হোলির পরে রাম মন্দির নির্মাণের দিন ঘোষণা, ওই তারিখেই ভূমি পুজো

Ayodhya: রাম মন্দির নির্মাণের লক্ষ্যে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট নামে একটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে, নির্মাণের প্রস্তুতি তুঙ্গে

হোলির পরে রাম মন্দির নির্মাণের দিন ঘোষণা, ওই তারিখেই ভূমি পুজো

Ram Mandir: অযোধ্যায় ভগবান রামের একটি দুর্দান্ত মন্দির তৈরির প্রস্তুতি তুঙ্গে (ফাইল চিত্র)

হাইলাইটস

  • অযোধ্যায় বিরাট রাম মন্দির তৈরির প্রস্তুতি তুঙ্গে
  • হোলির পরেই মন্দির নির্মাণের তারিখ নির্ধারণ করা হবে
  • মন্দির নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ট্রাস্টের প্রধান হলেন নৃপেন্দ্র মিশ্র
অযোধ্যা:

দোলের (Holi 2020) পরেই পুরোদমে শুরু হবে অযোধ্যায় (Ayodhya) রাম মন্দির নির্মাণের তৎপরতা। ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী এই মন্দির (Ram Temple) নির্মাণে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট নামে একটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে। এই ট্রাস্টে মোট ১৫ জন সদস্য রয়েছেন। সাধু-সন্তগণ ছাড়াও অনেক সম্মানিত নাগরিক এবং আমলাও এর সদস্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রাক্তন প্রধান সচিব নৃপেন্দ্র মিশ্রকে ট্রাস্টের প্রধান করা হয়েছে। ট্রাস্টের গঠনের পর তার সদস্যরা রাম মন্দির নির্মাণ এবং এর নকশা সম্পর্কে আলোচনা করতে বেশ কয়েকটি বৈঠকও করেছেন। মনে করা হচ্ছে আসন্ন হোলি উৎসবের পরেই এই মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হবে।

অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ট্রাস্টের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় মোদি ঘনিষ্ঠ!

শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের প্রধান নৃপেন্দ্র মিশ্র জানিয়েছেন, ট্রাস্টের পরবর্তী বৈঠকে রাম মন্দির নির্মাণ শুরু করার তারিখ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, "অযোধ্যাতে একটি বিরাট রাম মন্দির তৈরি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে স্বপ্ন দেখেছেন, মনে করা হচ্ছে তাঁর সেই স্বপ্ন আসন্ন নবরাত্রির আগেই পূরণ করা সম্ভব হবে।" তিনি আরও জানান, হোলির পরেই রাম মন্দির নির্মাণ সংক্রান্ত দিনক্ষণ চূড়ান্ত করার জন্য একটি বৈঠক ডাকা হবে। রাম মন্দির নির্মাণের লক্ষ্যে ভূমি পুজোর জন্যে দুটি তারিখের কথা বিবেচনা করা হচ্ছে বলে খবর। প্রথম তারিখটি হল 'রাম নবমী' (২ এপ্রিল) এবং দ্বিতীয় তারিখটি  হল 'অক্ষয় তৃতীয়া' (২৬ এপ্রিল)। এই দুটি তারিখের মধ্যে যে কোনও একটি দিনে রাম মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

অযোধ্যায় রামমন্দির ভবন থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে মসজিদের জমি

১৯৬৭ সালের ব্যাচের অবসরপ্রাপ্ত আইএএস আধিকারিক তথা মোদি ঘনিষ্ঠ নৃপেন্দ্র মিশ্র শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের প্রধান হওয়ার পরে গত শুক্রবার প্রথমবার লখনউ যান। সেখানে গিয়ে তিনি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে একটি বৈঠক করেন যেখানে মন্দির নির্মাণ নিয়ে আলোচনা হয়।

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পরিচালনায় প্রতিষ্ঠিত রাম জন্মভূমি ন্যাসের কার্যনির্বাহী সভাপতি রাম বিলাস বেদান্তী রাম মন্দির সম্পর্কে বলেন, "রাম মন্দির বিশ্বের বৃহত্তম মন্দির এবং একটি আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে উঠবে, তাই রাম জন্মভূমি ও তার গোটা এলাকার জন্যে  ৬৭ একর জমিও কম হতে পারে। এমনও হতে পারে যে সরকার গঠিত ট্রাস্টকে এই বিশাল মন্দির নির্মাণের জন্যে এই কমপ্লেক্সের চারপাশের জমিও অধিগ্রহণ করতে হবে"।