স্কুল শিক্ষকতা করতে চার বছরের অবিচ্ছেদ্য বিএড আবশ্যিক: জাতীয় শিক্ষা নীতি

শিক্ষকদের আরও পেশাদার করতে আগামি দু'বছরের মধ্যে জাতীয় পর্ষদ গড়া হবে। এই পর্ষদ শিক্ষকদের অভিন্ন পেশা বিধি তৈরি করবে

স্কুল শিক্ষকতা করতে চার বছরের অবিচ্ছেদ্য বিএড আবশ্যিক: জাতীয় শিক্ষা নীতি

বুধবার দুপুরে নতুন শিক্ষা নীতি বা এনইপি গ্রহণ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (প্রতীকী ছবি)।

নয়াদিল্লি:

এবার শিক্ষকতা করতে ন্যূনতম যোগ্যতা চার বছরের অবিচ্ছেদ্য বিএড (4-Years B.Ed)। ২০৩০-এর মধ্যে এই যোগ্যতা আবশ্যিক করবে শিক্ষা মন্ত্রক। ন্যূনতম এই যোগ্যতার বাইরে কেউ শিক্ষকতা করলে, তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এমনটাই সূত্রের খবর। জাতীয় শিক্ষা নীতিতে (NEP) এই সুপারিশ উল্লেখ করা হয়েছে। এই শিক্ষা নীতি স্কুলশিক্ষা ও উচ্চশিক্ষায় একাধিক সংস্কারের সুপারিশ করেছে। এই সুপারিশকে মান্যতা দিতে শিক্ষক প্রশিক্ষণে বিশেষ রোডম্যাপ তৈরি করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, শিক্ষকদের আরও পেশাদার করতে আগামি দু'বছরের মধ্যে জাতীয় পর্ষদ গড়া হবে। এই পর্ষদ শিক্ষকদের অভিন্ন পেশা বিধি তৈরি করবে। 

এদিকে, বুধবার দুপুরে নতুন শিক্ষা নীতি বা এনইপি গ্রহণ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের নাম বদলে রাখা হলো শিক্ষা মন্ত্রক। ইসরোর প্রাক্তন প্রধান কে কস্তরীরঙ্গনের নেতৃত্বে কমিটি মন্ত্রিসভার কাছে নতুন শিক্ষা নীতি খসড়া পেশ করেছিল। মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল স্বাক্ষর সম্বলিত সেই খসড়া নিয়ে এদিন বৈঠকে বসে ক্যাবিনেট। তবে, ক্যাবিনেটের কাছে এই খসড়া পেশের আগে জনমঞ্চে প্রকাশ করা হয়েছিল। চাওয়া হয়েছিল পরামর্শ। কয়েক লক্ষ পরামর্শ পেয়েছে এই খসড়া। চলতি খসড়া ১৯৮৬ সালে গৃহীত হয়েছিল। তারপর ১৯৯২ সালে সংশোধিত করা হয়। নতুন শিক্ষা নীতি গ্রহণ, বিজেপির ২০১৪  সালের নির্বাচনী ইস্তাহারে উল্লেখ করা হয়েছিল।

এই খসড়া কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন প্রাক্তন ক্যাবিনেট সচিব টিএসআর সুব্রহ্মণিয়ম আর প্রাক্তন মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। সূত্রের খবর, নতুন এই খসড়ায় মান্যতা দেওয়া হয়েছে আরএসএসের দাবি-দাওয়াকে।