"নির্ভয়ার দোষীদের নিজের হাতে ফাঁসি দিতে চাই": নিজের রক্তে অমিত শাহকে চিঠি আন্তর্জাতিক শ্যুটারের

বর্তিকা সিং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে দাবি জানিয়েছেন যে নির্ভয়াকাণ্ডে চারজন দোষীর ফাঁসি হোক কোনও মহিলার দ্বারাই। তিনি নিজে হাতে চারজনকে ফাঁসি দিতে চান।

নিজের রক্ত দিয়ে বর্তিকা সিং চিঠি লিখেছেন অমিত শাহকে

হাইলাইটস

  • আন্তর্জাতিক শ্যুটার বর্তিকা সিং
  • নিজে হাতে ফাঁসি দিতে চান বর্তিকা সিং
  • নিজের রক্তে চিঠি লিখেছেন বর্তিকা
লখনউ:

নির্ভয়া কাণ্ডের (Nirbhaya Case) দোষীদের ফাঁসির দাবি বাড়ছে দেশজুড়েই। দিল্লির মহিলা কমিশনের সভাপতি স্বাতী মালিওয়ালও নির্ভয়ার দোষীদের ফাঁসি এবং ধর্ষণের মামলার দোষীদের ৬ মাসের মাথায় ফাঁসির দাবিতে অনির্দিষ্টকালের অনশনে বসেন। তিনি অচৈতন্য হয়ে পড়লে তাকে তড়িঘড়ি হাসপাতালেও নিয়ে যাওয়া হয়। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক শ্যুটার বর্তিকা সিং (Vartika Singh) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) একটি বিশেষ দাবি জানিয়ে চিঠি লিখেছেন। নিজের রক্ত দিয়ে তিনি চিঠি লিখেছেন অমিত শাহকে।

আইনের মারপ্যাঁচে সাজা থেকে বাঁচার চেষ্টা করছে দোষী, সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপের আবেদন নির্ভয়ার মায়ের

বর্তিকা সিং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে দাবি জানিয়েছেন যে নির্ভয়াকাণ্ডে চারজন দোষীর ফাঁসি হোক কোনও মহিলার দ্বারাই। তিনি নিজে হাতে চারজনকে ফাঁসি দিতে চান। তিনি আরও জানান, এতে এই দেশে একটি বার্তা পৌঁছবে যে মহিলারাও ফাঁসি দিতে পারেন। বর্তিকা আশাবাদী যে এতে সমাজে পরিবর্তন আসবে এবং মহিলাদের উপরে বাড়তে থাকা অপরাধেও লাগাম টানা যাবে। বর্তিকার দাবি সমস্ত অভিনেত্রী এবং মহিলা সাংসদরা তার সমর্থনে এগিয়ে আসুন।

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে নির্ভয়াকাণ্ডের সাজাপ্রাপ্তের আবেদনের শুনানি

নির্ভয়া গণধর্ষণ-খুনের মামলায় চারজন দোষী পবন, মুকেশ, অক্ষয় এবং বিনয়ের ফাঁসি দেওয়ার বিষয়ে ১৮ ডিসেম্বর দিল্লি হাইকোর্টে শুনানি দেবে। নির্ভয়ার মা জানান, ফাঁসি থেকে বাঁচতে ওই চারজন আসামী সমস্ত চেষ্টাই করছে। মায়ের আশা ১৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট অন্তিম রায় জানাবে এবং মৃত্যুদণ্ডও তাড়াতাড়িই দেওয়া হবে।

ফাঁসির ভয়ে ইতিমধ্যেই নাওয়া খাওয়া ভুলেছেন ৪ সাজাপ্রাপ্ত আসামী। তাদের সমস্ত গতিবিধির উপরেই নজর রাখা হচ্ছে। জেলের আধিকারিকরাও তাদের সঙ্গে কথা বলছেন। দিনে দু'বার তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। তিহার জেলে গত কয়েক দিন ধরেই ফাঁসির মহড়াও চলছে। আপাতত আইনি প্রক্রিয়ার কারণে তা বন্ধ রাখা হয়েছে।

More News