This Article is From Dec 26, 2019

ভাঙচুরের দায় কার? ভিডিওর দাবি ঘিরে এবার ইউপি বনাম এমপি পুলিশ

এ বিষয়ে মধ্যেপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বালা বচ্চন বলেছেন, পুরো ঘটনা না জেনে তিনি কোনও মন্তব্য করবেন না।

ভাঙচুরের দায় কার? ভিডিওর দাবি ঘিরে এবার ইউপি বনাম এমপি পুলিশ

অমিত সিং বলেন, “আমরা দেশব্যাপী চলা প্রবল আন্দোলনের মধ্যেও ২০ ডিসেম্বর জব্বলপুরে সে কাজটা দক্ষতার সঙ্গে করেছি”

ভোপাল:

সিএএ বিরোধী আন্দোলনে এবার উত্তর প্রদেশ (ইউপি) বনাম মধ্যপ্রদেশ (এমপি) পুলিশ। বৃহস্পতিবার উত্তর প্রদেশ পুলিশ টুইট করে একটা ভিডিও পোস্ট করেছে। যে ভিডিওতে দেখা গেছে, উর্দি গায়ে গাড়ি ভাঙছে খোদ পুলিশ। সেই ঘটনা উত্তর প্রদেশের না, বরং মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরের ঘটনা বলে সেই টুইটে সরব হয়েছে ইউপি পুলিশ। যার উত্তর সঙ্গে সঙ্গেই দিয়েছে এমপি পুলিশও। জব্বলপুর পুলিশের প্রধান অমিত সিং এনডিটিভিকে বলেছেন, ইউপি পুলিশের এই দাবি সত্যি হলে আমরা কড়া ব্যবস্থা নেবো। যদিও এই ঘটনা আদৌ সত্যি কিনা, প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

তিনি যোগ করেন, "এই ঘটনায় আমাদের একজন পুলিশকর্মীও দায়ী থাকলে ব্যবস্থা নেবো। আমরা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার পদমর্যাদার এক পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। যারা টুইটার থেকে সংগৃহীত ওই ভিডিও খতিয়ে দেখবে। সবার আগে ওই ভিডিও সঠিক কিনা দেখা হবে। যদি কেউ সম্পত্তি ক্ষতির অভিযোগ করে, তাহলে আমরা তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবো।" এমনকী উত্তর প্রদেশ পুলিশকে আরও তোপ দেগে এই পুলিশকর্তা বলেছেন, সে রাজ্যের পুলিশ কেন এটা জব্বলপুরের ঘটনা বলে চালাতে চাইছে? ওরা বলতে পারতো এটা উত্তর প্রদেশের ঘটনা না। তাহলে ফুরিয়ে যেত। এমপি বা দেশের কোনো জায়গার হতেই  পারতো।আমাদের কাজ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা। আমরা দেশব্যাপী চলা প্রবল আন্দোলনের মধ্যেও ২০ ডিসেম্বর জব্বলপুরে সে কাজটা দক্ষতার সঙ্গে করেছি। এ বিষয়ে মধ্যেপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বালা বচ্চন বলেছেন, পুরো ঘটনা না জেনে তিনি কোনও মন্তব্য করবেন না। 
এদিকে মধ্যপ্রদেশ বিজেপির মুখপাত্র রাহুল কোঠারি বলেন, "ইউপি পুলিশের টুইটের পরেই কমল নাথ সরকারের উচিত ছিল বিষয়টা স্পষ্ট করা। বহুদিন ধরে ভিডিওটা সোশাল সাইটগুলিতে ঘুরছে। যেটা দেখে মনে হচ্ছে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির পুলিশ খলনায়ক। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলো হিংসা দমন করতে ব্যর্থ এমন একটা মিথ্যা গল্প বেরিয়ে আসছে।" ডিসেম্বরের ২০ তারিখ সিএএ-বিরোধী আন্দোলন প্রতিরোধে জব্বলপুরের গোহালপুর, হনুমানতাল, কোতোয়ালি আর আধারতালে কারফিউ জারি করা হয়েছিল।