This Article is From May 31, 2019

স্বজনহারাদের চোখে চোখ রাখতে পারবেন না বলেই শপথে এলেন না মমতাঃ দিলীপ

দিলীপের কথায়, ‘তৃণমূল কর্মীদের হাতে খুন হওয়া বিজেপি কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের চোখে চোখ রাখার সাহস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেই।

স্বজনহারাদের চোখে চোখ রাখতে পারবেন না বলেই শপথে এলেন না মমতাঃ দিলীপ

সংবাদমাধ্যমে প্রশ্নের উত্তর দিতেও ভয় পান মমতা দাবি দিলীপের।

কলকাতা:

রাজ্যের রাজনৈতিক সংঘর্ষের (Political Violence)  ঘটনায় তৃণমূলকে ‘অকারণে অভিযুক্ত করায়' প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে (PM Modi Swearing In Ceremony) এড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার এই নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনায় সরব হলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Bengal BJP Chief Dilip Ghosh)। মেদিনীপুরের (Midnapore Loksabha Constituency) সদ্য নির্বাচিত সাংসদ মনে করেন,  মমতা তৃণমূলের হাতে খুন হওয়া বিজেপি কর্মীদের পরিবারের সঙ্গে চোখে চোখ রাখতে   পারবেন না। সেই সাহস তাঁর নেই তাই মমতা শপথ গ্রহণ (Swearing in Ceremony) অনুষ্ঠানে যাননি। দিলীপের কথায়, ‘তৃণমূল কর্মীদের হাতে খুন হওয়া বিজেপি কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের চোখে চোখ রাখার সাহস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেই। সংবাদমাধ্যমে প্রশ্নের উত্তর দিতেও ভয় পান মমতা। সেই কারণেই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলেন না। 

দ্বিতীয় বার প্রধানমন্ত্রীর পদে শপথ নিলেন মোদী, মন্ত্রিসভায় যোগ দিলেন অমিত

একই কারণে মমতার সমালোচনায় সরব হয়েছে  শিবসেনা। এনডিএ-র এই শরিক দলের মুখপত্র সামনার সম্পাদকীয়তে লেখা  হয়েছে, নরেন্দ্র মোদী যদি আবারও প্রধানমন্ত্রী হন তাহলে দেশের গণতন্ত্র বিপদের মুখে পড়বে। বিরোধীরা এমনই কথা বলত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁর মধ্যে একজন। কিন্তু মোদী গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এবং সংবিধান সাংবিধানিক রীতিনীতি মেনে শপথ গ্রহণ করছেন। মমতা সেই অনুষ্ঠানে থাকবেন না বলেছেন। আমন্ত্রণ ফিরিয়ে দিয়েছেন। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে নির্বাচনে সন্ত্রাস হয়েছিল। আর তাই নির্বাচনী সন্ত্রাসে যাঁদের মৃত্যু হয়েছে তাঁদের পরিবারকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে বলে কোনও অনুষ্ঠান বয়কট করার যুক্তি থাকতে পারে না। এরা সকলেই ভারতীয় বাংলাদেশী নন কেউ। তাই ভারতের প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার অধিকার অন্যদের মতো এঁদেরও আছে।