This Article is From Apr 08, 2019

পুরুষ সাপের গলায় ট্রান্সমিটার বেঁধে বিশাল স্ত্রী অজগর উদ্ধার, পেটে মিলল ৭৩ টা ডিম!

গবেষকেরা এই স্ত্রী সাপটিকে খুঁজে পেতে ব্যবহার করেছিলেন আশেপাশের পুরুষ সাপদের! পুরুষ সাপেদের গলায় রেডিও ট্রান্সমিটার পরিয়ে দিতেন তাঁরা।

পুরুষ সাপের গলায় ট্রান্সমিটার বেঁধে বিশাল স্ত্রী অজগর উদ্ধার, পেটে মিলল ৭৩ টা ডিম!

প্রায় একতলা বাড়ির থেকেও বেশি লম্বা ১৭-ফুট দীর্ঘ (৫.২ মিটার) এই স্ত্রী সাপটির ওজন ৬৪ কিলোগ্রাম

মায়ামি; মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:

এ যাবত যত অজগর ধরা পড়েছে, সবার মধ্যে সবথেকে বড়টা বোধহয় ধরে ফেলেছেন ফ্লোরিডার গবেষকরা। প্রায় একতলা বাড়ির থেকেও বেশি লম্বা ১৭-ফুট দীর্ঘ (৫.২ মিটার) এই স্ত্রী সাপটি নির্বিঘ্নে যে আস্ত হরিণ গলে খেতে পারে তা সহজেই অনুমেয়। সাপটির ওজন ১৪০ পাউন্ড (৬৪ কিলোগ্রাম)। বিগ সাইপ্রেস জাতীয় সংরক্ষণের (Big Cypress National Preserve) ফেসবুক পেজের একটি পোস্ট অনুসারে, এটিই দক্ষিণ ফ্লোরিডাতে ধরা ধরা সবচেয়ে বড় অজগর।

সূত্রের খবর, গবেষকেরা এই স্ত্রী সাপটিকে খুঁজে পেতে ব্যবহার করেছিলেন আশেপাশের পুরুষ সাপদের! পুরুষ সাপেদের গলায় রেডিও ট্রান্সমিটার পরিয়ে দিতেন তাঁরা। স্ত্রী সাপের সঙ্গে সঙ্গমের কালে বিশাল সরীসৃপদের স্থানটি ট্র্যাক করতেন তাঁরা এবং প্রজনন সক্ষম স্ত্রী সাপদের সনাক্ত করতেন। 

গণ্ডার মারতে আসা শিকারীকে পিষে দিল হাতি, মৃতদেহ নিয়ে সিংহের ভুরিভোজ!

গবেষকেরা জানিয়েছেন, ১৭ ফুটের ওই সাপের দেহে তাঁরা ৭৩ টি ডিম পেয়েছেন। গবেষকরা বলেন, এই সরীসৃপের ফ্লোরিডায় কোনও প্রাকৃতিক শিকারী নেই এবং তারা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা অন্য বন্যপ্রাণীদের কাছে বেশ আশঙ্কার বিষয়। এই সাপগুলি স্থানীয় বন্যপ্রাণীদের হ্রাস করতে পারে, খরগোশ, পাখি এবং ছোট প্রাণিদের হত্যা করে এবং প্রাপ্তবয়স্ক হরিণের মতো বড় প্রাণিও খেতে পারে। বার্মিজ পাইথন (Burmese python) আক্রমণাত্মক প্রজাতির, এই তল্লাটে প্রথম ১৯৮০- এর দশকে এঁদের দেখা যায়।

দক্ষিণ ফ্লোরিডাতে এখন ৩০,০০০ থেকে ৩০০,০০০ অজগর রয়েছে। ফ্লোরিডা মাছ এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কমিশন (The Florida Fish and Wildlife Conservation Commission) সরীসৃপদের শিকার করাও স্পনসর করছেন বাধ্য হয়ে। কিন্তু এ ধরনের প্রচেষ্টাও সাপদের বিস্তার হ্রাসে ব্যর্থ হয়েছে।

 প্রাগৈতিকহাসিক তিমিরা কি চারপায়ে হেঁটে বেড়াত ভারত-পাকিস্তানে? আজব জীবাশ্ম উদ্ধার!

অন্যান্য উদ্ভূত ধারনাগুলির মধ্যে রয়েছে: সাপ মারতে পারা অস্ট্রেলিয়ান টেরিয়ার কুকুর নিয়ে আসা, পাখিদের রক্ষা করার জন্য গাছগুলির চারপাশে বাঁকানো তারের বেড়া দেওয়া, অথবা ইনফ্রারেড সেন্সর লাগানো ড্রোন ব্যবহার করে পর্যবেক্ষণ করা। আরেকটি উপায় হল, মঙ্গুজ বা নেউল নিয়ে আসা যা এশিয়াতে কোবরা মারার জন্য বিখ্যাত ছিল - ফোর্ট লৌডারডেলের ভিক্টোরিয়া ওলসন এই প্রাণিটি নিয়ে এসেছিলেন।

পাইথন বা অজগরেরা সাধারণত বুদ্ধিমান হিসাবে পরিচিত হয় না। এর আগে দেখা গেছে, অনেক অজগর ডিম ভেবে গল্ফ বল গিলে মরে গিয়েছে সাপেরা। সাপের বংশবিস্তার রুখতে শয়ে শয়ে জাল ডিম স্থাপন করার পরামর্শও দেন অনেকে।



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদনা করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে।)
.