Budget 2020: নির্বাচনে বড় জয়ের পাল্টা উপহার বাজেটেই দিতে চলেছে মোদি সরকার?

Union Budget: সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতির হাল খারাপ, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন দেশের অর্থনীতিকে গতি দিতে পারবেন?

Budget 2020: নির্বাচনে বড় জয়ের পাল্টা উপহার বাজেটেই দিতে চলেছে মোদি সরকার?

Budget: ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করতে চলেছেন নির্মলা সীতারামন

হাইলাইটস

  • আগামী ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করতে চলেছেন নির্মলা সীতারামন
  • দেশের দ্বিতীয় মহিলা অর্থমন্ত্রী হিসাবে ওই বাজেট পেশ করবেন তিনি
  • আসন্ন বাজেটে আয়করের পরিমাণ কমানো হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে
নয়া দিল্লি: আর মাত্র কয়েকটা দিন। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি এই বছরের কেন্দ্রীয় বাজেট (Budget 2020) পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থনীতি নির্মলা সীতারামন। ২০১৯ সালেই ফের একবার বিপুল ভোটে জয়ী করে মোদি সরকারকে (PM Modi) ফিরিয়ে এনেছে দেশের জনতা। এবার তাই আসন্ন বাজেটে (Union Budget) সাধারণ মানুষের মন জিতে ওই বিরাট জয়ের প্রতি উপহার ফিরিয়ে দিতে চাইবেন মোদি মন্ত্রিসভার অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman) , এমনটাই মনে করছেন অনেকে। স্বভাবতই আসন্ন বাজেট (Budget) ঘিরে বাড়ছে প্রত্যাশার পারদ। সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতির হাল খারাপ। গাড়ি শিল্প সহ দেশের বিভিন্ন শিল্পে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত ২৯ টি সংস্থা জানিয়েছে তাদের মোট আয়ের বৃদ্ধি আরও কমে গেছে, গত বছর যেখানে লাভের পরিমাণ ৮% ছিল সেখানে বর্তমানে তা কমে মাত্র ৭% হয়েছে। পাশাপাশি সামগ্রিক লাভের পরিমাণও ১.৩% হ্রাস পেয়েছে। এদিকে গ্রাহক মুদ্রাস্ফীতির হার গত সাড়ে ছয় বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম হয়ে সর্বনিম্ন ৪.৫%-এ এসে দাঁড়িয়েছে। এর থেকে ঘুরে দাঁড়াতে কেন্দ্রীয় সরকার বিনিয়োগ বাড়ানোর উপর জোর দিচ্ছে। কিন্তু তার জন্যে দেশের কর আদায়ের (Income Tax) পরিমাণ আরও বাড়াতে হবে। তাই মোদি সরকারের সামনে এখন দুটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে, একটি হল ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি এবং সামগ্রিক বৃদ্ধি হ্রাস থেকে ঘুরে দাঁড়ানো।

দেখুন এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৬ টি তথ্য:

  1. ২০২০ সালের বাজেট এমন একটি সময়ে পেশ হতে চলেছে যখন অর্থনীতি মন্দার দিকে এগোচ্ছে এবং নতুন চাকরির সম্ভাবনাও খুবই কম দেখা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই কয়েক হাজার মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। অনেক সেক্টরের অবস্থা ভাল নেই।
     

  2. সরকারের নিজস্ব পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৯-২০ অর্থবছরে জিডিপি প্রায় পাঁচ শতাংশ ছিল।  গত ১১ বছরে সর্বনিম্ন বৃদ্ধির হার এটি। তাই অর্থমন্ত্রীকে অর্থনীতির গতি বাড়ানোর জন্য আরও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।
     

  3. অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করেন যে আরবিআইয়ের মুদ্রানীতিতে শিথিলতার ফলে সাময়িক স্বস্তি পাওয়া মোদি সরকার অর্থনীতির গতি বাড়ানোর জন্য অনেক বড় আর্থিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।
     

  4. সরকার ২০২৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছনোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এদিকে প্রতি বছর ১.২ কোটি যুবক চাকরির অপেক্ষায় চাকরিপ্রার্থীর তালিকাকে দীর্ঘ করছে। তাই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে দেশের সামগ্রিক বৃদ্ধির হারকে ৮ শতাংশে পৌঁছতেই হবে।
     

  5. সরকারও গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে। যার মধ্যে কর্পোরেট কর কমানোর মতো পদক্ষেপ যেমন আছে তেমনি আছে দেশের পরিকাঠামো গত উন্নয়নের লক্ষ্যে ১০২ লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্প ঘোষণা।
     

  6. কর্পোরেট ক্ষেত্রে করের পরিমাণ কমানোর পরে, অনুমান করা হচ্ছে যে সরকার আয়কর কমানোর কথাও ঘোষণা করতে পারে।



Listen to the latest songs, only on JioSaavn.com