নভেম্বর মাসে জিএসটির সংগ্রহ ১.০৩ লক্ষ কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রক

GST Collections: অক্টোবর মাসে জিএসটির সংগ্রহ ছিল ৯৫,৩৮০ কোটি টাকা, যেখানে ২০১৮ সালের নভেম্বরে জিএসটির পরিমাণ ছিল ৯৭,৬৩৭ কোটি টাকা

নভেম্বর মাসে জিএসটির সংগ্রহ ১.০৩ লক্ষ কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রক

নভেম্বর মাসে জিএসটি বা পণ্য পরিষেবা কর (GST) থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের আয় হয়েছে ১,০৩,৪৯২ কোটি টাকা, রবিবার এক বিবৃতি দিয়ে একথা জানিয়েছে অর্থমন্ত্রক। ২০১৭ সালের জুলাই মাস থেকে জিএসটি নেওয়া শুরুর পর থেকে এই নিয়ে অষ্টমবার সরকারের জিএসটি সংগ্রহের মাসিক মাত্রা ১ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়াও, ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসের সংগ্রহের (GST Collections) পরিমাণ জিএসটি ধার্য হওয়ার পর ২০১৯ সালের মার্চ এবং এপ্রিল মাসের পর তৃতীয় সর্বোচ্চ মাসিক সংগ্রহ, জানিয়েছে সরকার। পাশাপাশি সরকারি বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে যে, নভেম্বরে মোট ১,০৩,৪৯২ কোটি টাকা, সিজিএসটি ১৯,৫৯২ কোটি টাকা, এসজিএসটি হল ২৭,১৪৪ কোটি টাকা, আইজিএসটি ৪৯,০২৮ কোটি টাকা (আমদানির মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে ২০,৯৪৮ কোটি টাকা) এবং সেস ৭,৭২৭ কোটি টাকা (আমদানির মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে ৮৬৯ কোটি টাকা)।

iগত দুই মাসে দেশের বৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব বৃদ্ধির পরে, ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে জিএসটি সংগ্রহের তুলনায় এ বছরের নভেম্বরে জিএসটি আয় বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব ৬ শতাংশ বৃদ্ধিতে দুর্দান্ত প্রভাব ফেলল বলে মনে করা হচ্ছে। গত এক মাসে, দেশীয় লেনদেনের উপর জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ ১২ শতাংশ বেড়েছে বলে জানা গেছে, যা চলতি বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ সংগ্রহ।

জিএসটির ঘাটতি দূর করতে কর বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ চাইলেন নির্মলা সীতারামন

জিএসটিকে বলা হয় দেশের বৃহত্তম পরোক্ষ কর সংস্কার। এটি ২০১৭ সালের জুলাই মাস থেকে প্রয়োগ করা হয়েছিল। এর আগে যখন জিএসটির বিরুদ্ধে মুখ খোলেন বিরোধীরা তখন সংসদে পাস হওয়া আইনটির (Goods and Services Tax) সমালোচনা না করে তাঁকে কীভাবে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা যায় সে বিষয়ে কর বিশেষজ্ঞদের থেকে পরামর্শ চান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। 

ভারতের সবচেয়ে বড় কর সংস্কার করেছিলেন অরুণ জেটলি

তিনি সেইসময় বলেন, অর্থমন্ত্রী বলেন দীর্ঘদিন  ধরে আলোচনার পর দেশের বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ও রাজ্য আইনসভা সংসদে একসঙ্গে কাজ করে এই আইনটি নিয়ে এসেছে। তিনি একথাও বলেন যে, "আমি জানি যে আপনি নিজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এটিj সম্পর্কে নানা কথা বলছেন তবে হঠাৎকরে আমরা এটাকে খারাপ কাঠামো বলতে পারি না"। সীতারামন শিল্পপতি, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস, সংস্থা সচিব এবং আর্থিক খাতের অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গেও জিএসটি নিয়ে আলোচনা করেন।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি কী? দেখুন এই ভিডিও:

More News