This Article is From Jul 30, 2019

রাজ্যসভায় "তিন তালাক" বিলের পরীক্ষা, দলীয় সাংসদের প্রতি হুইপ জারি বিজেপির: ১০টি তথ্য

Triple Talaq Bill: বিরোধীদের আপত্তি থাকলেও তা অগ্রাহ্য করে লিঙ্গ সমতা ও সুবিচারের যুক্তি দিয়ে লোকসভায় এই তিন তালাক বিল পাশ করেছে সরকার

রাজ্যসভায়

আগের মেয়াদে তিন তালাক বিলটি রাজ্যসভায় পাশ করাতে ব্যর্থ হয় মোদি সরকার

হাইলাইটস

  • Many opposition parties have questioned motive behind "rushing" the bill
  • Bill to ban instant "Triple Talaq" passed in Lok Sabha on July 25
  • Triple Talaq Bill criminalises instant divorce by Muslim men
নয়া দিল্লি: লোকসভার (Lok Sabha) পর এবার রাজ্যসভাতেও (Rajya Sabha) তিন তালাক বিল (Triple Talaq Bill) পাশ করানোর জন্যে সেটি তালিকাভুক্ত করল সরকার (government)। তাৎক্ষণিক তিন তালাক রোধে আনা ওই বিলটি মঙ্গলবার পেশ হবে রাজ্যসভায়।তবে শাসকদল বিজেপি (BJP) সংসদের উচ্চকক্ষে সংখ্যালঘু থাকায় বিলটি পাশ করানোর লক্ষ্যে দলের সমস্ত সাংসদদের মঙ্গলবার রাজ্যসভায় আবশ্যিকভাবে উপস্থিত থাকার জন্যে হুইপ জারি করেছে। কিন্তু কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, ডিএমকের মতো অনেক বিরোধী দলই (opposition party) সংসদে বিল পাশ করানোর ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকারের “ব্যস্ততা”-র পিছনে থাকা উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

এখানে রইল "তিন তালাক" বিল নিয়ে ১০টি তথ্য:

  1. বিরোধীদের আপত্তি ও তাঁদের ওয়াকআউট সত্ত্বেও গত ২৫ জুলাই লোকসভায় মুসলিম মহিলা (বিবাহের উপর অধিকার সংরক্ষণ) বিল -২০১৯ (Muslim women (Potection of Rights on Marriage) Bill-2019) নামে বিলটি পাশ হয়েছিল। সেই সময় এর পক্ষে ভোট পড়ে ৩০২ টি এবং বিপক্ষে পড়ে ৮২ টি ভোট।
     

  2. যদিও গত ষোড়শ লোকসভাও এই আইনটি পাশ করে, তবে সেটি উচ্চকক্ষ অর্থা রাজ্যসভায় গিয়ে আটকে যায়।
     

  3. গত মে মাসে দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ নেওয়ার পরে নরেন্দ্র মোদি সরকারের উত্থাপিত এটিই প্রথম খসড়া আইন ছিল।এই তিন তালাক (Triple Talaq) বিলে বলা হয়েছে কোনও মুসলিম পুরুষ তাঁর স্ত্রীকে বিবাহ বিচ্ছেদের উদ্দেশ্যে তাৎক্ষণিক তিন তালাক (Instant Divorce) দিলে তা অপরাধ বলে গণ্য হবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির কারাদণ্ড হবে।
     

  4. যদিও বিরোধী দলগুলি (Opposition) এই বিলের বিরোধিতা করেছে, তবুও কেন্দ্রীয় সরকার এই বিলটিকে লিঙ্গ সমতা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দিকে এক পদক্ষেপ বলে মনে করছে।
     

  5. কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) এবং ডিএমকে (DMK)-এর মতো দলগুলি এটির পুনর্বিবেচনার জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানোর দাবি তোলে। এমনকি নীতীশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড - যা ক্ষমতাসীন সরকারের জোটেরই একটি অঙ্গ – সেই দলটিও এই আইনের বিরোধিতা করেছে।
     

  6. গত শুক্রবারই,  ১৭ টি বিরোধী দল রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ভেঙ্কাইয়া নাইডুকে চিঠি দিয়ে বর্তমানে সংসদে যেভাবে কোনও স্ক্রুটিনি ছাড়াই অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে বিল পাশ করানো হচ্ছে সে ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে চিঠি দেয়। লোকসভায় কংগ্রেসের চিফ হুইপ কে সুরেশ অভিযোগ করেন যে সরকার "তিন তালাক" বিলটিকে "গোপন" রাখার চেষ্টা করছে।
     

  7. জেডিইউ, যারা প্রথম থেকেই এই বিলের বিরুদ্ধে ছিল, তাঁরা লোকসভায় বলে যে এই জাতীয় আইন "সমাজের প্রতি আস্থার অভাব" তৈরি করবে। এই বিল নিয়ে ভোটদানের পরে অন্য দুটি বিরোধী দল কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেস ওয়াক আউট করে। বিলটির পক্ষে ৩০২টি এবং বিপক্ষে ৭৮ টি ভোট পড়ায় লোকসভায় পাশ হয়ে যায় এই তিন তালাক বিরোধী বিল।
     

  8. কংগ্রেস ও অন্যান্য বিরোধী দলগুলিও মঙ্গলবার রাজ্যসভায় তাঁদের সাংসদদের উপস্থিত থাকার জন্যে হুইপ জারি করেছে।
     

  9. বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ শক্তিশালী সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকায় লোকসভায় (Lok Sabha) এই বিলটি পাশ করাতে তাঁরা সক্ষম হলেও,  রাজ্যসভায় সংখ্যার হিসাবে এগিয়ে আছে বিরোধীরাই।
     

  10. সরকার অবশ্য দাবি করেছে যে বিরোধীরা বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি করছে। "এই বিষয়টিকে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গীর মাধ্যমে দেখবেন না। এটি ন্যায়বিচার ও মানবতার ইস্যু... নারী অধিকার এবং ক্ষমতায়নের ইস্যু... আমরা আমাদের মুসলিম বোনদের ত্যাগ করতে পারি না,"  এই বিল পাশ করানোর পক্ষে যুক্তি দিয়ে একথা বলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ।