হোয়াইট হাউজের সামনে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি, বিক্ষোভ থামাতে কাঁদানে গ্যাস

শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাতে জর্জ ফ্লয়েড নামের কৃষ্ণাঙ্গ যুবকের নির্মম হত্যার প্রতিবাদে হোয়াইট হাউজের সামনে পুলিশ এবং বিক্ষোভকারীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ

হোয়াইট হাউজের সামনে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি, বিক্ষোভ থামাতে কাঁদানে গ্যাস

US Protest: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর থেকে টানা ৬দিন ধরে বিক্ষোভ চলছে

হাইলাইটস

  • হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ
  • পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ছোঁড়া হল কাঁদানে গ্যাস
  • ওয়াশিংটনে জারি করা হয়েছে কারফিউ
ওয়াশিংটন:

লাগাতার বিক্ষোভ-আন্দোলনে রীতিমতো যেন আগুন (US Protest) জ্বলছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। সেদেশে কিছুদিন আগেই শ্বেতাঙ্গ পুলিশের অত্যাচারে মারা যান কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েড। তাঁর (George Floyd) মৃত্যুর পর গত ৬ দিন ধরে একটানা বিক্ষোভ চলছে। রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) বাসভবন হোয়াইট হাউজের (White House) সামনে বিপুল সংখ্যক বিক্ষোভকারী জড়ো হয়েছিল। তখন তাঁদের থামানোর চেষ্টা করে পুলিশ। সেই সময়েই বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের রীতিমতো সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতিকে আয়ত্তে আনতে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্য়াশের শেল এবং ফ্ল্যাশ ব্যাং ডিভাইস ব্যবহার করে আমেরিকার পুলিশ। হোয়াইট হাউজের সামনে এই সহিংসতার পরিবেশ দেখে চমকে গেছে গোটা বিশ্ব। জানা গেছে, বিক্ষোভকারীরা হোয়াইট হাউজের সামনে জড়ো হয়ে ব্যানার ও পোস্টার নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন।

হোয়াইট হাউসকে ঘিরে বিক্ষোভ চলার সময় মাটির তলায় লুকোলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

জানা গেছে, পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীনই কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যু হয়, আর তারপর থেকেই ওই ঘটনার বিরুদ্ধে ক্রমাগত মানুষের ক্ষোভ দানা বাঁধছে। শুক্রবারই ওই যুবকের হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভের সময় মিনেসোটা, নিউইয়র্ক এবং আটলান্টায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। লস অ্যাঞ্জেলস থেকে শুরু করে নিউইয়র্কে শুরুর দিকে বিক্ষোভকারীরা শান্তিপূর্ণভাবেই নিজেদের দাবি তুলে ধরছিলেন। কিন্তু পরের পরিস্থিতি ঘোরালো হয়, সিএনএন-এর প্রধান কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি পুলিশের গাড়িতেও অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষোভকারীরা। 

গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বড় লাফ, নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ৮,৩৯২ জন

রবিবার মার্কিন পুলিশের বর্বরতার বিরুদ্ধে যখন বিক্ষোভকারীরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন তখনও অবস্থা বেগতিক দেখে ওয়াশিংটনে কারফিউ জারি করা হয়।

মিনেসোটার ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক সেফটির কমিশনার জন হ্যারিংটন বলেন, গত সোমবার (২৫ মে) হ্যান্ডকাফ পরা  ফ্লয়েডের ঘাড়ে হাঁটু দিয়ে কমপক্ষে পাঁচ মিনিট চেপে ধরে থাকেন ডেরেক শভিন নামের শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তা। ওই কৃষ্ণাঙ্গকে পুলিশ যে অত্যাচার করেছে তা পথচারীরা মোবাইল ফোনে রেকর্ড করেন। সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হলে জনগণ বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।