জলপাইগুড়িতে ছেলেধরা সন্দেহে মহিলা-সহ আটক চার

একদিন আগে পাশের একটি গ্রামেও প্রায়  এমনই একটা ঘটনা  ঘটেছিল। ছেলেধরা সন্দেহে গ্রামবাসীদের হাতে  চার মহিলাকে হেনস্থা হতে হয়েছিল বলে অভিযোগ।                

জলপাইগুড়িতে ছেলেধরা সন্দেহে মহিলা-সহ আটক চার

ছেলেধরা সন্দেহে এক মহিলা-সহ চার জনকে আটক করল পুলিশ

জলপাইগুড়ি:

ছেলেধরা সন্দেহে এক মহিলা-সহ চার জনকে আটক করল পুলিশ। জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি ব্লকের  পশ্চিম সালবাড়ি গ্রামে মঙ্গলবার এই ঘটনাটি ঘটেছে। একদিন আগে পাশের একটি গ্রামেও প্রায়  এমনই একটা ঘটনা  ঘটেছিল। ছেলেধরা সন্দেহে গ্রামবাসীদের হাতে  চার মহিলাকে হেনস্থা হতে হয়েছিল বলে অভিযোগ।                     

পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন আটক হওয়া চার জনের মধ্যে শুধু মহিলাই  সালবাড়ি গ্রামের  বাসিন্দা। বাকিরা  অসমের লোক।  কয়েকদিন আগে গ্রামে এসে তারা মহিলার বাড়িতে থাকতে শুরু করে ।  কিন্তু ঠিক কী কারণে তারা এসেছে তা স্পষ্ট হয়নি গ্রামবাসীদের কাছে। শুধু তাই নয় বহিরাগতদের কথাবার্তাতেও নানা রকম অসঙ্গতি খুঁজে পান স্থানীয়রা। তাদের সন্দেহ হয়, গ্রাম থেকে শিশু চুরি করে নিয়ে যেতেই বাইরের লোক এসছে। এরপর মহিলার বাড়ি ঘেরাও করে রাখে গ্রামবাসীরা। ভেতরে  আটকে পড়ে মহিলা সহ  চার জন।  খবর দেওয়া হয় পুলিশে। ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।  ওই চার জনকে আপাতত জেরা করা হচ্ছে। কেন তারা গ্রামে এসেছে তা জানার কাজ শুরু করেছেন তদন্তকারীরা।  তবে অন্য ঘটনাগুলির মতো এক্ষেত্রে মারধরের মতো  কোনও কিছু হয়নি বলেই জানিয়েছেন জেলার পুলিশ সুপার অমিতাভ মাইতি।

একদিন আগে এখানেই ছেলেধরা সন্দেহে চার মহিলাকে মারধর করা হয়। এমনকী উত্তেজিত জনতা দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে দেয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানতে পেরেছে হেনস্থার শিকার এই চার জন, নিউ জলপাইগুড়ি এলাকার বাসিন্দা। এর আগে তাদের বিরুদ্ধে কয়েকটি অপরাধে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছিল।কিন্তু এবার তারা কোনও গোলমাল পাকিয়েছে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।    

 শুধু  এই দুটি ঘটনা নয় সপ্তাহ খানেক আগে মারের মুখে পড়তে হয়েছিল এক মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাকেও। গোটে দেশ জুড়েই চলছে এরকম নানা  ঘটনা।  উত্তাল হচ্ছে সংসদ। এসব বিবেচনা করে কড়া আইন করার সুপারিশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে এখনই তেমন কিছু করার ভাবনা নেই কেন্দ্রীয় সরকারের।

 



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদিত করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে.)