This Article is From Jan 22, 2020

দার্জিলিংয়ে সিএএ-এনআরসি বিরোধী মিছিলে হাঁটলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

গত মাস থেকে কলকাতা সহ রাজ্যে এনআরসি-সিএএ বিরোধী আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার দার্জিলিংয়ে মুখ্যমন্ত্রী হাঁটলেন প্রতিবাদ মিছিলে।

দার্জিলিংয়ে সিএএ-এনআরসি বিরোধী মিছিলে হাঁটলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সিএএ-এনআরসি বিরোধী মিছিলে যোগ দিতে দার্জিলিংয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

হাইলাইটস

  • দার্জিলিংয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিবাদ মিছিলে হাঁটলেন
  • উত্তরবঙ্গ সফরে এদিন মমতার তৃতীয় দিন
  • গত মাস থেকে মমতা শুরু করেছেন সিএএ-আরসি বিরোধী আন্দোলন

উত্তরবঙ্গ সফরের (North Bengal Visit) তৃতীয় দিনে সিএএ, এনআরসি ও এনপিআর-এর প্রতিবাদে (Protest Against CAA-NRC-NPR) দার্জিলিংয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) হাঁটলেন প্রতিবাদ মিছিলে। সোমবার রাতে তিনি উত্তরবঙ্গে এসেছেন। গত মাস থেকে কলকাতা সহ রাজ্যে এনআরসি-সিএএ বিরোধী আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন মমতা। বুধবার সকালে মহাকাল মন্দিরে পুজো দেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর যোগ দেন প্রতিবাদ মিছিলে। প্রথম থেকেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি রাজ্যে এনআরসি-সিএএ-এনআরপি কোনওটাই হতে দেবেন না। আগামী ২৭ জানুয়ারি দুপুর দু'টোর সময় রাজ্যের বিধানসভায় একটি বিশেষ অধিবেশনে সিএএ বিরোধী প্রস্তাব পেশ করবে তৃণমূল কংগ্রেস। তিনি আবেদন জানিয়েছেন, ২৭ জানুয়ারি সিএএ বাতিলের প্রস্তাবকে যেন সমর্থন করে কংগ্রেস ও সিপি(আই)এম।

প্রসঙ্গত, পঞ্জাবের বিধানসভাতেও সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বাতিলের প্রস্তাব পাস হয়েছে। কেরলের পর দ্বিতীয় রাজ্য হিসেবে এই আইন তাদের রাজ্যে কার্যকর না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এবার পশ্চিমবঙ্গ দেশের তৃতীয় রাজ্য হিসেবে এই পদক্ষেপ করতে চলেছে।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গে জনসংখ্যা নিবন্ধীকরণ তথা এনপিআরের কাজ আগেই বন্ধ করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রতিবেশী রাজ্যগুলিকেও এনপিআরের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে কয়েক দিন আগেই তিনি বলেন, এনপিআরের নামে আসলে "এক মারাত্মক খেলা" চলছে দেশ জুড়ে। এর আগে মমতা এমন দাবিও করেছেন যে, এনপিআর আসলে এনআরসি-র প্রথম ধাপ।

এনপিআরের ফর্মে যে জায়গায় কোনও ব্যক্তির বাবা-মায়ের জন্ম সংক্রান্ত বিবরণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে তা বাধ্যতামূলক নয়, এই কথা সংবাদমাধ্যম মারফত জানতে পেরেছেন তিনি, এমনটাই দাবি করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছেন,"যদি এই ক্ষেত্রগুলো বাধ্যতামূলক না-ই হয় তবে সেগুলি ফর্মের একটি অংশে রয়েছে কেন? এই প্রশ্নগুলো তো আগে বাদ দেওয়া উচিত। যদি ওঁরা এখন নতুন করে ফর্ম প্রকাশ করে তাহলে সেই ফর্ম থেকে বাবা-মায়ের জন্মের বিবরণ সংক্রান্ত বিষয়গুলি বাদ দেওয়া উচিত। আর যদি ওঁরা তা না করে তাহলে বুঝতে হবে এর পিছনে অন্য কারণ আছে, তাই এই বিষয়টি নিয়ে মানুষ ভয় পেতেই পারেন।"

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনে আফগানিস্তান, পাকিস্তান, বাংলাদেশ থেকে ২০১৫ সালের আগে আগত অমুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সমালোচকদের মতে, এই আইন বৈষম্যমূলক এবং সংবিধানে বর্ণিত দেশের ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তির পরিপন্থী।