদ্ধতি—

আপনার আধার ও নথিভুক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার করে আয়কর রিটার্নের ই-ভ্যারিফাই করার ধাপগুলি জেনে নিন:

প্রথম ধাপ: ই-ফাইলিং পোর্টালে যান। ঠিকানা- incometaxindiaefiling.gov.in

আয়কর রিটার্ন (ITR) দাখিলের আগে আপনার এগুলি জানা উচিত

দ্বিতীয় ধাপ: ব্যবহারকারীকে ‘লিঙ্ক আধার' অপশনটি বেছে নিতে হবে পোর্টালে গিয়ে। তবে এটা তখনই করার দরকার পড়বে যখন আধারের সঙ্গে ব্যবহারকারীর প্যান (PAN) সংযুক্ত করা নেই।

তৃতীয় ধাপ: এবার পোর্টালটিতে ‘ই-ভ্যারিফাই' লিঙ্কে ক্লিক করুন।

চতুর্থ ধাপ:  ‘ই-ভ্যারিফাই'রিটার্ন-এর জন্য আধার ওটিপি ব্যবহার করার অপশনটি বেছে নিন।

পঞ্চম ধাপ: ‘জেনারেট ওটিপি'-তে ক্লিক করুন।

rc0qveu8

ষষ্ঠ ধাপ: ক্লিক করে দিলেই ওটিপি আসবে আপনার মোবাইলে। যে মোবাইল নম্বরটির সঙ্গে আপনার আধার সংযুক্ত করা আছে, সেটিতেই এই ওটিপি আসবে। এবার ওই পোর্টালে ওটিপি দেওয়ার যে স্পেসটি আছে সেখানে ওটিপিটি লিখে দিন।

এই সব ক'টি ধাপ অতিক্রম করলেই আপনি জেনে যাবেন আপনার আয়কর রিটার্নের স্টেটাসটি। তবে এটা ছাড়াও আরও চারটি উপায়ে আয়কর রিটার্ন ভ্যারিফাই করা যায়। সেগুলি হল ব্যাঙ্ক এটিএম, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট এবং নেট ব্যাঙ্কিং।

আয়করের ধাপগুলি

জেনারেল ক্যাটিগরিতে ২.৫ লক্ষ টাকা বা তার বেশি বার্ষিক আয় হলেই সেই ব্যক্তিকে আয়কর জমা দিতে হবে। বর্ষীয়ান নাগরিকদের জন্য (যাঁদের বয়স ৬০ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে) এই সীমা হল ৩ লক্ষ টাকা এবং অতি বৃদ্ধ বর্ষীয়ান নাগরিকদের জন্য (যাঁদের বয়স ৮০ বছরের বেশি) তাঁদের ক্ষেত্রে সীমা হল ৫ লক্ষ টাকা।

More News