দূষণ মোকাবিলায় নীতিন গডকড়ির কাছে "অভিনব পরিকল্পনা" আছে: সুপ্রিম কোর্ট

Supreme Court On Air Pollution: বৈদ্যুতিক যানবাহন নিয়ে সরকারী নীতি বাস্তবায়নের বিষয়ে শীর্ষ আদালতে শুনানি চলাকালীন গডকড়ির সহায়তা চাইলেন বিচারপতি

দূষণ মোকাবিলায় নীতিন গডকড়ির কাছে

Supreme Court: দূষণ মোকাবিলায় আদালতকে সাহায্য করুন নীতিন গডকড়ি, করা হল এই আবেদন

হাইলাইটস

  • বায়ুদূষণ মোকাবিলায় পরামর্শ দিন নীতিন গডকড়ি, সাহায্য চাইল সুপ্রিম কোর্ট
  • অভিনব কিছু পরিকল্পনা আছে পরিবহণ মন্ত্রীর কাছে, মনে করছে আদালত
  • শীর্ষ আদালত মনে করছে পেট্রোল ও ডিজেল চালিত গাড়ি থেকেই মূল দূষণ ছড়াচ্ছে
নয়া দিল্লি:

কীভাবে দূষণ কমানো যায় তা নিয়ে মাথা ঘামাতে গিয়ে এবার কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নীতিন গডকরিকে (Supreme Court On Nitin Gadkari) সাহায্য করার জন্যে অনুরোধ জানালেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা। বায়ু দূষণ (Air Pollution) মোকাবিলায় নীতিন গডকড়ির কাছে যেসব "অভিনব পরিকল্পনা" আছে তিনি যদি সেগুলো সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন তাহলে উপকৃত হবে দেশ, মনে করছে আদালত। তবে শীর্ষ আদালতের তরফ থেকে একথাও স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে, দূষণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর (Nitin Gadkari) কাছে নিছকই পরামর্শ চাওয়া হয়েছে, তাঁকে কোনওভাবেই সমন পাঠানো হয়নি, তিনি যেন বিষয়টির ভুল ব্যাখ্যা না করেন। "মন্ত্রীর অভিনব ধারণা রয়েছে। আমরা তাঁকে আদালতে এসে আমাদের সহায়তা করার জন্য অনুরোধ করছি কারণ তিনি এই বিষয়ে একটি ভাল সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো অবস্থানে রয়েছেন", বলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদে।

দূষণ নিয়ন্ত্রণে পথের ধারের দোকানে গ্যাস সংযোগের পরিকল্পনা দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের

সরকারি আইনজীবী যখন সুপ্রিম কোর্টের এই বার্তা যখন নীতিন গডকড়ির কাছে ঠিকভাবে পৌঁছনো নিয়ে অনীহা প্রকাশ করেন এবং বলেন যে এই ঘটনায় "রাজনৈতিক রং দেওয়া হতে পারে", সেই সময় প্রধান বিচারপতি আরও স্পষ্ট করে বলেন: "আমরা তাঁকে তলব করছি বলে মনে করবেন না। এটা আমাদের তরফ থেকে একটি অনুরোধ মাত্র। আমরা দূষণ মোকাবিলায় কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একবার সরকারপক্ষের কারোর সঙ্গে একটু আলোচনা করে নিতে চাইছি। দয়া করে দেখুন যদি তিনি একবার আসতে পারেন।"

বৈদ্যুতিক যানবাহন নিয়ে সরকারী নীতি বাস্তবায়নের বিষয়ে শীর্ষ আদালতে শুনানি চলাকালীন গডকড়ির সহায়তা চায় সুপ্রিম কোর্ট। দূষণ নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে করা ওই মামলায় আবেদনকারীর পক্ষে সওয়াল করা আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ পরামর্শ দেন যে প্রয়োজনে সরকার পেট্রোল এবং ডিজেল গাড়ি থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করতে পারে এবং বৈদ্যুতিক যানগুলিতে ভর্তুকি দিতে পারে। আর এই পদ্ধতি প্রয়োগ হলে পেট্রোল-ডিজেল চালিত গাড়ির ব্যবহার কমবে, ফলে অনেকটাই কমতে পারে বায়ুদূষণের সমস্যা।

বিশ্বের সর্বাপেক্ষা দূষিত শহর গুরগাঁও, প্রথম ১০-এ ভারতেরই আরও ৬ শহর: সমীক্ষা

শীর্ষ আদালত বলে, বাজি থেকে এবং খড় পোড়ানো থেকে বায়ু দূষণ ছড়ালেও বায়ু দূষণের মূল কারণ কিন্তু গাড়ি। প্রধান বিচারপতি বোবদে বলেন, "বাজি এবং খড় পোড়ানো থেকে দূষণ ছড়ানোর ঘটনা তো গোটা বছরে কিছুদিনের জন্যে ঘটে। কিন্তু (মোটর) যান দূষণের ক্ষেত্রে একটি বড় উদ্বেগের কারণ। আমরা বিষয়টি  নিয়ে সামগ্রিকভাবে বিবেচনা করতে চাই।"

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে তার জবাব দেওয়ার জন্যে আগামী ৪ সপ্তাহ সময় দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

Listen to the latest songs, only on JioSaavn.com