গ্রাহক মুদ্রাস্ফীতি ডিসেম্বরে ৭.৩৫ শতাংশ, ২০১৪ জুলাই থেকে সবচেয়ে খারাপ

গ্রাহক মুদ্রাস্ফীতির হার ডিসেম্বরে ৭.৩৫ শতাংশ, ২০১৪-এর জুলাই থেকে এখনও পর্যন্ত এটি সর্বোচ্চ, সোমবার এমনটাই জানা গিয়েছে সরকারি তথ্যে

পরপর তিনমাস রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ৪ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার ওপরে মুদ্রাস্ফীতি

গ্রাহক মুদ্রাস্ফীতির (Consumer inflation) হার ডিসেম্বরে ৭.৩৫ শতাংশ, ২০১৪-এর জুলাই থেকে এটি সর্বোচ্চ, সোমবার এমনটাই জানাল সরকারি তথ্য। এরফলে, একসঙ্গে তৃতীয়মাসে গ্রাহক মুদ্রাস্ফীতি, বা খুচরো বিক্রির মূল্য (Consumer Prices) রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নির্ধারিত ৪ শতাংশ টার্গেটের ওপরে রইল, ফলে ঋণে সুদের হার কমার আশা প্রায় বিশ বাঁও জলে, পরিস্থিতিটি এমন একটা সময়ে তৈরি হয়েছে, যখন গত ৬ বছরে অর্থনীতির হাল সবচেয়ে খারাপ। নভেম্বরের ৫.৫৪ শতাংশের বেশি ছিল ডিসেম্বরে বার্ষিক খুচরো মুদ্রাস্ফীতি। খাদ্য সামগ্রির মূল্যবৃদ্ধির ফলে ডিসেম্বরে দ্রুত বেড়েছে মুদ্রাস্ফীতি। ডিসেম্বরে খাদ্যে-মুদ্রাস্ফীতি ১৪.১২ শতাংশ, গতমাসে যা ছিল ১০.০১ শতাংশ এবং ডিসেম্বর ২০১৮ তে তা ছিল অনেক কম ২.৬৫ শতাংশ।

ওয়েলথ ম্যানেজমেন্টের হেড অফ দ্য রিসার্স জোসেফ থমাস বলেন, “গ্রাহক মুদ্রাস্ফীতির হার ৭.৫ শতাংশ হওয়া, সর্বোচ্চসীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সর্বোচ্চ সীমা ৬ শতাংশ, এর ওপর পুরোপুরি প্রভাব পড়েছে খাদ্য সামগ্রির মূল্য। যেহেতু ফল এবং সব্জি খুব কম সময়েই উৎপাদন হয়, ফলে এগুলোর মূল্য কমতে পারে, তবে ডালের দাম একই থাকতে পারে আরও কিছুটা সময়”।

তিনি বলেন, “আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই হার বাড়াবে না রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, এমনকী, সুদের হার কমাতেও পারবে না। যেখানে কম রাজস্বের বিপরীত প্রভাব পড়তে পারে এর ওপর, কম সময়ে চিন্তা বাড়াতে পারে মুদ্রাস্ফীতি”।

ঋণ নীত তৈরির সময় মুদ্রাস্ফীতির দিকে নজর রাখে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, ২০১৯ সালে তারা রেপো রেট ১৩৫ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে ৫.১৫ শতাংশ করেছে। শেষবার ডিসেম্বরে দ্বিমাসিক নীতিতে মুদ্রাস্ফীতিক দিকে লক্ষ্য রেখে তারা সুদের হার অপরিবর্তিত রেখেছে।

সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ত্রৈমাসিকে ভারতের জিডিপি ৪.৫ শতাংশ,যা গত ৬ বছরে সর্বনিম্ন। চাহিদা কমেছে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্র দূ্র্বল হয়ে পড়ায় কর্মহারা বহু মানুষ।

Listen to the latest songs, only on JioSaavn.com