This Article is From Mar 07, 2020

"আমি বিজেপি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছি, হিন্দুত্ব থেকে নয়," অযোধ্যায় বললেন উদ্ধব ঠাকরে

রামমন্দির নির্মাণে এক কোটি টাকা দেবে মহারাষ্ট্র সরকার।

অযোধ্যায় আরতি করার কথা থাকলেও, করোনা সংক্রমণের জেরে সেই সূচি বাতিল করা হয়েছে।

হাইলাইটস

  • "রামমন্দির নির্মাণে এক কোটি টাকা দেবে মহারাষ্ট্র সরকার"
  • শনিবার জানালেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে
  • "আমি বিজেপি থেকে সরে এসেছি, কিন্তু হিন্দুত্ব থেকে নয়," বলেন তিনি
লখনউ:

রামমন্দির (Ram Mandir at Ayodhya) নির্মাণে এক কোটি টাকা দেবে মহারাষ্ট্র সরকার (Maharastra Government)। শনিবার ঘোষণা করলেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে (Udhav Thackrey)। এদিন অযোধ্যা পরিদর্শনে যান মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এটাই তাঁর প্রথম অযোধ্যা সফর। তিনি বলেছেন,' আমি বিজেপি থেকে নিজেকে পৃথক করেছি হিন্দুত্ব থেকে নয়।' এদিন অযোধ্যাতে উদ্ধবের আরতি করার কথা থাকলেও, করোনা সংক্রমণের জেরে বাতিল হয়েছে সেই সূচি। এদিন অযোধ্যাতে রামমন্দির নির্মাণ প্রসঙ্গে উদ্ধব ঠাকরে বলেন, "গত বার নভেম্বর ২০১৮-তে আমি এখানে এসেছিলাম তখন অযোধ্যা মামলা টানাপোড়েনের মধ্যে ছিল। এরপর ২০১৯ নভেম্বরে আসি, তখন অযোধ্যা মামলার রায় দিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সেই সিদ্ধান্ত আমার জন্য সুখবর বয়ে এনেছিল। আমি মুখ্যমন্ত্রী হতে পেরেছি।" 

ইয়েস ব্যাংকের শেয়ার কিনতে চায় এসবিআই, সোমবারের মধ্যে করতে হবে আবেদন

তিনি জানিয়েছেন, আমি যোগীজি'র সাথে কথা বলেছি এবং জানিয়েছি সকলে মিলেই রামমন্দির নির্মাণ করব। পাশাপাশি ওকে অনুরোধ করেছি, রামমন্দিরের জমির পাশে সামান্য জায়গা দিতে। সেই জায়গায় রামভক্ত, যারা মন্দির নির্মাণে ভূমিকা নেবেন, তাঁরা থাকতে পারবেন। এমনকি, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছি, মহারাষ্ট্র, মন্দির নির্মাণে এক কোটি টাকা দেবে। 

করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে "তাজমহল সহ সমস্ত স্মৃতিসৌধ বন্ধ" রাখার সুপারিশ

গত নভেম্বরে ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, অযোধ্যার বিতর্কিত জমির মালিকানা রামলালার। পাশাপাশি কেন্দ্রকে নির্দেশ দিয়েছিল ট্রাস্ট গঠনের। সেই ট্রাস্ট বিতর্কিত জমিতে মন্দির নির্মাণের দেখভাল করবে। অন্যদিকে মসজিদ নির্মাণের জন্য জমি দিতে উত্তরপ্রদেশ সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। অযোধ্যার বিতর্কিত জমি থেকে প্রায় ২৫ কিমি দূরে ধানিপুর গ্রামে সেই জমির বন্দোবস্ত করেছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। সেই জমি লখনউ সড়ক সংলগ্ন। যে সড়ক ধরে রাজ্যের সচিবালয় পর্যন্ত দূরত্ব ১৮ কিমি। এমনটাই জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী শ্রীকান্ত শর্মা।