চলতি আর্থিকবর্ষে জিডিপি ছোঁবে ৪.৫%, পূর্বাভাস সরকারের

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত প্রায় ২৩ হাজার। শনিবার থেকে রবিবারের হিসেবে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ২৫ হাজার। মৃত প্রায় ২০ হাজার

চলতি আর্থিকবর্ষে জিডিপি ছোঁবে ৪.৫%, পূর্বাভাস সরকারের

সংক্রমণের বিচারে তিন নম্বরে ভারত।

নয়াদিল্লি: অর্থবিষয়ক কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ, চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি দাঁড়াবে ৪.৫% (India's GDP 4.5%)। এই পূর্বাভাস আইএমএফের দেওয়া। অর্থনীতির এই নিম্নগতি সাধারণত করোনা সংক্রমণ ও তার জেরে গৃহীত লকডাউনের (Amid Lockdown) প্রভাব। সোমবার দাবি করেছে সেই রিপোর্ট। যদিও আনলক ২.০-এর (Unlock 2.0) জন্য ধাপে ধাপে ব্যবসায়িক পরিসর বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিছুটা ছন্দে ফিরছে বাজার। তবে আগামিদিনে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ বেকারত্ব। এমনটাই দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে, সময়ের সঙ্গে ক্রমশ ফিকে হবে এই উদ্বেগ। এমনটাও জানান বিশেষজ্ঞরা।

দেখুন সেই ১০টি তথ্য:

  1. করোনা টীকা বাজারে আসেনি। ফলে সংক্রমণ হার ঊর্ধ্বমুখী। এই আশঙ্কায় ব্যবসা-বাণিজ্যে ধীর গতির প্রভাব পড়ছে অর্থনীতিতে। অর্থসম্বন্ধীয় ম্যাক্রো-ইকনমিক রিপোর্টে এমনটাই উল্লেখ।
     

  2.  করোনা পূর্ববর্তী সময়ে আর আনলকিং পর্বে আর্থিক বৃদ্ধির হারে তারতম্য রয়েছে। আগামি দিনেও সেই তারতম্য বজায় থাকবে। রিপোর্টে এমনটাও উল্লেখ।
     

  3.  যদিও করোনা সংক্রমণ সময়ে আর্থিক স্থিতি বজায়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে আরবিআই এবং অর্থ মন্ত্রক। রিপোর্টে উল্লেখ, এই দূরত্ব ব্যবস্থার জেরে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ রাখা গিয়েছে অর্থনীতির নিম্নগতি।
     

  4. মূলত আত্মনির্ভর ভারত গড়ার লক্ষে ঘোষিত আর্থিক প্যাকেজ অনুঘটকের কাজ করেছে। ধুঁকতে থাকা অর্থনীতিকে কিছুটা সবল করা গিয়েছে।
     

  5.  যে দু'মাস লকডাউন চলেছে, সে সময় বন্ধ ছিল ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। তাই ছিল না রাজস্ব আদায়ে গতি। এপ্রিল ও মে, এই দু'মাস সেভাবে জিএসটি আদায়ও গতি পায়নি।
     

  6. গত বছর ডিসেম্বর থেকে চলতি জুলাই পর্যন্ত বিশ্বত্রাসের নাম করোনা সংক্রমণ। চিনের উহান থেকে মহামারীর প্রকোপ নেওয়া এই ভাইরাস এখন বিশ্বত্রাস।
     

  7.  তবে, আনলক পর্বের পর থেকে ক্রমশ ঘুরছে আর্থিক বৃদ্ধির চাকা। যা আগামি দিনে বাজারের অনিশ্চয়তা দূর করবে।
     

  8.  বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলেছে এই করোনা সংক্রমণ। মে মাসে প্রায় ৩.১ বিলিয়ন ডলারের আমদানি-রফতানি প্রভাবিত হয়েছে।
     

  9. সংক্রমণের বিচারে রাশিয়াকে পিছনে ফেলে তিন নম্বর স্থানে ভারত। আগে শুধু ব্রাজিল আর ইউএস।
     

  10. এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত প্রায় ২৩ হাজার। শনিবার থেকে রবিবারের হিসেবে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ২৫ হাজার। মৃত প্রায় ২০ হাজার