ভারতের নতুন বিলিওনিয়ার হলেন ৩৭ বছরের প্রাক্তন স্কুল শিক্ষক

এই মাসের শুরুতে তাঁর থিংক অ্যান্ড লার্ন প্রাইভেট কোম্পানি ১৫০ মিলিয়ন ডলার উপার্জনের পরে বাইজু রবীন্দ্রন কোটিপতিদের বিরল ক্লাবে অন্তর্ভুক্ত হন।

ভারতের নতুন বিলিওনিয়ার হলেন ৩৭ বছরের প্রাক্তন স্কুল শিক্ষক

২০১১ সালে থিঙ্ক অ্যান্ড লার্ন নামে একটি কোম্পানি খোলেন বাইজু রবীন্দ্রন

হাইলাইটস

  • গত ৭ বছরে $৫.৭ বিলিয়ন উপার্জন করেছে বাইজুর অ্যাপ
  • ২০১১ সালে তিনি থিঙ্ক অ্যান্ড লার্ন ও ২০১৫ তে মূল অ্যাপটি চালু করেন
  • ভারতের অনলাইন লার্নিং মার্কেট ২০২০-র মধ্যে $ ৫.7 বিলিয়নের দ্বিগুণ হবে

ভারতের (India) নতুন বিলিওনিয়ার (billionaire) হলেন ৩৭ বছরের প্রাক্তন এক স্কুল শিক্ষক যিনি একটি শিক্ষাবিষয়ক অ্যাপ (Byju's app) তৈরি করেন, যা গত ৭ বছরে ৬ বিলিয়ন ডলার উপার্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এই মাসের শুরুতে তাঁর থিংক অ্যান্ড লার্ন প্রাইভেট কোম্পানি ১৫০ মিলিয়ন ডলার উপার্জনের পরে বাইজু রবীন্দ্রন (Byju Raveendran) কোটিপতিদের বিরল ক্লাবে অন্তর্ভুক্ত হন। সূত্রের খবর, ৫.৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করা এই প্রতিষ্ঠানের ২১ শতাংশেরও বেশি মালিকানা রয়েছে প্রতিষ্ঠাতা বাইজু রবীন্দ্রনের। ওই প্রতিষ্ঠানটিই বাইজুস অ্যাপ নামে ওই শিক্ষামূল অ্যাপটি তৈরি করে। জানা গেছে আগামী ২০২০ সালের প্রথম দিকেই ওয়াল্ট ডিজনি কোয়ের সঙ্গে যৌথভাবে এই অ্যাপটিকে আমেরিকান উপকূলেও ছড়িয়ে দেওয়া হবে। 

আয়কর রিটার্নের স্টেটাস আধারের সাহায্যে দেখা যায় অনলাইনেই, জেনে নিন পদ্ধতি

৩৭ বছরের ওই উদ্যোক্তা জানিয়েছেন যেভাবে মাউস হাউসকে বিনোদনের জন্য ব্যবহার করা হয় ঠিক সেভাবেই মাউস হাউসের দেখানো পথেই ভারতীয় শিক্ষার জন্য তিনি কাজ করতে চান আর এর জন্যে তিনি ভৌগোলিক ও সৃজনশীলভাবে বৃহত্তম পদক্ষেপ নিচ্ছেন। ডিজনি তাঁর (Byju Raveendran) এই নতুন অ্যাপ্লিকেশনটিতে (Byju's app) দ্য লায়ন কিংসের সিম্বা থেকে ফ্রোজেনের আনাকে যোগ করবে, যারা এক থেকে তিন ধাপের শিক্ষার্থীদের গণিত এবং ইংরেজি শেখাবে। ওই চরিত্রগুলিকে অ্যানিমেটেড ভিডিও, গেমস, গল্প এবং ইন্টারেক্টিভ কুইজেও ব্যবহার করা হচ্ছে।

"সবসময়েই বাচ্চাদের ডিজনির সিম্বা বা মোয়ানা, পড়াশোনার ফাঁকে তাঁদের মনোযোগ আকর্ষণ করে," জানান ওই অ্যাপের প্রতিষ্ঠাতা রবীন্দ্রন (Byju Raveendran) । আর শিশুদের এই প্রবণতাকে কাজে লাগিয়েই ওই চরিত্রগুলির সাহায্যে তাঁদের পড়াশুনোর প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করাতে চায় শিক্ষাবিষয়ক বাইজুস অ্যাপ (Byju's app)।

একলা থাকা বয়স্ক মানুষদের ‘বন্ধু' হবে নতুন অ্যাপ, বিপদে আপদে থাকবে পাশে

২০১১ সালে তিনি থিংক এন্ড লার্নিং নামের সংস্থাটি শুরু করেছিলেন, আর ২০১৫ সালে সেটির মূল অ্যাপ্লিকেশন চালু (Byju's app) করেন বাইজু । তবে এই ব্যবসা শুরুর আগে  তিনি অনলাইনে পড়ানোর কাজ করতেন। ব্যবসা শুরুর পর সেটি ৩৫ মিলিয়ন লাভ করে যার মধ্যে প্রায় ২.৪ মিলিয়ন টাকা ওই অ্যাপ ব্যবহারকারীদের বার্ষিক ফি এর মাধ্যমে জোগাড় হয় । ১০০০০ থেকে ১২০০০ টাকা ফি দিতে হয় অ্যাপ ব্যবহারকারীদের, আর এর ফলেই ২০১৯ সালের মার্চ মাসের এটি বিপুল লাভ করে। বর্তমানে বাইজুর (Byju Raveendran) স্ত্রী এবং ভাইয়ের পাশাপাশি তাঁর বংশের বেশ কয়েকজন সদস্য কোম্পানির প্রায় ৩৫ শতাংশের অংশীদার ।